স্যারের পেট থেকে কথা বের করতে জব্বর ফন্দি আঁটল স্রোত! নিজের প্ল্যানে সফল নিলু!

বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় বেশ কিছু ধারাবাহিক সম্প্রচারিত হচ্ছে যেগুলি টিআরপিতে তেমন একটা প্রাধান্য না পেলেও দর্শকদের মনে একটি বিশেষ জায়গা দখল করে নিয়েছে। ঠিক এমনই একটি ধারাবাহিক হল মিঠিঝোরা (MithiJhora)। এই ধারাবাহিকের নায়িকা রাই দর্শকদের অত্যন্ত কাছের একজন মানুষ। এই চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি। এই ধারাবাহিকে প্রধান নায়কের চরিত্রে দেখা যাচ্ছে সুমন দেকে।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, অনির্বাণের দেওয়া লো’ভনীয় সুযোগ হাতছাড়া করতে চায়নি রাইয়ের দাদা বিক্রম। নিজের বোনকে লুকিয়ে সে অপারেশনের ব্যবস্থা করা শুরু করে দিয়েছে। বিক্রমের কথা রাখতে গিয়ে মিষ্টিও কিছু বলতে পারেনি রাইকে। কিন্তু রাই বুঝতে পারছে তার থেকে কিছু একটা লুকানো হচ্ছে। হঠাৎ করে দাদা বৌদির ঘরে ঢুকে পড়ায় তার দাদা তার সঙ্গে যেরকম ব্যবহার করে তাতে ভীষণ কষ্ট পায় রাই।

Bengali serial

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ৭ অক্টোবর (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 7 October)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাই খুব কষ্ট পায়, মিষ্টি তাকে আটকায়। রাই তার বউমণিকে বলে, সে কি তাদের সমস্ত বিষয়ে ভীষণ নজরদারি করে? মিষ্টি বুঝতে পারে রাইয়ের অভিমান হয়েছে। রাই কোনদিনও চায়নি তার দাদা ভাইয়ের চিকিৎসা আটকে থাকুক। কিন্তু তারপরেও তার থেকে সমস্তটা লুকানো হচ্ছে আর সেটা লুকাচ্ছে তার বউমণি এটা ভেবে সে কিছুতে এই বিষয়টা মেনে নিতে পারে না। এরপর রাগ করে সে অফিসে চলে যায়। মিষ্টি কি করবে কিছুই বুঝতে পারে না।

অন্যদিকে নীলাঞ্জনা তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনদের জানায় সে সিনেমা দেখতে যেতে চায়। বাড়ির সবাইকে সে যাওয়ার কথা বলে কিন্তু কেউ তার সঙ্গে যেতে রাজি হয় না। উল্টে ডোরা তাকে অনেক কথা শুনিয়ে দেয়। এরপর সে টিয়াকেও যাওয়ার কথা বলে। সেটা শুনে তার হয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া শুরু করে দেয় ডোরা আর তার মা। যার ফলে প্রচন্ড রেগে যায় টিয়া আর যাওয়ার জন্য রাজি হয়ে যায়। এতদিন পর মেয়েটা অন্তত বাড়ি থেকে বেরোবে, একটু বাইরের হাওয়া বাতাস পাবে এটা ভেবে টিয়াকে নীলাঞ্জনার সাথে যাওয়ার অনুমতি দিয়ে দেয় সুচিস্মিতা। বাইরে বেরিয়ে নীলাঞ্জনা চেষ্টা করে টিয়াকে বশ করার। নানা রকম কৌশলে টিয়ার মন জিতে নেওয়ার।

আরও পড়ুনঃ বাড়ি থেকে পালাল দুই বোন! মুখোমুখি আঁখি-ঝিলিক! হতে চলেছে মহা ধামাকা!

স্রোতের কাছে এই জব্দ সার্থক

অন্যদিকে সার্থক আবার স্রোতের সাথে কথা বলতে আসে। আবার অকারণে তাকে বকাবকি করতে শুরু করে। স্রোত তখন সার্থককে মনে করিয়ে দেয়, সে আগের দিন ঠিক কি কি বলেছিল তাকে। এসব শুনতেই ভীষণ লজ্জা পেয়ে যায় সার্থক। তাড়াতাড়ি করে নিজের কথা ঘুরিয়ে ফেলে। স্রোত যে সার্থককে টাইট দিতে সক্ষম সেটা সে খুব ভালো করেই বুঝতে পারে। এরপর তারা দুজনে একসাথে মিলে ভাবনা চিন্তা করতে থাকে। এই বিয়ের বিষয়টা কাটানোর জন্য তারা একে অপরের সঙ্গে সন্ধি স্থাপন করে।

Back to top button