শিরিনের বাবার সামনেই তাকে চোর প্রমাণিত করলো পারুল! ত্বরিতার মাথার উপর থেকে সরে গেলো অপমানের বোঝা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

প্রতিদিনই একটু একটু করে নিজের জায়গাটা দর্শকের কাছে আরো উঁচুতে নিয়ে যাচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিক। রাত আটটা বাজলেই টেলিভিশনের পর্দার (Bengali Television) সামনে দর্শক বসে পড়েন এই ধারাবাহিক (Bengali Serial) দেখার জন্য। ধারাবাহিকের একটি এপিসোডও চট করে মিস করতে চান না কেউ। চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক ধারাবাহিকের আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, দোকানে এসে শিরিন নিজেদের কাজ শুরু করে দেয়। গয়নার ট্যাগ বদলে দিতে থাকে না সকলের আড়ালে। ত্বরিতা ধরতেও পারে না। এরপর পারুল মাঝ রাস্তায় গিয়ে দেখে সে ফোনটা দোকানে ফেলে এসেছে। তাই আবার যায় দোকানে ফোনটা আনার জন্য। তখনই পারুলের শিরিনদের ছদ্মবেশে দেখে সন্দেহ হয়। কিন্তু যেহেতু ইউনিভার্সিটিতে যেতে দেরি হয়ে যাচ্ছিল পারুলের তাই সে কিছুই খেয়াল করে না। ত্বরিতার বেখেয়ালির কয়েক হাজার টাকার লস হয়।

প্রথমদিন দোকানের সমস্ত কাজ মিটিয়ে বাড়ি ফেরে ত্বরিতা। তারপর বাড়িতে এসেই ত্বরিতার শ্বশুর মশাই চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে। দোকানের বিরাট বড় লস করে দিয়ে এসেছে ত্বরিতা। সেই নিয়ে ঝামেলা অশান্তি শুরু হয়ে যায়, আর তাই দেখে রায়ানের মা, কাকিমা আর উস্কানি দিতে থাকে। এরপর দাদু এসে সমস্ত ঘটনা শুনে তোর বিরাট রেগে যায় পারুলের উপরে। ত্বরিতাকে দোকানে যেতে যাওয়ার অনুমতি দেয় না আর। কিন্তু পারুল ত্বরিতাকে নির্দোষ প্রমাণ করে ছাড়বে। দাদু বলে যদি পারুল ত্বরিতাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারে এবং প্রমাণ করতে পারে সে ঠিক তাহলেই একমাত্র দোকানে বসতে পারবে ত্বরিতা।
এরপর পারুল ত্বরিতা, মৈনাক এবং মল্লার মিলে ওই কাস্টমারের দেওয়া ভুল ঠিকানায় গিয়ে দেখে সেখানে কোন বাড়ি নেই। সকলেই বুঝতে পারে ত্বরিতাকে ওই কাস্টমার মিথ্যে কথা বলেছে। দোকানে গিয়ে তারপর ত্বরিতা ওই কাস্টমারের বিলের ডিটেলস বের করে দেয়। আর সেই বিলের মধ্যে পারুল দেখতে পায় শিরিনের বাবার নাম। সেটা দেখেই খটকা লাগে পারুলের। সঙ্গে সঙ্গে কাস্টমারদের ফুটেজ দেখে পারুল। তারপর এই ছদ্দবেশী শিরিন এবং তার বন্ধুদের চিনতে পারে।
আরও পড়ুনঃ রোহিতের খু’নির মুখোমুখি ফুলকি! অভিরূপের আসল সত্যি জেনে যাওয়ায় বিপদের মুখে অরণ্য! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
ওদিকে গোপালকে ডেকে নিজের মনের কথা জানায় অভিনন্দা। কিন্তু গোপাল জানায় সে রুক্মিণীকে ভালোবাসে তাই অভিনন্দার এই প্রস্তাব গোপাল গ্রহণ করতে পারবে না। অভিনন্দা গোপালকে বারবার বোঝাতে থাকে। রুক্মিণীর জন্য সে এতদিন চুপ ছিল। কিন্তু গোপালের মতো একটা ভালো মানুষকে সুন্দর জীবন দিতে চায় সে। ওদিকে পারুল শিরিনের বাবাকে ফোন করেতার কার্ডের ডিটেলস সম্পর্কে সবটাই জানিয়ে নিশ্চিত হয় এই কাণ্ডের সঙ্গে শিরিন জড়িত রয়েছে। পরের দিন সঙ্গে সঙ্গে পারুল শিরিনের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছি তার সামনেই তার বাবাকে জানায় শিরিন কি করেছে। শিরিনের বাবা তো মেয়ের এই সমস্ত কান্ডে লজ্জিত বোধ করে। এবারে দেখার অপেক্ষায় আগামী পর্বে কি হয়।

