রায়ান-পারুলের ফুলশয্যা! চোখের ইশারায় কি বদলে যাবে বিচ্ছেদের সমীকরণ? দুর্ধর্ষে আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পরের দিন কোর্টের শুনানিতে মুখোমুখি হতেই রায়ান ও পারুলের পুরনো খুনসুটি শুরু হয়ে যায়। রায়ান বিচারকের কাছে নালিশ করে যে পারুল তাকে ভীষণ অত্যাচার করে। পাল্টা জবাবে পারুল জানায়, গ্রামের মেয়ে বলে রায়ান তাকে সবসময় ছোট করে এবং অপমান করে। তবে রায়ান এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলে যে, সে শুরুতে পারুলকে অনেক কথা বললেও কোনোদিন তার গায়ের রং নিয়ে অপমান করেনি। পারুল মিথ্যে অভিযোগ দিয়ে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে বলে সে দাবি করে।

শুনানি চলাকালীন বিচারক পারুলকে প্রশ্ন করেন যে, সে যে তৃতীয় ব্যক্তির কথা বলছে তাকে সে নিজে দেখেছে কিনা। অন্যদিকে রায়ানকে তার অবৈধ সম্পর্কের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে সে জানায় যে, গত তিন-চার মাস ধরে সে অন্য একজনকে ভালোবাসে। তবে আসল টুইস্ট আসে তখন, যখন জানা যায় যে বিয়ের পর থেকে তারা একদিনও একসাথে সংসার করেনি এবং আলাদা আলাদা থেকেছে। এই সত্যি সামনে আসতেই মামলার মোড় একদম ঘুরে যায়।

Bengali serial

সবাইকে অবাক করে দিয়ে নকল বিচারক দ্রুত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে জানানো হয়, আগামী ৬ মাস রায়ান ও পারুলকে স্বামী-স্ত্রীর মতো এক ছাদের নিচেই থাকতে হবে। যদি তারা এই আদেশ অমান্য করে, তবে তাদের জেল হবে। এই কথা শুনে রায়ান ও পারুল দুজনেই আঁতকে ওঠে। তারা কোনোভাবেই একসঙ্গে থাকতে রাজি নয় এবং কোর্ট চত্বরেই একে অপরের সাথে হাতাহাতি ও মারপিট শুরু করে দেয়। তাদের এই আচরণে আদালতের পরিবেশ বেশ নাটকীয় হয়ে ওঠে।

আদালতের আদেশের পর পরিবারের সবাই মিলে রায়ান ও পারুলের ফুলশয্যার প্রস্তুতি শুরু করে। এই আয়োজনে পারুলের মধ্যে প্রচণ্ড অস্বস্তি দেখা দেয়। অন্যদিকে মৌসুমীর আচরণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। বাইরে থেকে সে হাসিমুখে পারুলকে পান খাওয়ালেও, তার মনের ভেতরে যে অন্য কোনো কুমতলব বা ভিন্ন মনোভাব কাজ করছে, তা ইঙ্গিতে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এই আয়োজন যেন তাদের ওপর এক ধরনের মানসিক চাপ তৈরি হয়ে দাঁড়ায়।

আরও পড়ুনঃ ‘মা বলে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখো, তুমি খুব ভালো মানুষ বলে লোক ঠকায়!’ ‘সত্যি আমি বহুবার ঠকেছি, তাই নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা প্রয়োজন!’ হঠাৎ কেন এমন বললেন অভিনেত্রী নন্দিনী দত্ত?

ঘরে ঢুকে পারুল যখন খাটে না শুয়ে মেঝেতে বিছানা করতে শুরু করে, তখন রায়ান তার প্রতিবাদ জানায়। পারুল স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, রায়ানের সাথে এক বিছানায় শোওয়া তার পক্ষে সহজ নয়। কিন্তু রায়ান যুক্তির আড়ালে যত্ন প্রকাশ করে পারুলের হাত ধরে তাকে খাটের দিকে টেনে নেয়। ঠিক সেই মুহূর্তে দুজনের মধ্যে এক নীরব চোখাচোখি হয়, যা তাদের তিক্ত সম্পর্কের মাঝে এক অপ্রত্যাশিত আবেগের জন্ম দেয়। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button