মৃ’ত্যু মুখে দিতি-গোরা! ছদ্মবেশ ফাঁ’স হতেই দালালের বন্দুকের নিশানায় দুই জীবন! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone kori) ধারাবাহিকের প্রতিটি পর্বেই থাকছে চমক। দাদুর কড়া নির্দেশে আগামীকালের মধ্যে চুরি যাওয়া পুঁথি উদ্ধার করা বাধ্যতামূলক হয়ে পড়ে। গোরা দেরি না করে দালালের সাথে যোগাযোগ করলেও জানতে পারে, পুঁথিটি ইতিমধ্যে দুই লক্ষ টাকার বিনিময়ে পুলস্ত্যর হাতে চলে গেছে যে খবর বাড়ির কারোরই জানা ছিল না। এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে দিতি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়ে পুঁথি উদ্ধারের সমস্ত দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেয় এবং বাড়ির সকলকে কথা দেয় যে সে পুঁথিটি ফিরিয়ে আনবেই।

এদিকে মন্দিরে ঘটে যাওয়া অলৌকিক ঘটনা, আচমকা হাওয়া এবং নূপুরের রহস্যময় শব্দ দিতি ও বিশাখাকে ভাবিয়ে তোলে। এরপর গোরা ও দিতি নিজেদের মধ্যে আলোচনা শুরু করে কীভাবে সেই দুর্মূল্য সম্পদ উদ্ধার করা যায়। গোরা জানে, দালালরা পুঁথিটি বেশিক্ষণ নিজেদের কাছে রাখবে না। তাই দিতি বুদ্ধি দেয় যে তারা বিদেশি স্বামী-স্ত্রী সেজে দালালের আস্তানায় যাবে, কারণ বিদেশি পর্যটকদের এজাতীয় প্রাচীন জিনিসের প্রতি দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে দালালের বিশ্বাস অর্জন করা সহজ হবে।

এই গোপন পরিকল্পনার কথা আড়ালে দাঁড়িয়ে শুনে ফেলে কুন্তলা। সে মনে মনে ঠিক করে, দিতি যদি পুঁথি নিয়ে ফিরে আসে তবে পরিবারে তার জায়গা আরও মজবুত হয়ে যাবে। তাই দিতিকে আটকাতে সে গভীর রাতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এক সাপুড়ের কাছ থেকে বিষাক্ত গোখরো সাপ কিনে আনে। বাড়ি ফেরার সময় দিতির নজরে পড়ে গেলেও চালাকি করে কুন্তলা নিজের ব্যাগ চেক করতে বাধা দেয় এবং নিজেকে বাঁচিয়ে নেয়।

পরদিন সকালে দিতি ও গোরা ছদ্মবেশে দালালের ঠিকানায় রওনা হওয়ার প্রস্তুতি নেয়। কুন্তলা দরজার আড়ালে সব শুনে গোরার মাকে উসকে দেয় এবং বোঝায় যে দিতি গোরাকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। গোরার মা দুশ্চিন্তায় পড়ে দিতিকে কড়া হুঁশিয়ারি দেন যে, গোরার কোনো ক্ষতি হলে তিনি তাকে ক্ষমা করবেন না। অন্যদিকে কুন্তলা তলে তলে গোরার দাদার থেকে দালালের নম্বর জোগাড় করে তাকে ফোন করে সাবধান করে দেয় যে, দিতি ও গোরা ছদ্মবেশে সেখানে যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ “অভিনয় করতে না পারাটা যন্ত্রণার, কিন্তু…এঁরা যেন আমার হয়ে ক্ষমা না চান, ক্ষমা মানুষ অন্যায় করলেই চায়”—ফেডারেশন বিতর্কে অনমনীয় অনির্বাণ!

শেষ পর্যন্ত দিতি ও গোরা যখন দালালের আস্তানায় পৌঁছায়, তখন তারা ঘুণাক্ষরেও জানত না যে তাদের পরিচয় ফাঁস হয়ে গেছে। কুন্তলার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দালালের লোকজন সতর্ক হয়ে যায় এবং দিতি ও গোরার দিকে বন্দুক উঁচিয়ে তেড়ে আসে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিতি কি পারবে এই প্রতিকূল পরিস্থিতি জয় করে চুরি যাওয়া পুঁথিটি উদ্ধার করতে? তা জানা যাবে পরবর্তী পর্বে।

Back to top button