মেহেন্দির রঙে অতীতের ছায়া! পিসিমণির অনুষ্ঠানে হাজির পুরনো প্রেমিক সমীরণ!

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিকে চলছে টানটান পর্ব। রায়ান মনে মনে একটি কঠিন প্রতিজ্ঞা করেছে নিজেকে সম্পূর্ণ যোগ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত না করে সে তার মনের মানুষকে ভালোবাসার কথা জানাবে না। এদিকে বাড়িতে বিয়ের প্রস্তুতি শুরু হলে দাদু সমস্ত দায়িত্ব পারুলের ওপর সঁপে দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রায়ানের মা সকলের সামনেই পারুলকে অপমান করেন এবং সাফ জানিয়ে দেন যে, পারুল দায়িত্ব পাওয়ায় তিনি এই বিয়ের কোনো কাজে অংশ নেবেন না।
পিসিমণির বিয়ের তোড়জোড় যখন তুঙ্গে, তখন রায়ানের মা মনে মনে অন্য পরিকল্পনা আঁটতে থাকেন। তিনি কোনোভাবেই এই বিয়ে হতে দিতে চান না। এই উদ্দেশ্যে তিনি শিরিনের সঙ্গে হাত মেলান, যে কি না তখন জেলে বসে সংযুক্তার সঙ্গে নতুন চক্রান্ত করছিল। রায়ানের মা শিরিনকে জানান যে, পিসিমণির একটি দুর্বল জায়গা আছে তার অতীতের প্রেমিক সমীরণ। তারা ঠিক করেন, সমীরণকে ব্যবহার করেই এই বিয়ে ভেঙে দেওয়া হবে।

শিরিন পাঁচ লক্ষ টাকার বিনিময়ে সমীরণকে হাত করে যাতে সে অনিরুদ্ধর সঙ্গে পিসিমণির বিয়েটা আটকে দেয়। এর মাঝে পারুল ও পিসিমণি যখন কেনাকাটা করতে বের হয়, তখন রাস্তায় আচমকা সমীরণের সঙ্গে দেখা হয়ে যায়। দীর্ঘ বিশ বছর পর নিজের পুরনো প্রেমিককে সামনে দেখে পিসিমণি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। অতীতে তারা পালিয়ে যেতে চাইলেও রায়ানের বাবার কঠোরতায় এবং দাদাদের হস্তক্ষেপে তাদের সম্পর্ক ভেঙে গিয়েছিল, যার ফলে পিসিমণিকে দীর্ঘ সময় বেনারসে কাটাতে হয়।
বিয়ের আয়োজন থেমে থাকে না, আইবুড়োভাত ও মেহেন্দির অনুষ্ঠানে বাড়িতে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। কিন্তু সেই আনন্দের মাঝেই কালো মেঘের মতো হাজির হয় অতীত। শিরিনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঠিক মেহেন্দির দিন পিসিমণির বাড়ির অনুষ্ঠানে এসে উপস্থিত হয় সমীরণ। তাকে দেখে বাড়ির পরিবেশ মুহূর্তের মধ্যে থমথমে হয়ে যায় এবং পিসিমণির মনে পুরনো ক্ষতগুলো আবার তাজা হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুনঃ শরীরের বাসা বেঁধেছিল মা’রণ রোগ! বছরের পর বছর লুকিয়ে রেখেছিলেন সেই য’ন্ত্রনা! সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রয়াণে নীরব ম্যান্ডেভিলা গার্ডেনস! একাকীত্ব আর স্মৃতির ভিড়ে কেমন আছেন স্বাতী গঙ্গোপাধ্যায়?
সমীরণের এই আকস্মিক উপস্থিতি পিসিমণির সাজানো জীবনকে তছনছ করে দেওয়ার উপক্রম করে। রায়ানের মা ও শিরিনের এই নোংরা চক্রান্ত কি সফল হবে? একদিকে পারুলের লড়াই আর অন্যদিকে সমীরণের ফিরে আসা—সব মিলিয়ে পিসিমণি ও অনিরুদ্ধর বিয়ে এখন এক অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে। এখন দেখার বিষয়, রায়ান ও পারুল মিলে কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দিয়ে পিসিমণির মুখে হাসি ফোটায়।

