অদ্রিজার ম’রণ ফাঁদ! হাতে হাতকড়া রায়ানের! মিথ্যে অপবাদের মাঝে স্বামীর পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে পারুলের হুংকার!দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, সমস্ত বাধা কাটিয়ে যখন “ভালোবাসার বাগান” অবশেষে মঞ্চে উঠল, রায়ানের অসাধারণ অভিনয় আর তা দেখে পারুলের মুখের গর্বিত হাসি এক অন্য মাত্রা যোগ করে। বসু থিয়েটার কম্পিটিশনে নাটকটি প্রথম স্থান অধিকার করে এবং ২০ লক্ষ টাকার পুরস্কার জিতে নেয়। জয়লাভের পর রায়ান সবার সামনে পারুলকে নিজের স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেয় এবং সাফল্যের কৃতিত্বের বড় অংশ তাকেই উৎসর্গ করে। পুরো বসু পরিবারে যখন আনন্দের জোয়ার বইছে, ঠিক তখনই শিরিনের বিষাক্ত হুমকি ভেসে আসে “তোরা যত আনন্দ করার করে নে। তোদের দিন ঘনিয়ে আসছে।”

শিরিনের সেই হুমকির বাস্তব রূপ মেলে খুব জলদি। জয় উদযাপনের মাঝেই রায়ান যখন একা ড্রেসিং রুমে ছিল, সেখানে হাজির হয় অদ্রিজা। সে জোর করে রায়ানের কাছাকাছি আসার ও ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করে। নিজের আত্মসম্মান বাঁচাতে এবং তাকে দূরে সরাতে গিয়ে অসাবধানতাবশত অদ্রিজার পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে যায়। এই সুযোগকেই হাতিয়ার বানিয়ে চক্রান্তকারী অদ্রিজা মুহূর্তে ঘুরে দাঁড়ায় এবং রায়ানের দিকে আঙুল তুলে কুৎসিত অভিযোগ আনে যে, রায়ান নাকি তার শ্লীলতাহানি করেছে।

ঘটনাস্থলে মিডিয়া উপস্থিত থাকায় মুহূর্তের মধ্যে এই সাজানো অভিযোগের খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। একটি মিথ্যা অভিযোগ কত দ্রুত একজন মানুষের কষ্টার্জিত সম্মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিতে পারে, তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। চারদিকের কুৎসিত গুঞ্জন আর মিডিয়ার প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে রায়ানের চোখেমুখে শুধু একটাই ভয় ফুটে উঠছিল পারুল যেন তাকে ভুল না বোঝে। কারণ দুনিয়ার কেউ বিশ্বাস না করলেও পারুল তার পাশে থাকবে, রায়ানের মনে এই একটাই বড় ভরসা ছিল।

ঘটনা গড়ায় বহুদূর এবং পুলিশ রায়ানকে গ্রেপ্তার করতে বসু পরিবারে উপস্থিত হয়। এই আকস্মিক ঘটনায় পরিবারের সবাই যখন স্তম্ভিত ও দিশেহারা, তখন চারদিকের একের পর এক অভিযোগ সত্ত্বেও পারুল রায়ানের ওপর থেকে তিলমাত্র বিশ্বাস হারায় না। রায়ানকে বিশ্বাস করে সে শক্ত হাতে পরিস্থিতি সামলানোর সিদ্ধান্ত নেয় এবং এক চুলও নিজের জায়গা থেকে সরে দাঁড়ায় না।

আরও পড়ুনঃ টাকা জোগাড়ের পেছনে শ্রীনিবাসের র’ক্ত জল করা কষ্ট! কমলার কাছে এ কেমন আবদার করে বসলো শ্রীনিবাস? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

পুলিশের হাত থেকে রায়ানের হাত ধরে পারুল দৃঢ় কণ্ঠে আশ্বাস দিয়ে বলে, “তোর পারুল চক্রবর্তী তোর কাছে রয়েছে রে… আমি থাকতে তোর কিসের চিন্তা? আমি তোকে ঠিকই বের করে আনবো।” এই বার্তা স্পষ্ট করে দেয় যে, রায়ানের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগের বিরুদ্ধে একা লড়তে প্রস্তুত পারুল। এখন দেখার বিষয়, আদ্রিজা ও শিরিনের পাতা এই কঠিন চক্রান্তের জাল কেটে পারুল কীভাবে শেষ পর্যন্ত রায়ানের নির্দোষিতা প্রমাণ করে।

Back to top button