মাকে অসম্মান? এর যোগ্য জবাব দিল আদিদেব-আনন্দী! জমে ক্ষীর আজকের পর্ব

নতুন শুরু হওয়া বাংলা ধারাবাহিক গুলির মধ্যে ইতিমধ্যেই দর্শকদের প্রিয় হয়ে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) নতুন ধারাবাহিক ‘আনন্দী’ (Anondi)। ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রী অন্বেষা হাজরা (Annwesha Hazra) এবং অভিনেতা ঋত্বিক মুখার্জিকে (Writwik Mukherjee)। এই জুটি এর আগেও জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এবারেও নতুন ধারাবাহিকের হাত ধরে দর্শকদের মন জয় করতে শুরু করেছে এই জুটি। তবে ধারাবাহিক কতটা দর্শক পছন্দ করছেন সেটা দেখা যাবে টিআরপি তালিকা বের হলে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আদিদেব আনন্দীকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার পরে ঠাম্মি কারো হাতে আর খাবার খাচ্ছে না, ওষুধও খাচ্ছে না। সেই দেখে আদিদেব ভীষণ রেগে যায়। কিন্তু ঠাম্মি জেদ ধরে বসে থাকে যে আনন্দী ছাড়া ঠাম্মি কারো হাতেই আর ইনজেকশন নেবে না। তখন আদিদেব বাধ্য হয়ে আনন্দীর নার্সিং সেন্টারে ফোন করে আনন্দীকে ফিরিয়ে আনার জন্য। কিন্তু আনন্দী স্পষ্ট জানি দেয় সে ফিরবে না। এরপরে নিজে গিয়ে আনন্দীকে সেন্টার থেকে নিয়ে আসে। ঠাম্মির কথা শুনে আনন্দী আবার চলে আসে লাহিড়ী বাড়িতে। আনন্দীকে দেখে ঠাম্মিও দারুণ খুশি হয়ে যায়।

আনন্দী আজকের পর্ব ২৮ সেপ্টেম্বর (Anondi Today Episode 28 September)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আনন্দী ঠাম্মির ঘরে তার সমস্ত ওষুধপত্র দেখে নিচ্ছে। তখনই ঠাম্মি বলে ওঠে আনন্দী কেন রোজ রোজ এই একই শাড়ি পড়ে আসে নতুন কোনো শাড়ি পড়তে পারে। তখন আনন্দী ঠাম্মিকে বলে সে তো নার্স আর এটা তার ইউনিফর্ম, এটা তাকে রোজ পড়তেই হবে। তখন ঠাম্মি আনন্দীকে নিজের আলমারি চাবি দিয়ে তার আলমারি খুলে শাড়ি নিতে বলে। প্রথমে আনন্দী সংকোচ করলেও ঠাম্মির জোরাজুরি তে আলমারি খুলে দেখে ঠাম্মার কত শাড়ি, কিন্তু সে নেয় না।
এরপর আনন্দী রান্নাঘরে যায় ঠাম্মির জল গরম করতে, রান্নাঘরে গিয়ে দেখে বিশাল তোড়জোড় চলছে। সবাই ব্যস্ত রান্নাঘরে। আসলে বাড়িতে আসার কথা নন্দিনীর। আজ আদিদেবের বাবা এবং নন্দিনী মিলে আদিদেবকে মেডিনেস নার্সিংহোম জয়েন করার কথা বলবে। যদিও এর আগে আদিদেব বহুবার জানিয়েছে সে তাদের পারিবারিক ব্যবসায় যোগ দেবে না। কারণ আদিদেব মনে করে তাদের নার্সিংহোমের মানুষের সেবা করার নামে ব্যবসা করা হয়। তাই সে বরাবরই এই নার্সিংহোম থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলে। কিন্তু তাদের নার্সিংহোমে কার্ডিওলজিস্ট নেই তাই আদিদেব কে তাদের নার্সিংহোম এর প্রয়োজন।

অন্যদিকে আদিদেবের বাবা এবং আদিদেবের মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো নয়। আদিদেবের বাবা তার মাকে খুবই ছোট করে, অপমান করে কথায় কথায়। তাই জন্য আদিদেবের মা তার বাবাকে সারাক্ষণ ভয় পেয়ে চলে। অন্যদিকে নন্দিনী বলে যে মহিলাটিকে গত দুদিন ধরে দেখা যাচ্ছে তার সঙ্গে আদিদেবের বাবার কোন এক অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে যদিও সেটা এখনো স্পষ্ট ভাবে ধারাবাহিকে বলা হয়নি, তবে তাদের মধ্যে সম্পর্ক দেখে সেটাই মনে হচ্ছে। এটাও অন্যতম বড় কারণ আদিদেব তার বাবাকে অপছন্দ করে। ধারাবাহিকে দেখানো হয় আদিদেবের মাকে ডেকে তার বাবা ছেলের খোঁজ করে। তার মা জানায় আদিদেব বাড়িতে নেই, সে এখনো ফেরেনি। এই কথা শুনে তার মাকে যাচ্ছে তাই বলে অপমান করে তিনি ঠিক তখনই বাড়িতে ঢোকে আদিদেব।
আরও পড়ুনঃ ‘সবাই ভাবে আমার চারশোটা প্রেম, আসলে মাত্র ছটা…’, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়
আদিদেব বাড়িতে ঢুকে মায়ের সাথে করা অপমানের যোগ্য জবাব দেয়। যখনই আদিদেবের মায়ের অপমান হয়েছে আদিদেব তার মায়ের হয়ে কথা বলেছে। এর পরে দেখা যায় আনন্দীকে দেখে চটে যায় নন্দিনী। জানতে চাই কি করে আনন্দী এই বাড়িতে এলো আবার। আদিদেবের মা জানায় আনন্দীকে আদিদেব নিজে নিয়ে এসে যে ঠাম্মির জন্য। এরপর খাবার টেবিলে আদিদেব কে নার্সিংহোম জয়েন করার কথা বলে নন্দিনী এবং আদিদেবের বাবা। আদিদেব জানায় তার সিদ্ধান্ত বদলায়নি, তখনই আদিদেবের মা খাবার নিয়ে আসে সকলের জন্য। আদিদেবের মুখে না শুনে চোটে গিয়ে চিৎকার করে ওঠে আদিদেবের বাবা। তার চিৎকার শুনে হাত থেকে কাঁচের বাটি পড়ে যায়। এরপরে নন্দিনী এবং আদিদেবের বাবা দুজনে মিলে নানান কথা বলে অপমান করে তার মাকে। তখন এগিয়ে আসে আনন্দী। আনন্দী হাতে হাতে সব কাজ করে দেয়, এরপর আদিদেব চিৎকার করে স্পষ্টভাবে তার বাবা এবং নন্দিনীকে জানিয়ে দেয় সে নার্সিংহোম কোনদিনও জয়েন করবে না। যেখানে তার মায়ের সম্মান নেই সেখানে সে কোনদিনও যাবে না। এরপর দেখার অপেক্ষা মায়ের অপমানের প্রতিশোধ কিভাবে নেয় সে।
View this post on Instagram

