ছেলের বউ থাকতে আবার বিয়ে? শাশুড়ির মুখের ওপর সপাটে জবাব অদ্বিতীয়ার! ষ’ড়যন্ত্র ব্যর্থ করে নিজের সিঁথিতে নিজেই সিঁদুর পরল দিতি! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone Kori) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, মায়ের জেদের কাছে হার মেনে গোরা শেষ পর্যন্ত সব সত্যি কথা বলে দেয়। সে জানায়, দিতির প্রাণ সংশয় আছে এবং কেউ তাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে, তাই কেবল মানবধর্ম পালন করতেই সে দিতিকে আশ্রয় দিয়েছে। দিতির জ্ঞান ফিরলে সে তাকে তার বাবার কাছে দিয়ে আসবে। তবে এই বিপদের পেছনে যে পুলস্ত্য আছে, সেই কথাটি গোরা গোপন রাখে। গোরার মা এই সুযোগে একটি শর্ত দেন এবং গোরা তাতে রাজি হয়ে যায়।
পরদিন সকালে গোরার মা এক ফন্দি আঁটেন। তিনি দিতিকে বাড়ি থেকে দূরে সরাতে পাশের বাড়িতে কীর্তন গাওয়ার এক মিথ্যে বাহানা তৈরি করে সেখানে পাঠিয়ে দেন। দিতি চলে যাওয়ার পর মা কুন্তলীকে সুন্দর শাড়ি-গয়নায় সাজতে বলেন। কুন্তলী অবাক হয়ে কারণ জানতে চাইলে মা নিজের আসল মতলব ফাঁস করেন। তিনি জানান, আজই গোরার সঙ্গে কুন্তলীর বিয়ে দিয়ে তাকে নিজের পুত্রবধূ করবেন।

পরিকল্পনা মতো গোরার মা তাকে নিয়ে মন্দিরে যান। সেখানে গিয়ে তিনি গোরার হাতে সিঁদুর তুলে দিয়ে কুন্তলীকে বিয়ে করার আদেশ দেন। মায়ের এমন অদ্ভুত দাবিতে গোরা ভীষণ অবাক হয়ে যায় এবং সাফ জানিয়ে দেয় যে, সে কোনোভাবেই এই কাজ করতে পারবে না। পরিস্থিতি যখন বেশ জটিল হয়ে ওঠে, তখন কুন্তলী নিজেই জোর করে গোরার হাত থেকে সিঁদুর পরে নেওয়ার জন্য এগিয়ে আসে।
ঠিক সেই মুহূর্তেই সেখানে নাটকীয়ভাবে হাজির হয় অদ্বিতীয়া। সে কুন্তলীর হাত ধরে তাকে কষে একটা থাপ্পড় মারে। এরপর সে সরাসরি গোরার মায়ের মুখোমুখি হয়ে প্রশ্ন তোলে যে, ঘরে বউ থাকতে তিনি কীভাবে ছেলের আবার বিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন? গোরার মা তখন অহংকারের সাথে বলেন যে, অদ্বিতীয়া তো আসলে ‘রূপ’ নয়, তাই এই বিয়েতে কোনো বাধা নেই।
আরও পড়ুনঃ ট্রোলের আঘাতে ছেড়েছিলেন সমাজমাধ্যম! ‘দিদির কথা শিরোধার্য’ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ফের সোশ্যাল মিডিয়ায় ইমন চক্রবর্তীর!
এই কথা শুনে অদ্বিতীয়া সাহসের সাথে গর্জে ওঠে। সে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, তার নাম অদ্বিতীয়া হোক বা রূপমঞ্জরী সে-ই গোরাচাঁদ গোস্বামীর আসল স্ত্রী। নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সে আর এক মুহূর্তও সময় নষ্ট করে না। সবার সামনেই সে গোরার হাতে থাকা সিঁদুর নিজের সিঁথিতে পরে নিয়ে তার স্ত্রীর মর্যাদা ছিনিয়ে নেয়।

