বেকায়দায় পড়ল রায়ান! বাসর রাতের আসরে নাচ-গানের মাঝেই কি ফাঁ’স হবে রায়ানের গোপন প্রেমিকার নাম? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, রায়ান ও পারুল পিসিমণিকে অনিরুদ্ধর সাথে বিয়ের অনুরোধ করলে তিনি রাজি হচ্ছিলেন না। নিজের ভুলের জন্য অনুতপ্ত পিসিমণি মনে করছিলেন, তিনি অনিরুদ্ধকে ঠকিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারবেন না। বাড়ি ফিরে অপেক্ষায় থাকা অনিরুদ্ধর সামনে তিনি সব সত্যি বলে দেন এবং পরিষ্কার জানিয়ে দেন যে তাঁর পক্ষে এই বিয়ে করা সম্ভব নয়। মানসিক যন্ত্রণায় তিনি ঘরের দরজা বন্ধ করে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেন।

পারুল ও রায়ান সবাইকে চিৎকার করে ডেকে আনে এবং দরজা ভেঙে পিসিমণিকে উদ্ধার করে। পিসিমণির এই অবস্থা দেখে বাড়ির সবাই কান্নায় ভেঙে পড়েন। অনিরুদ্ধ এবং বড়রা তাকে বোঝান যে, এতে তাঁর কোনো দোষ নেই সমরেশ তাকে ভয় দেখিয়ে অপহরণ করেছিল। অনিরুদ্ধ ভরসা দেন যে তিনি পিসিমণিকে ঠিক আগের মতোই ভালোবাসবেন। অবশেষে অনেক বোঝানোর পর সবার উপস্থিতিতে ধুমধাম করে অনিরুদ্ধ ও পৌষালীর বিয়ে সম্পন্ন হয়।

Parineeta, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali Television, Ishani Chatterjee, Uday Pratap Singh, Parineeta New Episode, Parineeta Today's Episode 13 February, Today's Episode, পরিণীতা, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, পরিণীতা আজকের পর্ব, ঈশানি চ্যাটার্জী, উদয় প্রতাপ সিং, পরিণীতা ১৩ ফেব্রুয়ারি আজকের পর্ব

বিয়ের নিয়ম মিটতেই অনিরুদ্ধর মনে প্রশ্ন জাগে, শিরিন কীভাবে সমরেশের ব্যাপারে সব জানল? তখনই বাড়ির ভেতরের কেউ খবর দিচ্ছিল বলে সন্দেহ জাগে। রায়ানের মা নিজের অপরাধ ঢাকতে ফোন থেকে সব কল লিস্ট ডিলিট করে দিয়েছিলেন। কিন্তু বুদ্ধিমান পারুল আগে থেকেই পুলিশের সাহায্যে সমস্ত কল রেকর্ড প্রমাণ হিসেবে জোগাড় করে রেখেছিল। সবার সামনে ধরা পড়ে যায় যে রায়ানের মা-ই সমরেশকে সব খবর পাঠিয়েছিলেন।

এই সত্যি জেনে রায়ানের বাবা রেগে গিয়ে রায়ানের মাকে থাপ্পড় মারেন। সবার সামনে এই অপমান রায়ানের মা সহ্য করতে পারেননি। তিনি কোনো অনুতাপ না দেখিয়ে উল্টো চিৎকার করে বলেন যে, পারুলের ওপর রাগের কারণেই তিনি এই বিয়ে ভাঙতে চেয়েছিলেন। ঠাকুরের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি প্রতিজ্ঞা করেন যে, পারুলকে শেষ না করা পর্যন্ত তিনি শান্ত হবেন না। এর ফলে পরিবারের সম্পর্কের জটিলতা আরও বেড়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ ‘প্রথম চু’মু খেয়েছিলাম স্কুলে, আমার থেকে বড় একজনকে…’ প্রেম ভেঙেছে, তবু ভালোবাসাটা রয়ে গেছে! প্রেম দিবস কিভাবে কাটাচ্ছেন অভিনেতা ঋজু বিশ্বাস!

অন্যদিকে, বিয়ের পর বাসর রাতে সবাই নাচ-গান আর আনন্দে মেতে ওঠে। উৎসবের মেজাজে বাড়ির সবাই রায়ানকে চেপে ধরে তার মনের মানুষের নাম জানার জন্য। সবাই যখন রায়ানকে নিয়ে মজায় ব্যস্ত, তখন আড়ালে রায়ানের মায়ের প্রতিশোধের আগুন এক নতুন বিপদের সংকেত দেয়। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button