অ’ন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াল রাঙা! নিজের অধিকার ছিনিয়ে নিল সে! জমে গেল আজকের পর্ব

পাহাড় জঙ্গলের ঘেরাটোপ থেকে বেরিয়ে শহর কলকাতায় এসে নিজের স্বপ্ন পূরণ করার গল্প নিয়ে স্টার জলসার (Star jalsha) পর্দায় শুরু হয়েছে ‘রাঙামতি তীরন্দাজ’ (Rangamoti Tirandaj)। ধারাবাহিকে আমরা রাঙামতির তীরন্দাজ ওঠার গল্প দেখতে পাচ্ছি। খুব অল্প সময়ের মধ্যে ধারাবাহিকটি দর্শকের মন জিতে নিতে পেরেছেন। ধারাবাহিকের নায়িকা একজন নবাগতা অভিনেত্রী। দেখা যাক তার প্রথম ধারাবাহিকের কতটা দর্শকের মন জয় করতে পারেন অভিনেত্রী।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আক্কু বারবার রাঙার সমস্ত বিপদে ঢাল হয়ে দাঁড়াচ্ছে। রাঙা আক্কুদের বাড়িতে আসার পর থেকেই তাকে নানান ভাবে অপমানিত করেছে আক্কুর বড় বৌদি, মেজ বৌদি। তাই তাদের সেই সমস্ত অপমানের জবাব রাঙার হয়ে দিয়েছে আক্কু। ওদিকে ময়নার দাদার কু’নজর পড়েছে রাঙার উপরে। লোকটা একদমই সুবিধার নয়, রাঙার জামাকাপড়ের ব্যাগ থেকে তার কাছে থাকা মাত্র তিন হাজার টাকা ও সে সরিয়ে নেয় সে। কিন্তু সেই ঘটনা দেখে ফেলে রাঙা।

Bengali serial

 

রাঙামতী তীরন্দাজ আজকের পর্ব ১৬ অক্টোবর (Rangamoti Tirandaj Today Episode 16 October)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে ময়নার দাদাকে রাঙা তার ব্যাগ থেকে টাকা চুরি করতে দেখে নেন এবং সরাসরি তার দাদার কাছে নিজের ভাগের সেই টাকাটা চেয়ে নেয়। তার বাবার একটু একটু করে সঞ্চয় করা টাকা সে অন্য কারো হাতে তুলে দিতে রাজি না। তাই চোখে চোখ রেখে ময়নার দাদার থেকে টাকাটা চেয়ে নেয়। ময়নার দাদা নানান রকম ভাবে রাঙাকে বোঝানোর চেষ্টা করে তাকে টুপি পড়ানোর চেষ্টা করে কিন্তু রাঙা এত সহজে নিজের বাবার সঞ্জয়ের টাকা কারো হাতে তুলে দেবে না। ময়নার দাদা থেকে সে টাকা ছিনিয়ে নেয় রাঙা।

এরপরে দেখা যায় রাঙা সন্ধ্যেবেলা বাড়ির তুলসী তলায় গিয়ে সন্ধ্যে দিয়ে আসে। এদিকে আক্কুর বড় বৌদি তার স্বামীর জুতো নিয়ে এসে রাঙার সামনে দিয়ে তাকে সেটা পালিশ করে দিতে বলে, রাঙা প্রথমে একটু অবাক হলেও পরে সেই কাজ করতে রাজি হয়ে যায়। এরপর দেখা যায় ময়নাও তার স্বামীর জুতো নিয়ে এসে রাঙাকে পালিশ করে দেওয়ার কথা বলে। ঠিক সেই সময় বাড়িতে ঢোকে আক্কু। আর রাঙাকে জুতো পরিষ্কার করতে দেখে অবাক হয়ে যায়। প্রথমে আক্কু বুঝতে পারেনা রাঙা কেন এই সমস্ত কাজ করছে কিন্তু রাঙা জানায় তার এই সমস্ত কাজ করতে কোন আপত্তি নেই বাড়িতে থাকলে দু একটা কাজ করা যেতেই পারে। কিন্তু আক্কুর রাঙার এই সমস্ত কাজ করায় বেজায় আপত্তি। সে আড়ালে তার মেজ বৌদি এবং বড় বৌদিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখতে পায় এবং রাঙাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় নিজের আত্মসম্মান সে যেন নিজেই বজায় রাখে। তার আত্মসম্মান যদি কেউ নষ্ট করতে চায় তাহলে রাঙাকেই সেটা লড়াই করে ছিনিয়ে নিতে হবে।

আরও পড়ুন: বন্ধুর সাথে হাত মিলিয়ে টিয়ার স’র্বনাশ করল নীলু! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

তারপর দেখা যায় রাতের বেলা সবাই নিজের ঘরে শুয়ে রয়েছে হঠাৎই রাঙার বাবাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে নবারুণ। রাঙার বাবার বোমা ফেটে মারা যাবার ঘটনা আবারও তার স্বপ্নে আসে। আর ভয় পেয়ে চিৎকার করে ওঠেন তিনি। নবারুণের চিৎকার শুনে ঘুম ভেঙে যায় নমিতার। নমিতা সব শুনে তাকে বোঝাতে থাকে যে তারা রাঙার সমস্ত খেয়াল রাখবে। রাঙার কোনো রকম ক্ষতি হতে দেবে না। তাই জন্যই তো রাঙাকে কলকাতায় নিয়ে এসেছে। নবারুন চায় রাঙাকে সুন্দর একটা জীবন দিতে, এখন সেটাই তার উদ্দেশ্য। এদিকে বিছানা করে খোলা আকাশের নিচে বিছানা করে শুতে যায় রাঙা। আর ওদিকে আক্কু আহেরির সঙ্গে ফোনে গল্প করতে করতে ছাদে গিয়ে দেখে রাঙা শুয়ে রয়েছে। রাঙাকে দেখে খুবই অবাক হয়ে আক্কু। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।

Back to top button