পুঁথির খোঁজে পুলস্ত্যর বাড়িতে ছদ্মবেশে হাজির দিতি-গোরা! তাদের জন্য লুকিয়ে আছে কোন বিপদ? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone kori) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, গল্পের শুরুতে দেখা যায় দিতি ও গোরা ছদ্মবেশে দালালের আস্তানার দিকে রওনা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু বাড়ির ভেতরেই শুরু হয় অন্য এক চক্রান্ত। কুন্তলা কৌশলে গোরার মাকে উসকে দিয়ে বোঝাতে সক্ষম হয় যে, দিতি জেনেশুনে গোরাকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। ছেলের অমঙ্গলের আশঙ্কায় গোরার মা দিতিকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। এই মানসিক চাপ মাথায় নিয়েই দিতি ও গোরা কলকাতার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ে।

কলকাতায় পৌঁছে দিতি ও গোরা নিজেদের আসল পরিচয় গোপন রেখে বড়লোক খদ্দের সেজে দালালের সঙ্গে দেখা করে। দিতি খুব চতুরতার সঙ্গে দালালের বিশ্বাস অর্জন করে এবং হারানো পুঁথির প্রসঙ্গ তোলে। দালাল প্রথমে পুঁথিটি বিক্রি হয়ে গেছে বলে জানালেও, দিতি টাকার টোপ ফেলে। প্রতিটি পুঁথির জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে দালালের মনে লোভ জেগে ওঠে, যা ছিল দিতির পরিকল্পনারই অংশ।

দিতিরা যখন দালালের ডেরায় পরিকল্পনা সফল করতে ব্যস্ত, ঠিক তখনই পেছন থেকে কুন্তলা তার আসল চালটি চালে। সে গোরার দাদার থেকে দালালের নম্বর সংগ্রহ করে তাকে ফোন করে সাবধান করে দেয় যে, দিতি ও গোরা ছদ্মবেশে সেখানে গেছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে দালালের লোকজন সতর্ক হয়ে যায় এবং দিতি ও গোরা পৌঁছানো মাত্রই তাদের দিকে বন্দুক উঁচিয়ে আক্রমণ করে।

বিপদের মুখে পড়েও দিতি পিছু হটে না। যখন দালালের লোকেরা হামলা করতে আসে, তখন গোরার মধ্যে এক অলৌকিক ও ভয়ঙ্কর শক্তির প্রকাশ ঘটে। সে একাই আক্রমণকারীদের পরাস্ত করে তাদের চেয়ারের সাথে বেঁধে ফেলে। এরপর দিতি বুদ্ধিমত্তার সাথে দালালের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়। প্রাণের ভয়ে এবং সম্পত্তির মায়ায় পড়ে দালাল অবশেষে স্বীকার করতে বাধ্য হয় যে, সে পুঁথিটি পুলস্ত্যর কাছে বিক্রি করেছে।

আরও পড়ুনঃ ‘হাসপাতালে শয্যাশায়ী, কথা জড়িয়ে যাচ্ছে, তবুও ভোরবেলা ফোন করে উনি…’ ৮৫-তেও অদম্য মাধবী মুখোপাধ্যায়! অভিনেত্রী হিসেবে কতটা নিষ্ঠাবান তিনি? জানালেন লীনা গঙ্গোপাধ্যায়!

সত্য উদঘাটিত হওয়ার পর দিতি ও গোরা সময় নষ্ট না করে সরাসরি ছদ্মবেশেই পুলস্ত্যর বাড়ির দিকে রওনা দেয়। দালালের আস্তানা থেকে তারা জয়ী হয়ে ফিরলেও পরবর্তী ধাপটি আরও কঠিন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পুলস্ত্য কে এবং তার কাছে পৌঁছানো কতটা বিপজ্জনক হবে, আর শেষ পর্যন্ত তারা পুঁথি উদ্ধার করতে পারবে কি না তা নিয়েই গল্পের চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

Back to top button