পারুলের চরম ক্ষতি করলো শিরিন! ঘৃণায় সম্পর্কের ইতি টানলো রায়ান! আ’ত্মহত্যার পথ বেছে নিল খলনয়িকা! ফাঁ’স আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে শিরিন এখন ভালো মানুষের মুখোশ পরে আছে। পার্টিতে পারুলের সাথে কোনরকম অসভ্যতামি করেনি। পার্টিতে যথেষ্ট মজা করার পর এবারে বাড়ি ফেরার পালা। পারুল, রায়ান, শিরিন একই গাড়িতে আবার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এদিকে পারুলের মনে এখনো খুঁতখুঁত করে শিরিনকে নিয়ে। এদিকে হঠাৎ যেতে যেতে মাঝপথে রায়ানের গাড়ি থেমে যায়। তারপর মাঝ রাস্তায় শিরিন পারুল দুজনে একসাথে রায়ানের গাড়ি ধাক্কা দেয়।

Bengali serial

এদিকে রাত করে বাড়ি ফিরলে দাদু তো রায়ান পারুলের উপর মারাত্মক ক্ষেপে যায়। কারণ দাদু জানে পরেরদিন তাদের পরীক্ষা। দাদু স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে রায়ান যদি পরীক্ষায় পাশ না করে আর পারুল যদি ফার্স্ট ক্লাস পেয়ে পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট না করে তাহলে দুজনের অবস্থা খারাপ করে দেবে দাদু, তাদের সাথে কি ব্যবস্থা নিতে হয় সেটা তিনি ভাল মতই জানেন।

আরও পড়ুনঃ ফুলকির জন্য বিশেষ উপহার! বড় রাণীর দেওয়া উপহারেই সর্বনাশের ফাঁদ! ফাঁ’স আজকের পর্ব!

এদিকে পারুলের জন্য পরের দিনকে পরীক্ষার হলে ফাঁদ পেতে রেখেছে শিরিন। নিজের বন্ধুদের সাথে হাত মিলিয়ে পারুলের পরীক্ষা বরবাদ করতে চায়। পারুলের পেনের বক্সের সাথে সুতীর্থর পেনের বক্স অদল বদল করে দেয়। আর পারুলের পেনের বক্সে চিরকুট রেখে দেয়। এদিকে পরীক্ষার মাঝপথে হঠাৎ শিরিনের বন্ধু বলে ওঠে পারুল চিটিং করছে। পারুল তো এই কথা শুনে অবাক হয়ে যায়। পরীক্ষার হলে যেই স্যার গার্ড দিচ্ছিলেন তিনি এসে পারুলকে পরীক্ষা করতে থাকেন।

পারুলকে মিথ্যে অভিযোগে ফাঁসায় শিরিন। পারুল বারবার স্যারকে বলে সেই টুকলি করেনি রায়ানও পারুলকে সমর্থন করে স্যারকে বোঝাতে থাকে। কিন্তু ওই স্যার বলেন যেহেতু পারুল ভালো স্টুডেন্ট তাই পারুলের খাতা ক্যান্সেল করবেন না তিনি। কিন্তু পারুলকে নতুন প্রশ্নের সেটে পরীক্ষা দিতে হবে। পারুল তাতেই রাজি হয়ে যায়। কারণ পারুল নিজের কাছে সৎ তাই তার কোনো ভয় নেই। তারপর পরীক্ষার শেষে রায়ানরা সবাই মিলে আলোচনা করতে থাকে কিভাবে এই ঘটনা ঘটলো। রায়ান রীতিমতন তদন্ত শুরু করে। আর সেই সুযোগে সুতীর্থ পালানোর চেষ্টা করে কিন্তু রায়ানের সন্দেহ হলে রায়ান সূতীর্থর ব্যাগ চেক করে ওই একই ধরনের পেন বক্স পায় তারপরই সবটা পরিষ্কার হয়ে যায়। এদিকে সবকিছুর মাঝে শিরিনের নামও বেরিয়ে আসে। রায়ান পারুলকে নিয়ে বাড়ি ফিরে সব সত্যি সবাইকে জানায়। সাথে এটাও জানায় যে রায়ান শিরিনের সাথে ব্রেকআপ করে এসেছে। তারপরই রায়ানের ফোন ফোন আসে আর তারা জানতে পারে শিরিন আত্মহত্যা করেছে এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

Back to top button