কুটনি পিপির কথা শুনে বাড়ি ছাড়লো মিহি! মেয়েকে কি খুঁজে পাবে মধুবনী?

জি বাংলার (Zee Bangla) যে ধারাবাহিকটি শুরু থেকেই দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম হল কে প্রথম কাছে এসেছি (Ke Prothom Kache Esechi)। ধারাবাহিকটি শুরু হওয়ার পর থেকেই ছোট্ট মিহির অভিনয় মন জয় করে নিয়েছে দর্শকদের। মিহির ভূমিকায় অভিনয় করে দর্শকদের তাক লাগিয়ে দিয়েছে খুদে অভিনেত্রী রাধিকা কর্মকার (Radhika Karmakar)। তবে তাছাড়াও পর্দায় অভিনেত্রী মোহনা মাইতি (Mohona Maiti) এবং সায়ন বসুর (Sayan Bose) জুটিও ভীষণ পছন্দ করছেন দর্শকরা।
ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকে দেখা গেছে সেনগুপ্ত বাড়িতে বিয়ে করে এসেছে মধুবনী। কিন্তু ঋক ও মধুবনীর বিয়ের পর থেকেই একের পর এক সমস্যা শুরু করেছে মধুবনী ও মিহির জীবনে। সংসার সামলাতে গিয়ে মেয়েকে একদম সময় দিতে পারছে না মধুবনী। আর সেই কারণেই মধুবনী ও মিহির মাঝে তৈরি হয়েছে দূরত্ব। আর সেই ফাটল বাড়াচ্ছে মিহির দুষ্টু পিপি অর্থাৎ রুমি।

কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব ২৭ আগষ্ট (Ke Prothom Kache Esechi Today Episode 27 August)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা গেছে মধুবনীর অর্ডার দেওয়ার পর মিষ্টি দোকানে ফোন করে। অর্ডার বাতিল করে দেন মধুবনীর ছোট কাকি। আর সেই কারণেই নিজের হাতে রাধামাধবের জন্য মিষ্টি তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয় মধুবনী। গাঢ় দুধ জমিয়ে তৈরি করে রাবড়ি, দই। এরপরই মধুবনীর কাজ দেখতে চলে আসেন ছোট কাকি। তবে ছোট কাকির আগের ঘটনাগুলো মনে করিয়ে ছোট কাকিকে দিয়েই কাজ করাতে শুরু করে মধুবনী।
এদিকে মিহিকে নিজের ঘরে নিয়ে গিয়ে ফুসমন্তর দিতে থাকেন মিহির দুষ্টু পিপি রুমি। ঋক ও মধুবনীর বিরুদ্ধে উস্কে দেয় মিহিকে। সঙ্গে এও বলে মধুবনী যেন তার বাবার বাড়ি চলে যায়। অন্যদিকে দেখা যায় ঋক রান্নাঘরে এসে মধুবনীর বানানো মিষ্টি দেখে ভীষণ খুশি হয়। তারপরই চলে আসেন সুরমা সেনগুপ্ত। মধুবনীর ওপর রাগারাগি করলেন সময় মতো মধুবনী সব মিষ্টি বানিয়ে ফেলছে দেখে ভীষণ খুশি হন ঠাম্মি। নিজের একটি গলার হার পরিয়ে দেন মধুবনীকে।তারপর শুরু হয় পুজো। মিহিকে একা বসে থাকতে দেখে তাকে ডেকে নেয় মধুবনী।
আরো পড়ুন: বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে মধ্যরাতে ঘটালেন দুর্ঘটনা! তিনবার গ’র্ভপাত করেছেন স্ত্রী! প্রসঙ্গে কি যুক্তি দিলেন অভিনেতা সম্রাট মুখার্জী!
মায়ের ব্যবহারে কষ্ট পেয়ে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে গেল মিহি
তবে মায়ের সঙ্গে পুজোর বসতে নারাজ মিহি। মেয়েকে এইভাবে জেদ করতে দেখে তাকে ধমক দিয়ে নিয়ে যায় মধুবনী। মধুবনীর ব্যবহারে কষ্ট পেয়ে ঋককে ডাকতে শুরু করে মিহি। কিন্তু পুজোর কারণে ঋক শুনতে পায়নি মিহির আওয়াজ। তারপরই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় মিহি। আরতির সময় মেয়েকে না পেয়ে দিশাহারা হয়ে পড়ে মধুবনী। শুরু করে কান্নাকাটি। ঋক মধুবনীকে জানায় সে মিহিকে সৌভিকের কাছে নিয়ে গিয়েছিল। তখন মধুবনী জানান সৌভিক মিহির বাবা নয়। কথাটা মনে পড়তেই সৌভিককে ফোন করে ঋক। তবে ঋকের ফোন ধরেনি সৌভিক। মেয়েকে কি চিরতরে হারিয়ে ফেলল মধুবনী? জানা যাবে আসন্ন পর্বে।

