রাগের চোটে সবার সামনে বেফাঁস সার্থক! ভোগিনীপ্রেমিকের কথায় অবাক রাই!

বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের নাম চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। দর্শকদের বেশ পছন্দের একটি ধারাবাহিক হয়ে উঠেছে মিঠিঝোরা। এই ধারাবাহিকের নায়িকা রাই এবং তার বোনেদের জীবনের গল্প নিয়েই তৈরি হয়েছে এই ধারাবাহিকের প্লট। নায়িকার সুদৃঢ় চরিত্র ধারাবাহিক থেকে আরও বেশি মনমুগ্ধকর করে তুলেছে। মাঝে এক সপ্তাহের জন্য নিজেদের শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারিয়ে টিআরপি তালিকা প্রথম পাঁচে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছিল এই ধারাবাহিক।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই আর অনির্বাণ অর্থাৎ ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকা বর্তমানে আর একসাথে থাকে না। তাদের মধ্যে অনেকখানি দূরত্ব বেড়ে গিয়েছে। এর জন্য সম্পূর্ণভাবে দায়ী নায়ক অনির্বাণ। তার ভুল বোঝা, অবিশ্বাস অসম্মানের জন্যই আজ তাদের সম্পর্কের এই পরিণতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রত্যেকটা বিষয়ে সে এত বেশি তাড়াহুড়ো করে ফেলেছে যে, তার মাশুল গুনতে হয়েছে নায়িকা রাইকে।

Bengali serial

তবে বর্তমানে, নায়কের থেকে দূরে নিজের বাড়িতে নিজের মতন করে দিন যাপন করছে রাই। অনির্বাণ কিন্তু হাল ছাড়েনি। সে চেষ্টা করে চলেছে প্রায়শ্চিত্ত করার। আর প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে এসে তার রাইয়ের দাদা অর্থাৎ বিক্রমের সুস্থতাকেই একমাত্র পথ হিসেবে বেছে নিয়েছে। নিজের চেনা সবথেকে ভালো ডাক্তারের সাথে কথা বলে সমস্তটা একা একা সামলে সে নিজের ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করতে চাইছে। আবার হাঁটতে পারবে এটা ভেবে বিক্রম রাইকে সমস্তটা গোপন করে অনির্বাণের ডাকে সাড়া দিয়েছে।

তবে এসব ছাড়াও আরো একটি দিক রয়েছে যার সমানভাবে নজর কেড়েছে। স্রোত আর সার্থক ইদানিং অনেক বেশি কাছাকাছি আসছে। সার্থকের বাবা স্রোতের বিয়ে ঠিক করছে আর স্রোত তাতে সম্মতি দিয়েছে এটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না সার্থক। সে প্রথম দিকে স্রোতকে বোঝানোর চেষ্টা করেছে। নিজের বাবাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছে কিন্তু কোন লাভ হয়নি। সে মন থেকে কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না এই বিয়েটা। এদিকে সেই কথা সবার সামনে বলতে পারছেনা। বেশ জটিল পরিস্থিতির সম্মুখীন নিজের সার্থক।

সার্থকের মন পড়ে ফেলল রাই

আরও পড়ুন: মাকে অসম্মান? এর যোগ্য জবাব দিল আদিদেব-আনন্দী! জমে ক্ষীর আজকের পর্ব

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, আঙ্কেলকে দেওয়া কথা অনুযায়ী সময় মতন তার বাড়িতে পৌঁছে যায় স্রোত। তার সাথে আসে তার বউ মণি মিষ্টি এবং দিদিভাই রাই। তাদেরকে যথেষ্ট যত্ন করে বসায় সার্থকের বাবা। সার্থক একেবারেই সেখান থাকতে চায় না। তাই সে সবাইকে বলে সে নিজের ঘরে যাচ্ছে। রাই বুঝতে পারে সর্থকের কিছু একটা হয়েছে। সে জিজ্ঞেস করে “তুমি এমন রেগে রেগে কথা বলছ কেন?” সার্থক এই কথায় বেশ অস্বস্তিতে পড়ে। সেখানে উপস্থিত সবাই বুঝতে পারে এই গোটা বিষয়টা তার একেবারেই পছন্দ হচ্ছে না। তবে কি এবার বিয়ের মাঝেই ভাঙছি দেবে সার্থক?

Back to top button