ঘোমটার আড়ালেই লুকিয়ে আসল রহস্য! গোরার কান্ড দেখে অবাক অদ্বিতীয়া! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone Kori) ধারাবাহিকের পর্বে দেখানো হচ্ছে, গোরার মা সাহায্য না করায় দিতি প্রথমে বড় বিপদেই পড়ে। মহাপ্রভুর ভোগ রান্নার মতো গুরুদায়িত্ব তার কাঁধে, অথচ পাশে দাঁড়ানোর কেউ নেই। কিন্তু দিতি হার মানার মেয়ে নয়। নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর বাড়ির ছোটদের সাহায্য নিয়ে সে একে একে সব বাধা অতিক্রম করে। শেষ পর্যন্ত চমৎকারভাবে ভোগ রান্না সম্পন্ন করে ফেলে। তার এই সাফল্যে বাড়ির সবাই বিস্মিত হয়ে যায় যে কাজকে অসম্ভব মনে করা হয়েছিল, দিতি তা সম্ভব করে দেখায়।

তবে দিতির জয় এত সহজে মেনে নেওয়ার পাত্রী নয় কুন্তলি। সবার চোখের আড়ালে সে পায়েসে নুন মিশিয়ে ভোগ নষ্ট করার পরিকল্পনা করে। চুপিসারে রান্নাঘরে ঢুকে সে যখন নিজের কুমতলব সফল করতে যায়, ঠিক তখনই দিতি তাকে হাতে-নাতে ধরে ফেলে। শুধু তাই নয়, তার দুষ্টুমি শাস্তি দিতেই দিতি তাকে নুনের স্বাদ বুঝিয়ে দেয়। কুন্তলির চক্রান্ত ব্যর্থ হয়, আর দিতির দৃঢ়তা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

রান্নার কাজ শেষ করে দিতি যখন একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে, তখনই নতুন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয় তাকে। তার শাশুড়ি তাকে জব্দ করার জন্য এক গাদা থালা-বাসন মাজতে দিয়ে দেন, যেন পুজোর ক্লান্তির সঙ্গে এই অতিরিক্ত পরিশ্রম তাকে ভেঙে দেয়। একদিকে সারাদিনের পুজোর ধকল, অন্যদিকে এই কঠিন কাজ সব মিলিয়ে দিতির ধৈর্য ও সহ্যের এক কঠিন পরীক্ষা শুরু হয়।

এদিকে বাড়ির বাইরে অন্য এক নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলস্ত ও হিয়া গোস্বামী বাড়ির বাইরে এসে কুন্তলিনীকে ফোন করে ভেতরে ঢোকার উপায় জানতে চায়। কুন্তলিনী তাদের বলে, বাড়ির সকলে যেমন শাড়ি ও পুজোর পোশাকে সেজে ঢুকবে, তারাও তেমনভাবেই সেজে ভেতরে ঢুকে পড়ুক। সেই পরামর্শ মেনে পুলস্ত শাড়ি পরে গোস্বামী বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে এক অভিনব ছদ্মবেশে, যা পরিস্থিতিকে আরও রহস্যময় করে তোলে।

আরও পড়ুনঃ সত্যিই কি ডিভোর্স? নাকি ভালোবাসার নতুন পরীক্ষা? সাজানো আদালতের গোলকধাঁধায় রায়ান-পারুল! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

অন্যদিকে বাসন মাজতে মাজতে অদ্বিতীয়ার হাতে সামান্য কেটে যায়। রক্ত বন্ধ করতে সে গাঁদাফুলের পাতার রস আনতে যায়। ঠিক সেই সুযোগে গোরা শাড়ি পরে এসে অদ্বিতীয়ার হয়ে দ্রুত সব থালা-বাসন পরিষ্কার করতে শুরু করে। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে অদ্বিতীয়া অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে, কে? গোরা পালাতে গেলে সে তাকে ধরে ফেলে। শাড়ির ঘোমটা সরাতেই গোরার মুখ দেখে অদ্বিতীয়া হেসে ওঠে অপ্রত্যাশিত এই দৃশ্যে ক্লান্তির মাঝেও যেন একফোঁটা হাসির রেশ ছড়িয়ে পড়ে। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button