রুদ্রর মুখে ঝা’মা ঘষে বোধনের প্রথম প্রদীপ জ্বা’লল ফুলকি! জমে গেল আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্যায় সম্প্রচারিত এই মুহূর্তের সবথেকে জনপ্রিয় এবং মনোগ্রাহী ধারাবাহিকদের মধ্যে অন্যতম ধারাবাহিক হল ফুলকি (Phulki)। এই শুরু থেকে একেবারে শীর্ষে রাজ করে আসছে এই ধারাবাহিক। প্রায় প্রত্যেক সপ্তাহেই প্রথম পাঁচের শীর্ষে থাকে এই মেগা।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রুদ্ররূপ সান্যাল অনেকবার অনেক রকম ভাবে চেষ্টা করেছে ফুলকিকে এই পৃথিবী থেকে সরিয়ে ফেলার। কিন্তু বারবার সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এইবার সে ভেবেছিল আর হয়তো ফুলকি ফিরতে পারবে না। কারণ তার ফেরার সমস্ত রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে সে। কিন্তু এমন ভাবে ভুল প্রমাণিত হতে হবে সেটা হয়তো স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেনি রুদ্ররূপ সান্যাল।

Bengali serial

ফুলকি আজকের পর্ব ১৩ অক্টোবর (Phulki Today Episode 13 October)

ধারাবাহিক আজকের পর্বে দেখা যায়, রুদ্র রীতিমত পাগল হয়ে গিয়েছে। সে তার বোনকে বলতে থাকে, “কিভাবে এতবার চেষ্টা করার পরেও এত রকম কাজ করবার করার পরেও একটা মানুষ ফিরে আসতে পারে। আমি কিছুতেই বুঝতে পারছি না সেটা। ওই মেয়েটা আমার সামনে এসে আমার দিকে আঙ্গুল তুলে কথা বলেছে। ও বলেছে আমি নাকি এই সবকিছুর পেছনে রয়েছি। কি করে এরকমটা করতে পারে আমি জানিনা। আমার সাজানো সমস্ত চাল এভাবে বদলে দিচ্ছে ফুলকি। আমি শান্ত থাকতে পারছি না।”

এরপর সেখানে চলে আসি ঈশিতা। সে বলে, “এই মুহূর্তে এসব কিছু নিয়ে ভাবনা চিন্তা করলে চলবে না। আগে আমাদের ভাবতে হবে কিভাবে দিননাথের মুখ বন্ধ করা যায়। কারণ ও যদি একবার মুখ খোলে তাহলে সর্বনাশ। আজ হয়তো চুপ করে আছে কিন্তু কাল মুখ খুললেও খুলতে পারে।” রুদ্র বলে, এই মুহূর্তে ওকে মে’রে ফেলা সম্ভব নয়। তাই ওকে জেল থেকে ভাগিয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ রাঙামতিকে কাজের লোক বানাতে গিয়ে বিপাকে দুই বউ! আক্বুর কথা শুনে চিন্তায় পড়ল আহেলি!

অন্যদিকে, ফুলকির শাশুড়িমা ফুলকিকে বলে, বোধনের প্রথম প্রদীপটা ফুলকিকেই জ্বা’লাতে হবে। এই ঘটনায় খুব একটা সন্তুষ্ট হতে পারেনা হৈমন্তী। কিন্তু যেহেতু অরুণা অর্থাৎ রোহিতের মা এটাই মানত করেছিল ঠাকুরের কাছে তাই সে এতে বিশেষ বাধা দিতে পারে না। মায়ের সামনে প্রথম প্রদীপ জ্বা’লানোর মধ্যে দিয়েই বেজে ওঠে রুদ্রর বি’নাশের ঘণ্টা। ফুলকি ফিরে আসায় প্রত্যেকে ভীষণ খুশি হয়।

Back to top button