রুদ্রর খু’নের দায়ে মন্ত্রী পদ থেকে সরে দাঁড়ালো ফুলকি! নিজেই দিল ইস্তফা! ফাঁ’স আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব!

বাংলা টেলিভিশনের (Bengali Television) জনপ্রিয় কিছু ধারাবাহিকের (Bengali Serial) মধ্যে অন্যতম একটি হলো ফুলকি (Phulki)। প্রতিসপ্তাহে টিআরপি তালিকায় বাজিমাত করছে এই ধারাবাহিক। প্রতিদিনই হচ্ছে টানটান পর্ব। এক কথায় ফুলকি ধারাবাহিকের একটি এপিসোডও মিস করার মতন নয়। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক ধারাবাহিকের আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ফুলকি পুলিশকে বলে রাজমহলের অলিতে গলিতে সব জায়গায় যেন গুপ্তচর আর পুলিশ দুজনেই থাকে। আর রাজমহলের ভিতরে তারা সকলে ঘিরে থাকবে রুদ্রকে। যাতে কোনভাবেই রাজমহলের বাইরে কেউ পালাতে না পারে। এরপরই যখন রুদ্র ফুলকিকে মারার জন্য ভগবানকে ডাকছিল ঠিক তখনই রুদ্ররূপ ধারণ করে রুদ্রর সামনে বেরিয়ে আসে ফুলকি। যে অস্ত্র দিয়ে ফুলকিকে মারার সংকল্প নিয়েছিল রুদ্র সেই অস্ত্র দিয়েই রুদ্রর দিকে তেড়ে আসে তাকে মারার জন্য। অরণ্য এই কাজ করতে বাধা দেয়। রুদ্রর হাত থেকে বাঁচতে গিয়ে ফুলকি আর অরণ্য দুজনেই ছিটকে পড়ে যায়। ওদিকে চিৎকার চেঁচামেচি শুনে সকলেই এক জায়গায় জড়ো হয়েছে। রুদ্রকে অস্ত্র হাতে দেখে সকলেই দারুণ ভয় পেয়ে যায়। লাবণ্য সঙ্গে সঙ্গে রুদ্রকে সাবধান করে দেয় এবং বলে সারেন্ডার করার জন্য আর পুলিশকে খবর দেয় তখনই।

কিন্তু এরই মধ্যে অরণ্য এসে ফুলকির হাতে ত্রিশূল তুলে দেয়। সেই ত্রিশূল দিয়েই মা দুর্গার সামনে রুদ্রকে বধ করে ফুলকি। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে এসে উপস্থিত হয় পুলিশ। সঙ্গে সঙ্গে ছোট রাণী,ছোট রাজকুমার সকলে এসেই উপস্থিত হয়েছে। ছোট রাণী তো এমন একটা ভাব করে যেন সে কিছুই জানে না, কিছুই বুঝতে পারছে না। সেখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ফুলকিকে আবার দোষারোপ করতে থাকে। এদিকে ফুলকি অসুস্থ হয়ে পড়েছে তাই ঘরে বিশ্রাম নিচ্ছে। পুলিশ এসে জানায় সব কিছুর তদন্ত হবে। আর রুদ্রর মতো একজন শয়তান কি করে এই বাড়িতে আশ্রয় পেল সেটাও দেখা হবে। ওদিকে আদিত্য তো নিজের মা এবং ছোট ভাইকে সন্দেহ করছে। কারণ এর আগেও তার মা এবং ভাই মিলে রুদ্রকে আশ্রয় দিয়েছে।
তাই আদিত্য তার মা এবং ভাইকে জানিয়ে দেয় যদি তারা কোনভাবে রুদ্রর সাথে জড়িত থাকে তাহলে যেন সব সত্যি স্বীকার করে, পুলিশের কাছে সবটা জানিয়ে দেয়। না হলে অনেক বড় বিপদ নেমে আসবে তাদের উপরে। এদিকে ছোট রাণী আর ছোট রাজকুমার ভাবতে তাকে কিভাবে নিজেদেরকে এখান থেকে উদ্ধার করা যায়। ছোটরাণী আগেভাগেই তার দেশের বাড়ি থেকে পুষ্প নামের মহিলাকে নিয়ে এসেছে যাতে পুলিশ খোঁজাখুঁজি করলে একটা প্রমাণ থাকে এইসবের বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুনঃ ‘তেল মারতে হবে, নাহলে অভিনয়ে সুযোগ পাওয়া যাবে না…’- প্রযোজকদের পিছন পিছন ঘোরেননি বলেই কাজের অভাব! বিস্ফোরক অভিনেতা সাগ্নিক চ্যাটার্জি!
ওদিকে ফুলকি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তার জ্ঞান হারিয়েছে। লাবণ্য ধানু মিলে ফুলকির জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করছে। আর পিয়াল নবাবগঞ্জ থেকে ডাক্তারকে নিয়ে এসেছে। ডাক্তার এসে ফুলকিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিশ্রাম নেওয়ার আদেশ দিয়ে যায়। তারপরই অংশু এসে ফুলকিকে জানায় রুদ্রর চিকিৎসা চলছে, ফুলকি এইভাবে আইন হাতে তুলে না নিতে পারতো। কারণ ছোট রাণী পুষ্পে বলে যার পরিচয় দিচ্ছে সে এই রাজমহলেই রয়েছে আর এই নিয়ে এখন অনেক জল ঘোলা হতে পারে। কিন্তু ফুলকি জানে তার কোন আফসোস নেই। কারণ সে তার স্যারের খুনির শাস্তি চেয়েছিল প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিল। তারপরই ফুলকি নিজে থেকেই সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রী পথ থেকে সরে আসার। সে নিজে গিয়ে সুনন্দার দেবীর অফিসে ইস্তফা জমা দিয়ে আসে। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

