জেলে বসেই নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার নতুন সূত্র পেল পারুল! বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিল পুরনো শত্রু! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিকের তালিকায় অন্যতম একটি হলো জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta)। ধারাবাহিকের নতুন জুটি রায়ান পারুল দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে খুব তাড়াতাড়ি। প্রতিদিনই এই ধারাবাহিকে থাকে নতুন নতুন চমক। দর্শক সবসময়ই এই ধারাবাহিক দেখার জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। রাত আটটায় টিভির পর্দায় দর্শক এই ধারাবাহিক দেখার জন্য বসে পড়েন। চলুন জেনে নেওয়া যাক ধারাবাহিকের আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, বাড়িতে গিয়ে পারুল রায়ানের মাকে চেপে ধরে কেন রায়ানের মা এরকম একটা কাজ করল সেই জবাব চায় তার কাছে। রায়ানের মা স্বীকার না করলেও পারুল ভালোমতোই জানে এই কাজ কারা কারা করতে পারে। কারা কারা চাইনি ত্বরিতা দোকানে গিয়ে কাজ করুক। তাই পারুল সকলকে সাবধান করে দেয় দ্বিতীয়বার এরকম কিছু না ঘটানোর জন্য তাহলে দাদুর কাছে বলে দিতে সে বাধ্য হবে। টগরকে সকলের সামনে শাসন করে পারুল।
এরপর হঠাৎ করে পারুল স্বপ্ন দেখে রায়ান বিদেশ থেকে ফিরে এসেছে বাড়িতে এবং সাথে করে পারুলের মাকেও নিয়ে এসেছে। স্বপ্নের মধ্যে পারুল দেখতে পায় রায়ান নিজে তার মাকে নিয়ে এসেছে পারুলের সাথে দেখা করার জন্য। কিন্তু মায়ের মুখ দেখার আগেই ঘুম ভেঙে যায় পারুলের। ভোরবেলা এমন একটা স্বপ্ন দেখেছে পারুল তার জন্য সে খুবই খুশি হয়ে যায়। এই স্বপ্ন সত্যি করার জন্য আবারো নতুন করে খোঁজখবর করার সিদ্ধান্ত নেয়। এদিকে দাদুরা সকলে বেরিয়ে যাচ্ছে তাই জন্য তাদের সাথে দেখা করতে আসে পারুল।
দাদু, ঠাম্মি, পিসিমণি এবং রায়ানের বাবা সকলে মিলে যাচ্ছে ব্যাঙ্গালোরে দাদুর চিকিৎসার জন্য। সেখানে তার একটা ছোট্ট অপারেশন হবে। সকলকে ভালোয় ভালোয় বিদায় জানায় বাকিরা। আর সকলের অনুপস্থিতির সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে পারুলকে বিপদে ফেলতে চায় টগর, রায়ানের মা। এরপরেই পারুল রায়ানকে ফোন করে নিজের স্বপ্নের কথা সবটা জানায়। রায়ান তো শুনে অবাক হয়ে যায় এবং পারুল জানায় তাকে দক্ষিণ ভারতে যেতে হবে। কিন্তু তার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন সেই টাকাটা কিভাবে জোগাড় করবে সেই চিন্তাই করছে পারুল।
আরও পড়ুনঃ ফিরে এসেছে রোহিত? ফুলকির ফাঁদে পা দিল রুদ্র! অরণ্যর বুদ্ধির জেরে নিজের জীবন বাঁচালো ফুলকি! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
আর এই কথাটা আড়াল থেকে শুনে নেয় টগর। সে গিয়ে এই খবরটা দেয় শিরিন আর রায়ানের মাকে। শিরিন তো প্রথমে শুনে বেশ ঘাবড়ে যায় তাই পারুলকে মোক্ষম চালে ফাঁসানোর উপায় ভাবতে থাকে। পরের দিন যখন দোকানে পারুল এবং ত্বরিতা কাজ করছিল ঠিক সেই সময় ঘটে বিপদ। রায়ানের মায়ের পরিচিত লোক একটি গয়না সরিয়ে পারুলের ব্যাগে ঢুকিয়ে দেয়। এদিকে পরের দিন পুলিশ আসে বাড়িতে। দোকানের গয়না চুরি যাওয়ায় তারা খোঁজখবর করতে আসে। টগর পারুলের ব্যাগ থেকে ওই সোনার গয়নাটা বের করে সকলকে দেখায়। এরপর পারুলকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পারুল যাওয়ার আগে টগরকে বলে যায় যেন ভগবানের কাছে টগর প্রার্থনা করে পারুল কোনদিনও বেরিয়ে না আসে কারণ পারুল একবার বেরিয়ে আসলে কাউকে ছেড়ে কথা বলবে না।

