রাঙামতির কাছে বাঁধা পড়ল আক্কু! বিরাট গুরুদায়িত্ব নিল সে! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

বাংলা নতুন ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো স্টার জলসার (Star jalsha) ‘রাঙামতি তীরন্দাজ’ (Rangamoti Tirandaj)। মাত্র কয়েকদিন হয়েছে এই ধারাবাহিক শুরু হয়েছে তাই চলতি সপ্তাহের টিআরপি তালিকা প্রকাশ না পাওয়া পর্যন্ত বোঝা যাচ্ছে না ধারাবাহিকটি দর্শক কতটা পছন্দ করছেন। ধারাবাহিকের নায়িকা চরিত্রে একদম নবাগত একজন অভিনেত্রী অভিনয় করছেন। আর নতুন একটি জুটি দেখা যাচ্ছে ধারাবাহিকে। তাই দর্শক এই দুজনকে একসাথে কতটা পছন্দ করবে সেটাই দেখার অপেক্ষা।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে সহদেব নামের একটি ছেলে রাঙামতিকে বিয়ে করার কথা বলে। রাঙামতির বাবা নাকি তার থেকে টাকা ধা’র নিয়ে রাঙামতির সঙ্গে তার বিয়ে দেওয়ার কথা বলেছে। কিন্তু এ কথা কিছুতেই বিশ্বাস করতে চায় না রাঙা বা নমিতা কেউই। আর তখনই সেখানে উপস্থিত হয়ে আক্কু। সে নিজে দায়িত্ব নিয়ে সহদেবের সব টাকা শোধ করে দেয় এবং রাঙামতিকে ছে’ড়ে দেওয়ার কথা বলে। কিন্তু সহদেবের হা’বভাব মোটেই সু’বিধার নয়, তাই সকলেই বুঝতে পারে রাঙামতি এখানে একেবারে সু’রক্ষিত নয়। তাই নমিতা রাঙামতিকে কলকাতা নিয়ে যেতে চায়, সেখানে গিয়েই রাঙামতিকে তিনি তীরন্দাজ বানাবে। আক্কুও মায়ের এই সিদ্ধান্তে সহমত জানায়। কিন্তু আক্কুর বাবা ইতস্তত করতে থাকেন।

রাঙামতী তীরন্দাজ আজকের পর্ব ৬ অক্টোবর (Rangamoti Tirandaj Today Episode 6 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে আক্বুর বাবা নমিতা এবং আক্কুকে বারবার বোঝাতে থাকে যে রাঙামতিকে নিয়ে যাওয়া ঠিক হবে না। এখানকার গ্রামের মানুষ এটা কিছুতেই মেনে নেবে না। তিনিও চান রাঙামতি যাতে সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন করে, তার একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ হয়। সে যেন তীরন্দাজ হয়ে ওঠে। কিন্তু তাকে কলকাতায় নিয়ে গেলে ঝা’মেলা হবে, একেই রাঙামতি অবিবাহিত যুবতী মেয়ে, তার উপরে তার গ্রামের লোকেরা খুব বেশি সু’বিধার নয় তাই সব মিলে বি’পদে পড়তে পারে তারা। কিন্তু আক্কু এবং নমিতা মিলে বোঝায় তাকে, অবশেষে আক্কুই নিজের বাবাকে রাজি করায়। আক্কু বলে রাঙামতির বাবা নিজের প্রা’ণ দিয়ে আক্কুকে বাঁচিয়েছে। তাই আক্কু কোনমতেই রাঙামতিকে এই গ্রামের মাঝে ফে’লে রেখে যেতে পারবে না। কলকাতায় গেলে রাঙামতির একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ হবে এটাই চাই সে।
এদিকে আক্কুদের সমস্ত কথা আড়াল থেকে শুনে ফেলে বুধো। রাঙামতি চলে যাবার খবর পেয়ে কষ্ট পায় বুধো। এরপর সে রাঙামতির কাছে অনুরোধ করে যাতে সে গ্রাম থেকে না যায়। বুধো তাকে খুব ভালোবাসে, তাকে বিয়ে করতে চায়। বুধোর তীরন্দাজ হওয়ার স্বপ্ন বুধো পূরণ করবে এ কোথাও দেয়। কিন্তু রাঙামতি তাকে জানিয়ে দেয় সে শুধুমাত্র একজন ভালো বন্ধু হিসেবে মেনে এসেছে বুধোকে। তাই বিয়ের কথা সে ভাবতেও পারছে না। রাঙামতির মুখে এই সমস্ত কথা শুনে তো খুবই কষ্ট পায়। অন্যদিকে সহদেব প্ল্যান করতে থাকে কিভাবে রাঙামতিকে শহরে যাওয়া থেকে আটকানো যায়। কিভাবে সে রাঙামতিকে নিজের করে রাখবে তাকে বিয়ে করবে। সেইজন্য আক্কুদের উপর নজর রাখতে বলে।
আরও পড়ুন: স্যারের পেট থেকে কথা বের করতে জব্বর ফন্দি আঁটল স্রোত! নিজের প্ল্যানে সফল নিলু!
এদিকে রাঙামতিকে কোয়ার্টারে নিয়ে আসার আক্কু এবং নমিতা। দুজনে সবকিছু বোঝাতে থাকে রাঙামতিকে। কলকাতায় গিয়ে তার কোন অসুবিধা হবে না সে কথা দেয় আক্কু। এদিকে আক্কুর ফোনে বারবার ফোন করছে আহেরি। গত তিন দিন ধরে তার কোন কথা হয়নি আক্কুর সাথে। তারপরে আক্কু আহেরীকে ফোন করে সমস্ত ঘটনা বিস্তারিত জানায়। সবটা শুনে আহেরি আক্কুকে জানাই সে একেবারে ঠিক কাজ করেছে তার জায়গায় অন্য কোন ছেলে থাকলেও একই কাজ করতো। এরপরে আক্কুর সাথে কথা বলে নিশ্চিন্ত হয়ে আহেরি এবং জানিয়ে দেয় তাদের সমস্ত কাগজ রেডি হয়ে গিয়েছে আক্কু শুধু কলকাতায় ফিরে আসলেই তারা ফ্ল্যাটের ভাড়া দিয়ে দেবে। এর পরে দেখার অপেক্ষা কলকাতা গিয়ে রাঙামতির জীবনে কি হয়।

