সত্যিই কি ডিভোর্স? নাকি ভালোবাসার নতুন পরীক্ষা? সাজানো আদালতের গোলকধাঁধায় রায়ান-পারুল! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

প্রতিদিনই টানটান পর্ব দেখানো হচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta)। শিবরাত্রির উপোস করে পারুল গ্রামের মন্দিরে জল ঢালতে যায়। তাদের বিচ্ছেদ হতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকি, তাই পারুল একা জল ঢালতে চাইলেও গ্রামের মানুষের অনুরোধে তাকে রায়ানের সাথে নাচ-গান করতে হয়। সারাদিন না খেয়ে থাকা আর মনের ওপর দিয়ে যাওয়া চাপের কারণে পারুল মন্দিরে হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে যেতে যায়। ঠিক সেই সময় রায়ান দৌড়ে এসে পারুলকে জড়িয়ে ধরে সামলে নেয়। তাদের মধ্যে ঝগড়া থাকলেও এই ঘটনা বুঝিয়ে দেয় যে বিপদের সময় রায়ান আজও পারুলকে কতটা আগলে রাখে।

শেষ পর্যন্ত অনিচ্ছা সত্ত্বেও সবার চাপে দুজনে একসাথেই শিবের মাথায় জল ঢালে। এই ঘটনাটি পরিষ্কার বুঝিয়ে দেয় যে, মুখে তারা যাই বলুক না কেন, বিপদের সময় রায়ান আজও পারুলকে আগলে রাখে। অন্তরের টানে রায়ান আজও পারুলের সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ। বিপদের দিনে পারুলকে আগলে রাখার প্রবৃত্তি রায়ানের মধ্যে আজও অটুট।

Zee Bangla Parineeta episode 17 February

এদিকে টগর নিজের শয়তানি বুদ্ধি খাটিয়ে তার মাকে জানিয়ে দেয় যে, পারুল এবং রায়ানের ডিভোর্স পেপারে সই করা হয়ে গেছে এবং তারা খুব শীঘ্রই আলাদা হয়ে যাবে। এই খবর শুনে পারুলের মা ভীষণ ভয় পেয়ে যান এবং দুশ্চিন্তায় ভেঙে পড়েন। তিনি সরাসরি দাদুর কাছে গিয়ে সব কথা খুলে বলেন এবং প্রশ্ন করেন এখন কী হবে। দাদু অভিজ্ঞ মানুষের মতো তাকে শান্ত করেন এবং আশ্বাস দেন যে সব ঠিক হয়ে যাবে, চিন্তার কোনো কারণ নেই।

পরের দিন কোর্টে শুনানির সময় আবারও রায়ান ও পারুলের মধ্যে পুরনো খুনসুটি ও ঝগড়া শুরু হয়ে যায়। রায়ান বিচারকের কাছে অভিযোগ করে যে পারুল তাকে ভীষণ অত্যাচার করে। অন্যদিকে পারুল বলে যে সে গ্রামের মেয়ে বলে রায়ান তাকে সবসময় ছোট করে এবং অপমান করে। তবে রায়ান এই অভিযোগের প্রতিবাদ করে জানায় যে, সে শুরুতে পারুলকে গ্রামের মেয়ে বলে অনেক কটু কথা বললেও, তার গায়ের রং নিয়ে কোনোদিন কোনো অপমান করেনি। পারুল তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ দিচ্ছে বলে সে দাবি করে।

আরও পড়ুনঃ ‘বউ আর গার্লফ্রেন্ড দুই-ই সামলাচ্ছি, কেউ কিচ্ছু টের পায় না!’ অনামিকার অজান্তেই কি অন্য কারোর প্রেমে মজেছেন অভিনেতা উদয় প্রতাপ সিং?

কোর্টের কার্যক্রম চলাকালীন সেখানে এমন কিছু অদ্ভুত ঘটনা ঘটতে থাকে যা দেখে রায়ান ও পারুল দুজনের মনেই সন্দেহের দানা বাঁধে। একে একে বাড়ির সব সদস্যকে সাক্ষী দেওয়ার জন্য ডাকা হয়, যা সাধারণ কোর্টের তুলনায় বেশ অস্বাভাবিক মনে হয়। পারুল ও রায়ানের কাছে পুরো পরিবেশটাই সাজানো বা নকল বলে মনে হতে থাকে। এখন দেখার বিষয়, বাড়ির বড়রা মিলে কি তাদের বিচ্ছেদ আটকাতে কোনো ফাঁদ পেতেছেন, নাকি সত্যিই তাদের আলাদা হতে হবে।

Back to top button