টাকা জোগাড়ের পেছনে শ্রীনিবাসের র’ক্ত জল করা কষ্ট! কমলার কাছে এ কেমন আবদার করে বসলো শ্রীনিবাস? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ঝিনুককে দোষী ভেবে মামনি মনে মনে তাকে অনেক অভিশাপ দিতে থাকে। কিন্তু সে বিন্দুমাত্র টের পায় না যে, যাদের সে প্রতিনিয়ত খারাপ চাইছে এবং পর ভাবছে, তারা আসলে অন্য কেউ নয়—তার নিজের মানুষ কমলারই পরিবার। এই না-জানা সত্যের মাঝেই জমে উঠছে এক নতুন নাটकीय মোড়।

আদিত্য যখন পল্লবীকে ফোন করে, তখন ফোনটি ধরে ছোট্ট মিঠি। মিঠির সঙ্গে কথা বলার সময় আদিত্য আর নিজের ভেতরের অপরাধবোধ চেপে রাখতে পারে না; সে মন খুলে স্বীকার করে যে সে অনেক বড় ভুল করে ফেলেছে। জবাবে ছোট্ট মিঠি খুব সহজ ও নিষ্পাপভাবে তাকে বলে ভুল বুঝতে পারলে নাকি সব ঠিক হয়ে যায়!

মিঠির এই ছোট্ট কিন্তু গভীর কথাটি আদিত্যকে ভেতরের দিক থেকে নাড়িয়ে দেয়। সে মনে মনে দৃঢ় সিদ্ধান্ত নেয়, যতক্ষণ না ম্যাডাম তাকে ক্ষমা করছেন, সে প্রতিনিয়ত ক্ষমা চাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাবে। আদিত্যের এই তীব্র অনুশোচনা দেখে মনে হচ্ছে তার জীবনে হয়তো নতুন কোনো পরিবর্তনের সূচনা হতে চলেছে। তবে এই অনুতাপ কি কেবল মুখের কথায় সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি কাজের মাধ্যমে সে সবার হারিয়ে যাওয়া বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে পারবে, তা সময়ই বলে দেবে।

অন্যদিকে, পল্লবীর রাগ ও অভিমান ভাঙানোর জন্য আদিত্য নানা রকম কাণ্ড ঘটাতে থাকে। তার এই আপ্রাণ চেষ্টা ও মিষ্টি কাণ্ডকারখানাগুলো বেশ ভালোবাসার এক আবহাওয়া তৈরি করেছে। এর মাঝেই পরীক্ষার জন্য পুরোপুরি তৈরি ঝিনুক। তার এই গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার দিনে সম্রাট তাকে উপহার হিসেবে একটি বিশেষ পেন দেয় এবং তাকে সবসময় পরম মমতায় নজরে নজরে রাখে।

আরও পড়ুনঃ ‘শচীন দেব বর্মনের ছেলে এমন একটা গান জঘন্য গান করেছে?’ ‘বর্তমানে তো AI সব কাজ করে দিচ্ছে, আমাদের আর কাজ কি!’ ‘সব পরিবর্তন মানতে পারছি না!’ গানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা! বর্তমান সময়ের পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন রূপঙ্কর বাগচী!

গল্পের আরেক প্রান্তে, টাকা জোগাড় করতে গিয়ে শ্রীনিবাসকে চরম শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। অবশেষে শ্রীনিবাস যখন সেই টাকা তুলে কমলার হাতে দেয়, তখনই কমলা বুঝতে পারে তার স্বামী কিসের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন। স্বামীর এই কষ্ট কমলা সহ্য করতে পারে না, কিন্তু শ্রীনিবাস ভালোবাসার সুর টেনে বলে কমলার মুখের হাসিটুকুই তার জীবনের সবথেকে বড় প্রাপ্তি। এরপরই শ্রীনিবাস কমলার কাছে এক মূল্যবান জিনিস চেয়ে বসে, কিন্তু সেই জিনিসটি আসলে কী তা এখনও রহস্যের আড়ালেই রয়ে গেছে।

Back to top button