রাঙার উপর নজর! সুব্রতকে উচিত শিক্ষা দিল আক্কু!

সম্প্রতি কিছুদিন আগে বাংলা ধারাবাহিক জগতে শুরু হয়েছে বেশ কিছু নতুন ধারাবাহিক। তার মধ্যে স্টার জলসার (Star jalsha) পর্দায় শুরু হয়েছে ‘রাঙামতি তীরন্দাজ’ (Rangamoti Tirandaj)। ধারাবাহিকে একজন পাহাড়ি গ্রামের মেয়ের তীরন্দাজ হয়ে ওঠার গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। আর এই চরিত্রে অভিনয় করছে নবাগত অভিনেত্রী মনীষা মন্ডল। যে কিনা ধারাবাহিক জগতে একেবারেই নতুন। তার বিপরীতে নায়ক চরিত্রে অভিনয় করছে অভিনেতা নীলাঙ্কুর মুখোপাধ্যায়।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে রাঙার অনুপস্থিতিতে রাঙার টাকা চুরি করে নিয়ে পালাতে গিয়ে রাঙার হাতে ধরা পড়ে ময়নার দাদা। হাতেনাতে তাকে ধরে তার থেকে নিজের টাকা আদায় করে নেয় রাঙা। এরপর রাঙাকে দিয়ে বাড়ির সমস্ত কাজ করাতে থাকে বৃন্দা এবং ময়না। রাঙাকে তারা কাজের মেয়ে বানিয়ে রেখেছে। যেটা একেবারেই পছন্দ করেনা আক্কু। তাই আক্কু রাঙার হয়ে প্রতিবাদ করে। আর রাঙাকে ভালোমতো বুঝিয়ে দেয় যে সে এই বাড়ির কাজের লোক নয়, তাই মাথা উঁচু করে যেন সসম্মানে এ বাড়িতে থাকে।

রাঙামতী তীরন্দাজ আজকের পর্ব ১৭ অক্টোবর (Rangamoti Tirandaj Today Episode 17 October)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে রাঙা ছাদে উঠে বিছানাপত্র করে ঘুমিয়ে থাকে। আর সেটা দেখতে পায় আক্কু। রাঙাকে এই অবস্থায় দেখে আক্কু তাকে ডেকে তুলে প্রশ্ন করে। এই ছাদে রাঙা কেনো ঘুমিয়ে আছে।রাঙা আক্কুকে বলে তার খোলা আকাশের নিচে ঘুমাতে ভালো লাগে তাই জন্য সেখানে ঘুমিয়ে ছিল। এরপর আক্কু রাঙাকে বোঝাতে থাকে যে এ বাড়িতে যদি কেউ রাঙার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে তাহলে যেন রাঙা আক্কুকে জানায়। কারণ প্রমিতা এবং আক্কু দুজনে মিলে রাঙাকে নিয়ে এসেছে একজন তীরন্দাজ বানাবে বলে তাই সে এই বাড়ির কাজের লোক নয়, এটা যেন সবসময় মাথায় রাখে। ছাদে দাঁড়িয়ে রাঙা এবং আক্কুকে কথা বলতে দেখে নেয় ময়নার দাদা। তখন সে আক্কু এবং রাঙার কথা বলার ভিডিও তুলে রাখে নিজের ফোনে। পরে এটা কোন অ’সৎ উদ্দেশ্যেই কাজে লাগাবে ময়নার দাদা।

অন্যদিকে প্রমিতা এবং নবারুণ রাঙার জন্য চিন্তা করতে থাকে। নবারুণ চায় রাঙার ভালো জায়গায় বিয়ে দিতে আর তার জন্য কয়েক লক্ষ টাকা ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট করে দিতে। এ কথা আড়াল থেকে শুনে ফেলে ময়না। ময়না একথা জানায় বৃন্দকে। সব কথা শুনে পরদিন ময়না এবং ময়না দাদার সঙ্গে আলোচনা করতে থাকে বৃন্দা। কিভাবে রাঙাকে এই বাড়ি থেকে তাড়ানো যায় সেই নিয়ে। এরপরে ময়নার দাদা জানায় রাঙার বিয়ে হয়ে গেলে তাদেরই লাভ। রাঙা তখন এই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাবে। তবে ময়নার দাদার ঠিক করা পাত্রের সঙ্গেই রাঙার বিয়ে দেবে ময়নার দাদা। যার ফলে রাঙাকে এই বাড়ি থেকে তা’ড়ানো যাবে আবার শ্বশুর-শাশুড়ি সেই ১০ ১২ লক্ষ টাকা তারা পেয়ে যাবে। আসলে রাঙাকে তারা জলে ফেলে দিতে পারলেই বাঁচে।

আরও পড়ুন: প্রথম স্থানে জোরদার টক্কর! টিআরপি তালিকায় অপেক্ষা করছে বিরাট চমক!

এদিকে পরের দিন বাড়িতে আহেরিকে নিয়ে আসে আক্কু। আহেরিকে সযত্নে বাড়িতে স্বাগত জানায় রাঙা। রাঙা ভগবানের কাছে সবসময় প্রার্থনা করে যাতে আহেরি ও আক্কু একসাথে থাকে সবসময়। এরপর রাঙা আহেরির জন্য নিজের হাতে করে শরবত বানিয়ে নিয়ে আসে। তারপর বাড়ির সকলেই আহেরি আসার আনন্দে মেতে ওঠে। এবারে দেখার অপেক্ষায় রাঙার জীবন কোন দিকে মোড় নেয়।

Back to top button