দাদুর কাছে অনিরুদ্ধর বিশেষ আবদার! পারুলকে হারানোর ভয় গ্রা’স করছে রায়ানকে!

জমজমাট জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিক। বাড়ির বড়রা এবং দাদু যখন প্রস্তাবে সম্মতি দিলেন, তখন পিসিমণি বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। সবার উপস্থিতিতে পিসিমণির সকলের ইচ্ছে পূরণ করে এবং খুশি মনে অনিরুদ্ধর থেকে গোলাপ ফুল গ্রহণ করেন। কিন্তু এই আনন্দঘন পরিবেশের আড়ালে পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। রায়ান বল নিয়ে ফিরে এসে দেখে বাগান ফাঁকা। সে খুঁজতে খুঁজতে নির্জনে অনিরুদ্ধ আর পারুলকে কথা বলতে দেখে রাগে ফেটে পড়ে। রায়ান কারো কথা না শুনে পারুলকে জোর করে সেখান থেকে টেনে নিয়ে গাড়িতে তোলে। অনিরুদ্ধ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে রায়ান তাকেও চরম মেজাজ দেখিয়ে চুপ করিয়ে দেয়।
পারুল বারবার জানতে চায় রায়ান কেন তাকে জোর করছে বা কোন অধিকারে তাকে নিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু রায়ান কোনো উত্তর দেয় না। সে সোজা পারুলকে জঙ্গলের অন্য প্রান্তে নিয়ে যায় এবং কড়াভাবে সাবধান করে দেয় যেন পারুল অনিরুদ্ধর আশেপাশে না যায়। অন্যদিকে, পারুলও পাল্টা যুক্তি দেয় যে রায়ান যখন অন্য একজনকে ভালোবাসে, তখন তার জীবনে হস্তক্ষেপ করার অধিকার রায়ানের নেই।

এদিকে জেলখানায় বসে সংযুক্তা ও শিরিন পারুল আর রায়ানকে শেষ করে দেওয়ার নীল নকশা সাজায়। তারা ভাড়াটে গুন্ডাদের মাধ্যমে ভিডিও কলে সবকিছুর ওপর নজর রাখছিল। জঙ্গলের নির্জন রাস্তায় রায়ানের গাড়িতে গুন্ডারা ধাক্কা দেওয়ার চেষ্টা করে এবং শুরু হয় হাতাহাতি। একপর্যায়ে গুন্ডারা রায়ানের দিকে বন্দুক তাক করে এবং ধস্তাধস্তিতে রায়ানের মাথা ফেটে যায়। তবে বাড়ির লোকজন ঠিক সময়ে সেখানে পৌঁছে যাওয়ায় গুন্ডারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।
রায়ানের এই অবস্থায় পারুল ভীষণ দুশ্চিন্তায় পড়ে যায় এবং তার সেবা করতে শুরু করে। তবে পারুল বুঝতে পারে যে এই হামলার পেছনে নিশ্চিতভাবে সংযুক্তার হাত রয়েছে। দেরি না করে পারুল সোজা জেলে গিয়ে সংযুক্তার মুখোমুখি হয়। সে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় যে, পারুল বেঁচে থাকতে রায়ানের কোনো ক্ষতি কেউ করতে পারবে না।
আরও পড়ুনঃ ‘যে মহিলা ছোট বাচ্চার সাথে ওমন ব্যবহার করতে পারে সে মহিলা… আমার খুব সমস্যা হয়েছিল!’ শুটিং করতে গিয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখে সুদীপ্তা চক্রবর্তী! কি হয়েছিল সেই দিন?
নিজের কথার প্রমাণ দিতে পারুল তার গ্রামের সাহসী মেয়েদের ডেকে পাঠায়। সংযুক্তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করতে এবং উচিত শিক্ষা দিতে পারুল তার অনুগত বাহিনী নিয়ে জেলে গিয়ে পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বাড়ির উত্তেজনার মধ্যেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন অনিরুদ্ধ দাদুর সঙ্গে আলাদা করে কথা বলার ইচ্ছা প্রকাশ করে। রায়ানের মনে খটকা লাগে সে ভাবতে থাকে এমন কী গোপন কথা থাকতে পারে যা অনিরুদ্ধকে সবার আড়ালে দাদুর সঙ্গেই বলতে হবে? এরপর অনিরুদ্ধ দাদুর কাছে সরাসরি বিয়ে করার অনুমতি চায়। রায়ান ভাবে অনিরুদ্ধ পারুলকে বিয়ে করতে চাইছে। এই সুযোগটি লুফে নেয় রুক্মিণী সে বলে যেহেতু তারা দুজনেই রাজি, তাই তাদের বিয়েটা দিয়ে দেওয়াই ভালো। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

