মহাপ্রভুর মন্দিরে গোরার শেষ আকুতি! পুলস্ত্যর সামনে বেরিয়ে এলো দিতির আসল পরিচয়!

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone kori) ধারাবাহিকে গোরার পরিবারে এখন ঝড়ের পূর্বাভাস। একদিকে দিতির বাবা মেনে নিয়েছেন যে গোরার বাড়িতে থাকা মেয়েটি তার দিতি নয়, বরং গোরার স্ত্রী রূপমঞ্জুরি। কিন্তু এই সুযোগে চতুর পুলস্ত্য দিতির বাবাকে ভুল বুঝিয়ে নিজের জালে আটকে ফেলে এবং দিতির নিখোঁজ সংবাদসহ পোস্টার চারিদিকে ছড়িয়ে দেয়। পুলস্ত্যর মূল লক্ষ্য হলো গোরার থেকে দিতিকে কেড়ে নেওয়া এবং প্রমাণ করা যে আসল রূপমঞ্জুরি মৃত।

এদিকে দিতি অবচেতনে গোরাকে ভালোবেসে ফেলেছে, যা গোরাকে চরম অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। গোরার ডাক্তার বন্ধু তাকে পরামর্শ দেয় যে, দিতি যদি ভালোবেসে গোরার নিয়মগুলো মেনে নেয়, তবেই তাকে রূপমঞ্জুরি হিসেবে গড়ে তোলা সহজ হবে। কিন্তু গোরা তার মৃত স্ত্রীর প্রতি এতটাই অনুগত যে অন্য কাউকে সেই জায়গায় বসাতে সে মানসিকভাবে বাধা পায়।

Tare Dhori Dhori Mone Kori, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali Television, Tare Dhori Dhori Mone Kori New Episode, Tare Dhori Dhori Mone Kori Today's Episode 30 January, Today's Episode, তারে ধরি ধরি মনে করি, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, তারে ধরি ধরি মনে করি আজকের পর্ব, তারে ধরি ধরি মনে করি ৩০ জানুয়ারি আজকের পর্ব

এরপর যখন পুলস্ত্য সরাসরি গোরার বাড়ির সামনে এসে হুমকি দেয়। সে জানায়, সে প্রমাণ করেই ছাড়বে যে রূপমঞ্জুরি বেঁচে নেই। পুলস্ত্যর এই আত্মবিশ্বাস গোরাকে ভীত করে তোলে, কারণ সময়ের হিসেব মেলালে তার মিথ্যে ধরা পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। বাড়িতে পুলস্ত্যর লাগানো পোস্টার দেখে কুন্তলা মনে মনে খুশি হলেও, দিতি ক্রমশ সন্দিহান হয়ে ওঠে। গোরা ও তার বন্ধুর লুকোছাপা আচরণ দেখে দিতির মনে নিজের আসল পরিচয় নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন দেখা দেয়। সে বুঝতে পারে, তাকে কেন্দ্র করে কোনো এক গভীর রহস্য ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

একদিকে গোরা মহাপ্রভুর মন্দিরে গভীর আকুলতায় আরতি করছে, যাতে কোনোভাবেই দিতির কোনো ক্ষতি না হয়। গোরার এই একাগ্রতা এবং প্রার্থনার ধরন দেখে দিতির মনেও সন্দেহের দানা বাঁধে সে বুঝতে পারে গোরা নিশ্চয়ই মহাপ্রভুর কাছে বড় কোনো বিপদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার পথ খুঁজছে।

আরও পড়ুনঃ দাদুর কাছে অনিরুদ্ধর বিশেষ আবদার! পারুলকে হারানোর ভয় গ্রা’স করছে রায়ানকে!

ধূর্ত পুলস্ত্য দিতিকে খুঁজে পেতে মরিয়া হয়ে এক লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করে। এই বড় অঙ্কের টাকার লোভে গ্রামের কিছু সাধারণ মানুষ পুলস্ত্যকে ফোন করে গোরার বাড়ির গতিবিধি এবং দিতির উপস্থিতির কথা জানিয়ে দেয়। এর ফলে গোরার বলা সমস্ত মিথ্যে পুলস্ত্যর কাছে দিনের আলোর মতো পরিষ্কার হয়ে যায়। পুলস্ত্য এখন নিশ্চিত যে গোরাই দিতিকে লুকিয়ে রেখেছে। বাড়ির ভেতরে মা কুন্তলা, শুরু থেকেই এই পরিস্থিতির বিরোধী ছিলেন, সে মনে মনে ভাবতে থাকেন যে গোরা আর দিতিকে রক্ষা করতে পারবে না। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button