দ্বিতীয় বার বিয়ের পিড়িতে গোপাল! দাদার ডিভোর্সের কথা জানতে পেরে একি করলো পারুল! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

যারা প্রতিদিন বিকালে বাংলা মেগা ধারাবাহিকগুলি (Bengali Serial) দেখেন তাদের কাছে পছন্দের একটি মেগা ধারাবাহিক হল পরিণীতা (Parineeta)। ধারাবাহিকটি শুরুর সময় থেকে কটাক্ষের সম্মুখীন হলেও বর্তমানে এই ধারাবাহিকটি দর্শকের খুব পছন্দের একটি ধারাবাহিক। তাইতো সাপ্তাহিক টিআরপি তালিকায় তার ফলাফল প্রমাণ পাওয়া যায়।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, শিরিনের এই বদমাশি দেখে তো অবাক হয়ে যায় সকলে। দাদু খুব রেগে যায় শিরিনের উপর। এরপর পারুল শিরিনকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়। এদিকে ভাসানের সময় হয়ে এসেছে। মাকে গাড়িতে তুলে ভাসানের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। সকলেই মায়ের ভাসানের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। দাদু যেতে চাইলে রায়ান ঠাকুমাকে জানায় ভাসানের সময় তারা গান-বাজনার আয়োজন করেছে তাই সেখানে দাদু গেলে বাধা দিতে পারে। তাই রায়ান চায় ঠাকুরমা যেন তার দাদুকে নিয়ে ঘরে অপেক্ষা করে তাদের জন্য। প্রথম তো রায়ান কিছুতেই নাতির এই প্ল্যানে রাজি হতে চাইছিল না কিন্তু অনেকবার করে অনুরোধ করায় তিনি দাদুকে নিয়ে ঘরে চলে যান। কিন্তু দাদু ভাসানের জায়গায় যেতে চায়। কেন তাকে ঘরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এই প্রশ্ন করতে থাকে, কিছুই বুঝতে পারে না।
ওদিকে ভাসানের জায়গায় ডিজে গান বাজনার আয়োজন করে রায়ান। সকলেই তো রায়ানের এই ব্যবস্থা দেখে অবাক হয়ে যায়। কারণ বসু বাড়িতে এই সমস্ত কিছু হয় না। আর দাদু জানতে পারলে তো কুরুক্ষেত্র বাঁধিয়ে দেবে। তাই সকলেই ভয় পেয়ে যায় রায়ানের কান্ড দেখে। কিন্তু রায়ান সকলকে আশ্বাস দেয় দাদুকে সে ঠিক ঘরে পাঠিয়ে দিয়েছে ঠাম্মার হাত ধরে। তাই এখানে আর কোনরকম দুর্ঘটনা ঘটবে না। সকলে মন খুলে আনন্দ করতে পারে। রায়ানের কথা শুনে বাড়ির সকলে হইহই করে ভাসানের আয়োজন করে, গানের তালে কোমর দোলায় ছোট থেকে বড় সকলে।
দূর থেকে গান-বাজনা শব্দ শুনে দাদুর মনে খটকা লাগে। তারপরে জোর করে তিনি ভাসানের জায়গায় গিয়ে উপস্থিত হন। আর সকলকে রাস্তার মধ্যে দাঁড়িয়ে নাচতে দেখে তিনি বেজায় ক্ষেপে ওঠেন। বিশেষ করে বাড়ির মেয়ে বউদের নাচতে দেখেই তো দাদু রেগে লাল। সকলের সামনেই রায়ানকে আবারো অপমান করেন। যদিও সেখানে আর কোন অশান্তি না বাড়িয়ে দাদু ভাসান শেষ করে সকলকে বাড়িতে আসার আদেশ দেয়।
আরও পড়ুনঃ রুদ্রর খু’নের দায়ে মন্ত্রী পদ থেকে সরে দাঁড়ালো ফুলকি! নিজেই দিল ইস্তফা! ফাঁ’স আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব!
সকলে বাড়িতে আসার পর তো দাদু একেবারে হইচই শুরু করে দেয় বাড়িতে। কোন সাহসে রায়ান এই ব্যবস্থা করল আর কোন সাহসেই বা সকলে এভাবে অসভ্যের মধ্যে রাস্তায় নাচ-গান করল সেই নিয়ে চিৎকার চেঁচামিটি করতে থাকে। এদিকে কম্পিটিশন যখন হয়েছে তখন পুরস্কার তো দিতেই হবে তাই সবদিক বিচার করে দাদু পারুলকে বিজয়ী ঘোষণা করে। কিন্তু দাদুর এই সিদ্ধান্তে রায়ান মোটেই খুশি হয়না সে প্রতিবাদ করে ওঠে, ওদিকে পারুলও পুরস্কার নিতে অস্বীকার করে। জানিয়ে দেয় যদি বাড়ির লোকজন একটু আনন্দ করলে দাদুর আপত্তি তাহলে পারুল সেই পুরস্কার নিতে চায় না। ওদিকে পারুল জানতে পারে রুক্মিণী যাওয়ার সময় ডিভোর্স পেপারে সই করে দিয়ে গেছে। তাই জন্য আবার গোপালের বিয়ে দিচ্ছে তারা। কিন্তু পারুলের এই কথা শুনে খটকা লাগে কারণ পারুলের মনে হয়েছে রুক্মিণী একটু হলেও গোপালকে পছন্দ করতে শুরু করেছে, আর এটা কোনো ষড়যন্ত্র। এবারে দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

