লোভে চকচক করছে ছেলেমেয়েদের চোখ! টিচার দিদিমণির একমাত্র ভরসা রাঙামতী

কাল থেকে স্টার জলসার (Star jalsha) পর্দায় শুরু শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘রাঙামতী তীরন্দাজ’ (Rangamoti Tirandaj)। ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে নবাগতা অভিনেত্রী মনীষা মন্ডল এবং অভিনেতা নীলাঙ্কুর মুখোপাধ্যায়কে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে রাঙামতীদের গ্রামে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানেই বিশেষ অতিথি হিসেব থাকবেন রাঙামতীর দিদিমণি নমিতা। নমিতা এখন খেলার শিক্ষিকা সে এতবছর ধরে রাঙামতীদের গ্রামে থেকে অসংখ্য ছেলেমেয়ের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলেছেন। তবে এবারে তার অবসর নেওয়ার পালা। আর তার এই অবসর নেওয়ার দিনে ওই গ্রামে উপস্থিত হয়েছে তার ছেলে, মেয়ে, বৌমা এবং জামাই সকলে। এরই মাঝে দেখা গিয়েছে গ্রামে একটি বুনো হাতি জঙ্গল থেকে বেরিয়ে এসেছে। সেই হাতিকে কাবু করার জন্য এসেছে ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের লোকজন। কিন্তু তারা সে হাতিকে কাবু করতে ব্যর্থ হয়। অবশেষে রাঙামতী নিজের তীরন্দাজ বিদ্যার মাধ্যমে হাতিটিকে কাবু করে।

Bengali serial

রাঙামতী তীরন্দাজ আজকের পর্ব ১লা অক্টোবর (Rangamoti Tirandaj Today Episode 1st October)

ধারাবাহিকের আজকের প্রথম পর্বে দেখা যাবে রাঙামতী হাতিটিকে কাবু করার পর সকলেই তার প্রশংসা করতে থাকে। নমিতাও তার স্বামীর সঙ্গে রাঙামতীর পরিচয় করিয়ে দেয়। আর বলে রাঙামতী একদিন ঠিক ভবিষ্যতে দেশের হয়ে সোনার মেডেল আনবে, সকলের মুখ উজ্জ্বল করবে। এরপরে দেখা যায় নমিতার ছেলে মেয়েরা রাস্তায় আসার পথে গাড়ি খারাপ হয়ে যাওয়ায় সেখানে আটকে পড়ে। বাবাকে ফোন করে সমস্যাটা জানায় তার বড় ছেলে, সমস্যার কথা শুনে এগিয়ে আসে রাঙামতী।

এদিকে নমিতার মেজ ছেলে এবং বড় বউ মিলে নিজেদের মধ্যে টাকা ভাগাভাগির হিসেব করতে থাকে। অন্যদিকে নমিতার মেয়েও তার ভাগের কথা বুঝে নেয়। এরপরে দেখা যায় হঠাৎই রাঙামতী আসে একটি টোটো নিয়ে। তাদের মাঝপথ থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যেতে। এরপর রাঙামতী নমিতার ছেলেদের নিয়ে টোটো করে গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। আর তার মেয়ে বউরাকটি ভালো গাড়ি করে পেছনে পেছনে আসতে থাকে।

আরও পড়ুনঃ এক শ’য়তানের লোভ বদলে দিয়েছে আঁখি ঝিলিকের জীবন! কি হয়েছিল ১৮ বছর আগে?

এরপর দেখা যায় রাঙামতী নমিতার কোয়াটার হাউসে নিয়ে আসে সকলকে। এক এক করে সকলেই দেখা করতে থাকে মায়ের সঙ্গে, কিন্তু বড় বউ এরকম স্যাঁতসেঁতে বাড়ি দেখে বিরক্ত হয়। তার আবার বড় বড় হাবভাব, এসি ঘর ছাড়া সে থাকতে পারে না। এরপরে রাঙামতী অতিথিদের ঘর গুছিয়ে দিতে থাকে। যাতে তাদের কোন অসুবিধা না হয়। এরপরে সকলেই খোঁজ করে নমিতার ছোট ছেলের। সে পেশায় একজন পাইলট। নমিতার স্বামী খোঁজ নিয়ে জানতে পারে ছেলের ফ্লাইট ৪০ মিনিট আগে ল্যান্ড করার কথা কিন্তু এখনো মাঝ আকাশে রয়েছে। দু ঘন্টা ধরে প্রায় তারা ল্যান্ডিংয়ের জন্য চেষ্টা করছে কিন্তু ব্যর্থ হচ্ছে। তখনই দেখা যায় নমিতার ছোট ছেলে সকল যাত্রীদের ভরসা দিচ্ছে যাতে তারা চিন্তা না করে সে নিজে দায়িত্ব নিয়ে সকলকে সুরক্ষিতভাবে বাড়ি পৌঁছে দেবে। কিছুক্ষণ পরেই দেখা যায় সফলভাবে তারা ল্যান্ডিংয়ের পথ খুঁজে বার করতে সফল হয়েছে। এবারে দেখার অপেক্ষায় পরবর্তী এপিসোডে কি হয়।

Back to top button