এক শ’য়তানের লোভ বদলে দিয়েছে আঁখি ঝিলিকের জীবন! কি হয়েছিল ১৮ বছর আগে?

সবেমাত্র শুরু হয়েছে স্টার জলসার (Star jalsha) নতুন ধারাবাহিক ‘দুই শালিক’ (Dui Shalik)। ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকা হিসেবে দেখা যাচ্ছে তিতিক্ষা, নন্দিনী, অর্কপ্রভ এবং সায়নকে। প্রত্যেকেই ধারাবাহিক জগতে বেশ জনপ্রিয়। এর আগে বহু ধারাবাহিকে তাদের অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে। তবে এই প্রথমবার একসাথে এই চার অভিনেতা অভিনেত্রীকে কোনো ধারাবাহিকে দেখতে চলেছেন দর্শক। এই ধারাবাহিক নিয়ে প্রত্যেকেরই অনেক আশা ভরসা রয়েছে। এবার দেখা যাক ধারাবাহিকটির গল্প দর্শকের কতটা মন জয় করতে পারে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে কিভাবে ধারাবাহিকের দুই নায়িকা আঁখি ও ঝিলিকের জন্ম হয় এবং জন্ম হবার পরেই তারা কিভাবে আলাদা হয়ে যায় একে অপরের থেকে। কিভাবে মিথ্যে খুনের দায়ে তাদের বাবাকে জেলে পাঠানো হয় এরপর তার মাকেও খুন করা হয় সবকিছু। এরপর তাদের ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠা। তারা দুজনেই যে একেবারে দুই মেরুর মানুষ সেটাও দেখানো হয়। একজন শান্ত ভীতু তো আরেকজন সাহসী চঞ্চল।

দুই শালিক আজকের পর্ব ১লা অক্টোবর (Dui Shalik Today Episode 1st October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বের শুরুতেই দেখানো হবে আঁখি বর্তমানে যেই বাড়িতে মানুষ হচ্ছে সেই প্রিয়রঞ্জন কাঞ্জিলাল এর বাড়ির সকলে ব্রেকফাস্ট করতে বসেছে। আর আঁখি সেখানেই সবাই কে খাবার পরিবেশন করছে। আঁখি সেই বাড়িতে কাজের লোকের পরিচয়তেই থাকে। তাকে সব সময় একটা ভয় ভয় থাকতে দেখা যায়। আসলে বাড়ির লোকজন বিশেষ করে প্রিয়রঞ্জন কাঞ্জিলাল আঁখিকে নিজের হাতের মুঠোয় করে রেখেছে। সে কারণেই আঁখি সবসময় ভয় ভয় থাকে। এদিকে আজ তার জন্মদিন সেটা কারোর খেয়াল নেই। কিন্তু প্রিয়রঞ্জন বাবুর মা ঠিকই আঁখির জন্য পায়েস বানিয়ে নিয়ে আসে।
অন্যদিকে ধারাবাহিকের একনায়কের এন্ট্রি হতে দেখা যায়। বিদেশ থেকে বাড়ি ফিরছে গৌরব, প্রিয়রঞ্জন কাঞ্জিলালের এক ছেলে। খুব অল্প বয়সে তার বাবা থাকে বিদেশে পড়াশোনার জন্য পাঠিয়ে দেয় তারপর থেকে তাকে দেশে আসতে দেয়নি। এত দিন তার মায়ের থেকে দূরে গিয়ে গৌরব অনেক কষ্ট যন্ত্রণা নিয়ে বড় হয়েছে। এত বছর পর দেশে ফিরেছে সে। বাড়ি ফেরার পথে তারা ধাক্কা লাগে ঝিলিকের বাইকের সাথে। ঝিলিকের গাড়ির হেডলাইট ভেঙে যাওয়া ঝিলিক তার কাছ থেকে জোর করে তাকে ভয় দেখিয়ে হাজার টাকা আদায় করে। ঝিলিকের এই ব্যবহারে বেশ বিরক্ত হয় গৌরব। ঝিলিককে বলে দেয় ঝিলিক যেন কখনো তার এই মুখটা নিয়ে গৌরবের সামনে না আসে।
আরও পড়ুনঃ “সবার সাথে সবকিছু করা যায় না”- অরিন্দম শীলকে নিয়ে মুখ খুললেন অরুণিমা!
এরপর বাড়ি আসার পথে তার বাবার কারখানায় ঝামেলা হতে দেখা যায়। সেখানে কর্মীরা ধর্নায় বসেছেন। কোন কিছুর বিনিময়ে তারা কাজ করতে চাইছেন না। তাই সেখানে কি ঝামেলা হচ্ছে দেখতে দাঁড়িয়ে পড়ে গৌরব। এরপর সেখানে এন্ট্রি হয় গল্পের আরেক নায়ক দেবার। দেবা কর্মচারীদের এই ধর্নার সমর্থনে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। গৌরব এই পরিস্থিতি দেখে এগিয়ে এসে কি হয়েছে সেটা জিজ্ঞাসা করো এগিয়ে আসে। তখন দেবা গৌরবকে বলে গরীবদের কষ্ট গৌরব বুঝবে না আর এই কারখানার মালিক কর্মচারীদের সাথে কি অত্যাচার করে সেটা সে কোনদিনই জানতে পারবে না। এরপরে গৌরব তাকে প্রিয়রঞ্জন কাঞ্জিলের ছেলে হিসেবে পরিচয় দেয়। এরপর দেখার অপেক্ষার গল্প কোন দিকে কিভাবে এগোয়।

