মায়ের চিঠি হাতে পাওয়ার আগেই ঘটে গেলো সর্বনাশ! পারুলকে চির জীবনের মতো রাস্তা থেকে সরিয়ে দিল শিরিনের মা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

প্রতিদিনই একটু একটু করে নিজের জায়গাটা দর্শকের কাছে আরো উঁচুতে নিয়ে যাচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিক। রাত আটটা বাজলেই টেলিভিশনের পর্দার (Bengali Television) সামনে দর্শক বসে পড়েন এই ধারাবাহিক (Bengali Serial) দেখার জন্য। ধারাবাহিকের একটি এপিসোডও চট করে মিস করতে চান না কেউ। চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক ধারাবাহিকের আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পারুল তার মাকে খুঁজে বের করার জন্য ছদ্মবেশে দেখা করতে যায়। কিন্তু আম্মা তো প্রথমে বুঝতেই পারছিল না পারুল কেন তার সাথে দেখা করতে চাইছে। আসলে তিনি যেহেতু গুপ্তচর দলের সঙ্গে যুক্ত তাই ভাবছেন হয়তো পুলিশের কোন লোক ছদ্মবেশে এসেছে তার খোঁজ করত। তাই তিনি পারুলের থেকে পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। পারুল তার সাথে কিছুতেই দেখা করতে পারছিল না। আর তখনই বেশ কিছু গুন্ডা সেখানে তাদের ঘিরে ধরে।

নিজের মাকে বিপদের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য পারুল ছুটে আসে নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে। মায়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়ায়। লড়াই করে গুন্ডাদের হাত থেকে উদ্ধার করে মাকে। কিন্তু সেই মুহূর্তে আবারো পারুলকে চিনতে না পেরে সেখান থেকে পালিয়ে আসেন তিনি। পারুল তার মাকে সামনাসামনি দেখার জন্য পেছন পেছন দৌড়াতে থাকে। পারুল যত তাকে দাঁড়ানোর জন্য অনুরোধ করে ততই তিনি পালাতে থাকেন। একবার পারুলের কাছে সুযোগ আসে মাকে সামনাসামনি দেখার কিন্তু তাও ভাগ্যের পরিহাসে সেটাও হাতছাড়া হয়ে যায়। আসলে পারুল গভীর জঙ্গলে চলে গিয়েছে বলে রায়ান পুলিশের সাহায্য নিতে বাধ্য হয়।
এদিকে রায়ান এবং পারুলের বাবা ছদ্মবেশে ছিল বলে পুলিশ তো তাদের সন্দেহ করছিল। কিন্তু রায়ান আগে থেকেই অন্য প্ল্যান ভেবে রেখেছিল। স্কুলের প্রোজেক্টের বাহানায় সেখান থেকে কোনরকমে তারা ফিরে আসে। তারপর পুলিশ নিয়ে সোজা জঙ্গলের ভেতর ঢুকে যায় পারুলকে খোঁজার জন্য। পুলিশ আসছে দেখে তো পারুলের মাও পালায়। আর পারল মাকে দেখতে পায় না সামনাসামনি।
আরও পড়ুনঃ অতীতের মুখোমুখি অরণ্য! ফুলকির হাত ধরেই আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস পেলো সে! সবাইকে চমকে দিল অরণ্য! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
এদিকে পুলিশ এসে পড়ায় তারা সকলেই আড়ালে লুকিয়ে পড়ে। পারুলের গুলির জায়গায় আঘাত লেগে আবার সেখান থেকে রক্ত পড়ছিল। রায়ান বকাবকি শুরু করে পারুল জানায় সে তার মায়ের মুখটা দেখতে পেল না একটু জন্য। তার মা তাকে সামনে দেখেও চিনতে পারল না। এদিকে পারুলের বাবাকে দেখে তো পারুলের আসল মা ঠিকই চিনতে পেরেছে। যখন দেখল পারুল তাকে বাবা বলে সম্বোধন করছে তখনই তিনি বুঝতে পারেন সেই রাতে তিনি যাকে তুলে দিয়েছিলেন বাসুদেবের হাতে সেই পারুল তার মেয়ে। নিজের মেয়েকে এত সামনে পেয়েও চিনতে না পারার আফসোস ঘিরে ধরেছিল তাকে। তাই তিনি গোপনে চিঠি দিয়ে পারুলকে দেখা করতে বলে। আর সেখানেই ষড়যন্ত্র করে শিরিনের মা। দেখা যাক পারুল নিজের মায়ের দেখা পায় কিনা।

