‘বুড়ি বয়সে ভীমরতি…’- নিজের সাজ নিয়ে সমালোচনার মুখে সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়! দর্শকদের এই ঘৃণ্য প্রতিক্রিয়ায় ক্ষুব্ধ টলিপাড়া!

বয়স ৯০ ছুঁইছুঁই, এখন একইভাবে দাপটের সাথে কাজ করে চলেছেন। যেকোনো অনুষ্ঠানেই নিজেকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলেন অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় (Sabitri Chatterjee)। কিংবদন্তি অভিনেত্রীকে বর্তমানে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে স্টার জলসার (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha) ধারাবাহিকে। অভিনেত্রীকে আজও প্রত্যেকেই সম্মান করেন। সাজগোজ করতে বরাবরই ভালবাসেন সাবিত্রী দেবী। সবসময় নিজেকে কাজল, লিপস্টিক, সুন্দর গয়না দিয়ে সাজিয়ে রাখেন। কিন্তু সম্প্রতি কিছুদিন ধরে অভিনেত্রীর সেই সাজ নিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় নানান মানুষ নানান নোংরা খারাপ মন্তব্য করছেন।
সাবিত্রীদেবীকে আজও শাড়ির সঙ্গে মানান সই গয়না, আইশ্যাডো, লিপস্টিক, আইলাইনারে পরতে দেখা যায়। কিন্তু অভিনেত্রীর এই সাজ নিয়ে অনেকে প্রশংসা করলেও, অনেকেই কটাক্ষ করেছেন। সম্প্রতি অভিনেত্রীর একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। সেই ছবির কমেন্ট বক্সে এক একজন নেটিজেন এমন বাজে মন্তব্য করেছেন যা সত্যি দৃষ্টিকটূ।
কিন্তু অনেকেই সেইসব নেটিজেনদের মুখে যোগ্য জবাব দিয়েছে কুরুচিকর মন্তব্য করায়। প্রতিবাদ করেছেন একাংশ মানুষ। অনেকেই অভিনেত্রীর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। অনেকেই দাবি করেছেন, উনার মতন কিংবদন্তি অভিনেত্রীকে অপমান করার অধিকার কারো নেই। এক সাক্ষাৎকারে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘সাজতে বরাবরই ভালবাসি। তাতে যদি কেউ নিন্দা করে তো করুক। মনকে এখনও তেমন বুড়ো করে ফেলিনি যে, সাজব না। আমার সাজ মার্জিতই।’
অভিনেত্রীর সেই ভাইরাল ছবির কমেন্ট বক্সে কেউ লিখেছেন। এই বয়সে আপনাকে এইসব মানায় না। বাড়িতে বসে ঠাকুরের নাম জপ করুন এসব করবেন না। একজন বলেছেন, ‘একটা বয়সের পর নিজেকে অনেক কিছুই বদলাতে হয়। সাজতে ভালবাসতে ই পারেন, কিন্ত আপনার সাজটা খুব দৃষ্টিকটু লাগে। আর বেশি কিছু বল্লাম না।’
আরও পড়ুনঃ ‘সব পাবলিক না করে ঝামেলা নিজেদের মধ্যে মেটানো উচিত!’ ধূমকেতুর ক্রেজ শেষ হতেই দেব শুভশ্রীর বন্ধুত্ব গায়েব! তবে কি সবটাই পাবলিসিটি? “দেশু” বিতর্কে মুখ খুললেন কোয়েল মল্লিক!
একজন নেটিজেন এই ঘটনার প্রতিবাদ করে লেখেন, ‘কিবদন্তি মহানায়িকা সবিত্রী দেবী। ৯০ ছুঁইছুঁই বয়সে, হাঁটতে কষ্ট হলেও তিনি স্টেজে উঠে কথা বলছেন, অভিনয় করছেন। এটাই তো বিরাট ব্যাপার। কিন্তু নিচের কমেন্টগুলো পড়ে সত্যিই ঘেন্না লাগল। যারা নিজের জীবনে একটুও অবদান রাখতে পারেনি, তারাই বসে থেকে এক জীবন্ত কিংবদন্তিকে হেয় করছে।’ একজন বলেছেন, ‘যাদের খেয়ে-দেয়ে কাজ নেই তারাই trolling করে!!’ আবার কেউ বলেছেন, ‘যাঁরা সাবিত্রী চ্যাটার্জিকে নিয়ে সমালোচনা করে তারা অস্বাভাবিক মানসিকতার কারণ তাঁরা ওই উচ্চতায় এ কোনদিনই উঠতে পারবে না।’

