পারুলের পালিত বাবাই দিল তার মায়ের খোঁজ! তবে কি নিজের জন্ম পরিচয় জানতে পারবে পারুল? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

যারা প্রতিদিন বিকালে বাংলা মেগা ধারাবাহিকগুলি (Bengali Serial) দেখেন তাদের কাছে পছন্দের একটি মেগা ধারাবাহিক হল পরিণীতা (Parineeta)। ধারাবাহিকটি শুরুর সময় থেকে কটাক্ষের সম্মুখীন হলেও বর্তমানে এই ধারাবাহিকটি দর্শকের খুব পছন্দের একটি ধারাবাহিক। তাইতো সাপ্তাহিক টিআরপি তালিকায় তার ফলাফল প্রমাণ পাওয়া যায়।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পরীক্ষা শেষে শিরিন রায়ানের মাকে ফোন করে, রায়ানের মা জানায় কি কি হয়েছে পারুলের সাথে। শিরিন সব শুনে তো মনে ভয় শুরু হয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে শিরিন নিজের মাকে ফোন করে সবটা জানায়, আর পারুল যে এবারে নিজের আসল মা বাবাকে খুঁজতে বেরিয়ে পড়বে সেটা ভালো মতন জানে শিরিন। তাই পারুলকে আটকাতেই হবে। ওদিকে শিরিনের মা বলে তিনি খোঁজ নিয়েছেন কিন্তু পারুলের মায়ের কোনো খোঁজ পায়নি।

এরপর পারুল বাড়ি পৌঁছে রায়ানের মাকে ভালোমতোই বুঝিয়ে দেয় তার পড়াশোনার পথে যে বা যারা বাধা হয়ে দাঁড়াবে তাদেরকে শাস্তি দেবে পারুল। রায়ানের মা বুঝে উঠতে পারে না কিভাবে পারুলকে থামাবে। টগর জানায় সে রায়ানের মায়ের পাশে আছে। পারুলকে সে বাড়ি থেকে বিদায় করেই ছাড়বে। কিন্তু বাড়ির সকলেই জানায় তারাও পারুলের পাশে আছে। এবার পারুল সরাসরি তার বাবা মায়ের কাছে যায়। আর নিজের আসল মা-বাবার পরিচয় জানতে চায়। প্রথমে তো পারুলের মা-বাবা কেউই তাকে সেই কথা বলতে চায় না। কিন্তু পারুল জানায় তার জানাটা দরকার কেন তার মা-বাবার তাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিল।
পারুল জোর করায় তার বাবা বলে দক্ষিণ ভারতে যখন পারুলের বাবা কাজ করতে গিয়েছিল সেখানে এক ডাকাত দলের সাথে পারুলের বাবার পরিচয় হয়েছিল। সেই ডাকাত দলের মা কালী পুজো করতে পারুলের বাবা। আর সেই দলই ছিল একজন ভদ্রমহিলা তিনিও পেশায় ছিলেন একজন ডাক্তার। ডাকাত দলের লোকেরা গরিবদের ভালো করত। একবার সেই ডাকাতের ডেরায় পুলিশ আসে। আর তখনই দলের লোকের সাথে হারিয়ে যায় পারুলের মা। যাওয়ার আগে তিনি পারুলের বাবা হাতে বাসুদেবের হাতে তুলে দেয় পারুলকে। তখন থেকেই বাসুদেব এবং তপতী পারুলকে বড় করে তুলেছে।
আরও পড়ুনঃ ‘বুড়ি বয়সে ভীমরতি…’- নিজের সাজ নিয়ে সমালোচনার মুখে সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়! দর্শকদের এই ঘৃণ্য প্রতিক্রিয়ায় ক্ষুব্ধ টলিপাড়া!
পারুলের পাশাপাশি রায়ানও এই কথা জানতে পারে। পারুল রায়ানকে বলে সে নিজের মায়ের খোঁজ করতে চায়, একবার তাকে দেখতে চায়। সেজন্য রায়ানের সাহায্য লাগবে। রায়ান তো কথা দিয়েছে পারুলকে সাহায্য করবে তাই সব রকম ভাবে খোঁজখবর নিতে শুরু করে তারা। শিরিন বুঝতে পারে পারুল ইতিমধ্যে খোঁজখবর শুরু করে দিয়েছে। পারুল যখন খোঁজখবর করছিল ঠিক সেই সময় পারুলের সামনে এসে হাজির হয় শিরিনের বাবা তিনি জানান ওই ডাকাত দলের সর্দারকে তিনি চেনেন। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

