মিঠির এক ডাকেই ওলটপালট সব প্ল্যান! পল্লবীকে মনের কথা বলতে পারল না আদিত্য! বাধা হয়ে দাঁড়ালো ভুল বোঝাবুঝির পাহাড়!

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, বিয়ের মণ্ডপে তখন এক অদ্ভুত পরিস্থিতি। পল্লবীর দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিল আদিত্য। কিন্তু সেই মণ্ডপেই দূর থেকে আদিত্যের বৌদি তার ওপর কড়া নজর রাখছিল, যাতে বোঝা যায় আদিত্য আসলে কী করতে চলেছে। এর পরেই আসে সেই আবেগঘন মুহূর্ত, যখন ঝিনুককে পিঁড়িতে বসিয়ে বিয়ের মণ্ডপে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়। নিজের মা কমলার সাথে ঝিনুকের এক অত্যন্ত মর্মস্পর্শী ও বেদনাবিধুর বিদায়ের দৃশ্য তৈরি হয় সেখানে।
ঠিক সেই সময়ে সব বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে রণজয় ঝিনুকের কাছাকাছি আসার জন্য ছটফট করছিল। সে ঝিনুকের কাছে পৌঁছানোর আপ্রাণ চেষ্টা করলেও চারপাশের পরিস্থিতির চাপে তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বাধ্য হয়ে তার মা তাকে হাত ধরে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত দূর থেকে অশ্রুভেজা চোখে ঝিনুকের দিকে চেয়ে থাকা ছাড়া রণজয়ের আর কোনো উপায় ছিল না।
সবচেয়ে বেশি মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো মুহূর্তটি আসে তখন, যখন ছাদনাতলায় গিয়েও ঝিনুক যেন মনে মনে রণজয়ের উপস্থিতি টের পায়। সে হঠাতই পিছন ফিরে তাকায় রণজয়কে খোঁজার আশায়। কিন্তু রণজয় নিজের বুকফাটা কষ্ট আর চোখের জল লুকিয়ে ততক্ষণে সেখান থেকে সরে যায়। কিছু সম্পর্ক হয়তো একসঙ্গে থাকার ভাগ্য নিয়ে আসে না, কিন্তু মনের গভীরে তাদের অনুভূতি চিরকাল থেকে যায়। ঝিনুক ও রণজয়ের এই দৃশ্যটি দর্শকদের আরও একবার তাদের সেই অপূর্ণ প্রেমের কথাই মনে করিয়ে দিল।
অন্যপাশে, মিঠির সাথে দেখা করতে আসে সানি আর সুপর্ণা। কিন্তু তাদের দেখামাত্রই মিঠি প্রচণ্ড ভয় পেয়ে যায় এবং পল্লবীকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে। আসলে সুপর্ণা, সানি ও তার মায়ের এই সব কুকীর্তির কথা কিছুই জানত না। তবে পল্লবী কোনোভাবেই মিঠির সামনে কাউকে যেতে দেয় না এবং সে ঢাল হয়ে দাঁড়ায়। এই ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে সুপর্ণা পল্লবীকে কড়া হুমকি দিয়ে সেখান থেকে চলে যায়।
আরও পড়ুনঃ ইলিশ-মাটন থেকে পায়েস! মল্লিকা ব্যানার্জির বাড়িতে জমজমাট জামাইষষ্ঠী! মেয়েকে পাশে নিয়ে আনন্দে ভাসলেন অভিনেত্রী!
আগামী পর্বে দেখা যাবে এক বড়সড় চমক। আদিত্য পল্লবীকে মনের কথা জানানোর জন্য এক বিশাল ও রোমান্টিক আয়োজনের পরিকল্পনা করবে। সেই সুন্দর আয়োজন দেখে পল্লবী পুরোপুরি মুগ্ধ হয়ে যাবে। আদিত্যের লোকেরাও তাকে উৎসাহ দিয়ে বলবে যেন আজ সে বৌদিকে নিজের মনের কথাটি বলেই দেয়। আদিত্যও হাসিমুখে রাজি হয়ে বলে যে তার কাছে দেওয়ার মতো শুধু ভালোবাসাটুকুই আছে। কিন্তু ঠিক তখনই সব পরিকল্পনা ওলটপালট করে দিয়ে মিঠি সেখানে হাজির হবে এবং পল্লবীকে ‘মাম্মাম’ বলে ডাকবে। আর তা দেখা মাত্রই ফুলের তোড়া হাতে দাঁড়িয়ে থাকা আদিত্যের হাসিমুখ মুহূর্তের মধ্যে মলিন হয়ে যাবে।

