ভালোবাসার নামে চরম পাগলামি! ঝিনুককে আঁকড়ে ধরে অদ্ভুত খেলায় মেতেছে সম্রাট! সকাল হলেই নতুন ভয়! দুর্ধর্ষ আজকে পর্ব!

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, জন্মাষ্টমী উপলক্ষে পল্লবীদের বাড়িতে আগমন ঘটে আদির। আদির উপস্থিতিতে পল্লবীর কথাবার্তা ও মুখাবয়বে ফুটে ওঠে এক অদ্ভুত অস্বস্তি আর লুকোনো লজ্জা, যা তাদের সম্পর্কের এক নতুন ইঙ্গিত দেয়। অন্যদিকে, একই সময়ে বাড়ির ভেতরে ঘনিয়ে ওঠে এক চরম আর্থিক বিপর্যয়ের মেঘ। শান্তনু জানতে পেরে যায় যে তার দাদা বাড়িতে বিপুল পরিমাণ প্রায় তিন লক্ষ টাকা মজুত করে রেখেছে। এই বিপুল অঙ্কের টাকার খোঁজ পাওয়ার পর থেকেই শান্তনুর মাথায় চুরির কুচিন্তা ঘনীভূত হতে শুরু করে।

একদিকে যখন এই চক্রান্ত তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে রাজু তার সততার এক উজ্জ্বল পরিচয় দেয়। দোকানে এক প্রতারককে হাতেনাতে ধরে মালিকের টাকা উদ্ধার করে আনে সে। রাজুর এই সাহসিকতা ও ন্যায়পরায়ণতা দেখে একটি মেয়ের মনে তার প্রতি আগ্রহ ও কৌতূহল বহুগুণ বেড়ে যায়। কিন্তু এই প্রশংসা ও ভালোলাগার মাঝেই গুহ বাড়িতে জন্মাষ্টমীর পুজো চলাকালীন ঘটে যায় আসল অঘটন। দাদার অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে শান্তনু সেই গচ্ছিত তিন লক্ষ টাকা সরিয়ে ফেলে। টাকা চুরির ঘটনা জানাজানি হতেই সমীর বা সমর রেগে আগুন হয়ে যায়, যদিও আসল অপরাধী শান্তনু আড়ালেই থেকে যায়।

শান্তনু সুযোগ বুঝে টাকা চুরি করলেও পরিস্থিতির মোড় ঘোরে রাজুর দিকে। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে ঠিক এমন একটি সময়ে রাজু একটি গয়নার দোকানে যায়, যা সমরের চোখে পড়ে যায়। ব্যাস, স্বাভাবিকভাবেই সমরের সন্দেহের তির গিয়ে পড়ে রাজুর ওপর। রাগের মাথায় সমর রাজুকে ধরে বেধড়ক মারধর শুরু করে। সবচেয়ে অসহায় অবস্থায় পড়ে রাজু, কারণ নিজের মনের কথা বা আসল সত্য সে ঠিকমতো গুছিয়ে বুঝিয়ে বলতে পারে না। কেন সে গয়নার দোকানে গিয়েছিল, তা-ও কাউকে বোঝাতে অক্ষম হয় সে।

পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন সমর রাজুর ব্যাগ তল্লাশি করতে শুরু করে। শান্তনু যদি চতুরতার সাথে সেই চুরি করা টাকাটা রাজুর ব্যাগে লুকিয়ে রেখে থাকে, তবে নিরপরাধ রাজু চরম বিপদে পড়ে যাবে। যে অপরাধ সে করেনি, সেই অপবাদ মাথায় নিয়েই হয়তো তাকে সবার সামনে দাঁড়াতে হবে। শান্তনু যখন আড়ালে থেকে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে, তখন রাজুর ওপর সন্দেহের চাপ ক্রমশ বাড়ছে। তবে সত্য কি চিরকাল এভাবে ঢাকা পড়ে থাকবে, নাকি খুব শীঘ্রই উদঘাটিত হবে আসল চোরের মুখ তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

আরও পড়ুনঃ ‘মায়ের দেওয়া আঘাত মনে রাখতে চাই না…’ ‘মাকে আমি আজও ভীষণ ভালোবাসি…’ ‘মাকে অস্বীকার করা যায় না!’ “মা” হওয়ার পরই কি নিজের মায়ের কষ্টটা বুঝতে পারছে অহনা? তিক্ত অতীত মুছে, মায়ের স্মৃতিচারণ! অহনা দত্তের কন্ঠে মন খারাপের সুর!

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দর্শকের জন্য অপেক্ষা করছে এক নতুন চমক ও অদ্ভুত সমীকরণ। সম্রাট নিজের অফিস-কাজ সব ছেড়ে সারাক্ষণ ঝিনুকের কাছে পড়ে থাকছে, এমনকি নিজের হাত ঝিনুকের হাতের সাথে বেঁধে রাখছে। সম্রাটের এমন অস্বাভাবিক পাগলামি দেখে ঝিনুক যেমন অবাক হচ্ছে, তেমনই ভয় পাচ্ছে। ঝিনুক সারারাত ঘুমাতে না পারার কথা জানালে সম্রাট একই অবস্থায় তার পাশে ঘুমিয়ে পড়ে। স্বামীর এই অদ্ভুত আচরণে ঝিনুক পুরোপুরি হতবাক হয়ে যায়।

Back to top button