‘প্রথম চু’মু খেয়েছিলাম স্কুলে, আমার থেকে বড় একজনকে…’ প্রেম ভেঙেছে, তবু ভালোবাসাটা রয়ে গেছে! প্রেম দিবস কিভাবে কাটাচ্ছেন অভিনেতা ঋজু বিশ্বাস!

নানা ঝড়ঝাপ্টা আর বিতর্কের পর অবশেষে জীবনের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছেন অভিনেতা ঋজু বিশ্বাস। গত বছরের শেষ দিকে শাড়ি বিতর্ক ঘিরে মানসিক ভাবে ভীষণ ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। সেই কঠিন সময় কাটিয়ে এখন আবার কাজে মন দিয়েছেন, নিজেকে গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন নতুন করে। তবে এ বছরের প্রেম দিবসে তিনি একা। জীবনে প্রেম এসেছে, আবার হারিয়েও গেছে। তবু মন খারাপ করে ঘরে বসে থাকার মানুষ নন ঋজু। তাঁর কাছে ভালোবাসার মানে শুধু প্রেম নয়, পরিবারও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

এ বছর প্রেম দিবসে তাঁর সবচেয়ে বিশেষ মানুষ তাঁর মা। সদ্য মায়ের জন্মদিন কেটেছে, তাই এই সময়টা পুরোপুরি পরিবারের জন্যই রাখতে চান তিনি। প্রেম না থাকলেও ভালোবাসা তো আছে, আর সেই ভালোবাসার ভাগ নিতে মায়ের সঙ্গেই বাইরে ডিনারে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন অভিনেতা। তাঁর কথায়, জীবনের সম্পর্কগুলো সব সময় একরকম থাকে না, কিন্তু কাছের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটানোই সবচেয়ে বড় আশ্রয়। তাই এই দিনটাকে একাকিত্বের নয়, বরং কৃতজ্ঞতার দিন হিসেবে দেখতে চান তিনি।

প্রেমের স্মৃতি নিয়েও খোলামেলা কথা বলেছেন ঋজু। প্রথম চুমুর অভিজ্ঞতাও তাঁর কাছে ভীষণ স্মরণীয়। স্কুল জীবনের সেই দিনগুলো আজও মনে পড়ে অভিনেতার। খেলাধুলায় জনপ্রিয়তা, বন্ধুত্ব আর কিশোর বয়সের আবেগ— সব মিলিয়ে সেই সময়টা ছিল জীবনের এক বিশেষ অধ্যায়। এক ক্লাস সিনিয়র এক সহপাঠীর সঙ্গে তাঁর প্রথম প্রেম, আর একদিন স্কুলের নিরিবিলি জায়গায় প্রথম চুমু— এই স্মৃতি আজও তাঁকে নস্টালজিক করে তোলে।

ঋজুর জীবনে প্রেম একাধিকবার এসেছে, কিন্তু কোনও সম্পর্কই স্থায়ী হয়নি। বারবার ভাঙনের অভিজ্ঞতা তাঁকে শিখিয়েছে সম্পর্কের মূল্য আর স্থিরতার প্রয়োজনীয়তা। এখন তিনি মনে করেন, যদি আবার প্রেম আসে, তবে আর দেরি না করে বিয়ের দিকেই এগোতে চান। জীবনে থিতু হওয়ার ইচ্ছে তাঁর প্রবল। কারণ সম্পর্ক শুধু অনুভূতি নয়, নিরাপত্তা আর শান্তির জায়গাও তৈরি করে— এই বিশ্বাস এখন আরও গভীর হয়েছে তাঁর মধ্যে।

আরও পড়ুনঃ ‘আমার একটু ছেলে ছেলে হাবভাব…ট্রেন থেকে নামিয়ে থাপ্পড় মেরেছিলাম!’ অন্যায় মেনে নিতে শেখেননি সংঘমিত্রা তালুকদার! ট্রেনে হওয়া অ’সভ্যতামির কি শাস্তি দিয়েছিলেন অভিনেত্রী?

নিজের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বুঝেছেন, ভালো থাকতে চাওয়াটা কোনও অপরাধ নয়। ভালোবাসা যদি আবার জীবনে ফিরে আসে, তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত তিনি। তবে ততদিন নিজের মানুষদের সঙ্গেই জীবনকে উপভোগ করতে চান অভিনেতা। প্রেম না থাকলেও ভালোবাসা আছে, আর সেই ভালোবাসা দিয়েই এগিয়ে চলার নতুন সাহস খুঁজে পেয়েছেন ঋজু। হয়তো এটাই তাঁর জীবনের নতুন শুরু— আরও পরিণত, আরও স্থির, আরও সত্যি।

Back to top button