অবিশ্বাসে অন্ধ অনির্বাণ! মা-বাবার সামনেই রাইয়ের গায়ে হাত তুলল সে!

এটা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে গেলে সম্মান এবং বিশ্বাস এই দুটো জিনিস অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আর এই দুটো জিনিসের অভাবেই আজ চ’রম অসুখী জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। তার অবস্থার সাথে অনেক গৃহিণীদের অবস্থাই মিলে যায়। কারণ আমাদের সমাজের বহু পুরুষ ঠিক এভাবেই অবিশ্বাস করে তাদের অর্ধাঙ্গিনীকে।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, অবিশ্বাস করে কটু কথা বলে কষ্ট দেওয়াটা এক ধরনের মানসিক নি’র্যাতন। শারীরিক নির্যা’তনের পাশাপাশি মানসিক নির্যা’তনটাও যথেষ্ট লক্ষণীয় একটি বিষয়। কিন্তু এইবার এই মানসিক ভাবে কষ্ট দেওয়ার পাশাপাশি রাইয়ের গায়ে হাত তুলতেও একবারও ভাবলো না ধারাবাহিকের তথাকথিত নায়ক অনির্বাণ সেন। তার রাগ ঘৃণা এত প্রখর যে কোন কিছু করতেই এখন আর তার দ্বিধা বোধ হয় না।

Bengali serial

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ২৭ আগষ্ট (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 27 August)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, বাড়িতে ঢোকার সাথে সাথেই কিছু ঘৃণ্য জঘন্য কুরুচিকর শব্দ দিয়ে রাইকে আহ্বান জানায় সোহিনী। তার কথাগুলো শুনে রাইয়ের গা ঘিন ঘিন করে। এত ভদ্র সমাজের বাসিন্দা হয়েও যে কারোর মুখে এমন কথা বেরোতে পারে সেটা এর আগে অব্দি তার জানা ছিল না। কাকে নিয়ে বলছে এবং কার সামনে বলছে সেই সমস্ত জ্ঞান শূন্য হয়ে যা নয় তাই বলে যায় অনির্বাণের মা। আর নিজের মায়ের সমস্ত কথায় পূর্ণ সমর্থন জানায় অনির্বাণ।

রাইয়ের গায়ে হাত তুললো অনির্বাণ

রাই এর তীব্র প্রতিবাদ জানায়। কারণ নিজের পরিবারকে নিয়ে একটা কথাও সে শুনতে রাজি নয়। অনির্বাণ বলে, তার মা যেগুলো বলছে সেগুলো একেবারেই ভুল নয় বরং রাই যেটা করেছে সেটা অনেক বেশি জঘন্য একটা কাজ। রাই আর কোনোভাবেই এসব শুনে নিজেকে ছোট করতে চায়নি তাই সে তৎক্ষণাৎ সেখান থেকে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়। সময় অনির্বাণ জোর করে রাইয়ের হাত ধরে টেনে নিজের সামনে এনে দাঁড় করায় যাতে ব্যথা পায় রাই। গায়ে হাত তোলার বিষয়টা যাতে আরো দূর না এগোয়, তাই জন্য অনির্বাণকে এসে তাড়াতাড়ি থামায় তার বাবা-মা।

আরও পড়ুন: কুটনি পিপির কথা শুনে বাড়ি ছাড়লো মিহি! মেয়েকে কি খুঁজে পাবে মধুবনী?

এই গোটা ঘটনায় রাই বুঝে যায়, সে আবারও ভুল পথে হেঁটেছে। সে ঠিকই ভেবেছিল, সন্দেহ মানুষকে শেষ করে দেয় আর তার কাছের মানুষজনদেরও শেষ করে দেয়। রাই অনির্বাণকে বলে, ভাগ্যিস সে হোস্টেলের ঘরটা এখনো ছাড়েনি আর নিজের সুটকেসটা এখনো গুছিয়ে রাখেনি। অনির্বাণ রাগে অবিশ্বাসে রীতিমতো পাগলামি শুরু করে। ঘর থেকে বেরিয়ে যায় রাই। তার লড়াই এখন অনেক দিন অব্দি চলবে। সবার প্রথমে তাকে জানতে হবে তার কি হয়েছে। কারণ সেটা তার কাছে সব থেকে বড় বিষয়। পরিবারকে দেখতে গেলে তাকে নিজেকে সুস্থ রাখতে হবে।

Back to top button