ফুলকি ফিরে আসায় বি’পাকে রুদ্র! প্রতিশোধ নিতে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ফুলকি

জি বাংলার (Zee Bangla) এই মুহূর্তের জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন বেশ কয়েকবছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকটি দর্শকের মনে বিশেষ জায়গায় করে নিয়েছে। ধারাবাহিকটি শুরু থেকে আজ পর্যন্ত নানান রকম টুইস্ট দেখানো হয়েছে গল্পে। তাই জন্য একটি দর্শকদের অত্যন্ত পছন্দের ধারাবাহিক। বর্তমানে তো ধারাবাহিকে আরো টানটার উত্তেজনা পর্ব চলছে।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে ফুলকিকে গু’লি করার পর নিশ্চিন্তে রয়েছে রুদ্র। যে ফুলকি ম’রে গিয়েছে তার আর কোন খোঁজ পাওয়া যাবে না। রুদ্রর চিরশত্রু একেবারেই নিঃ’শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ফুলকি যে একেবারে বুমেরাং হয়ে ফিরে আসবে সেটা নিজেও কল্পনা করেনি রুদ্র। ফুলকি গুলি খাওয়ার পর সেই ঝিলে পড়ে গিয়ে নালা থেকে বেরিয়ে যায়। সেখান থেকেই মন্দিরের পুরোহিত তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। তাই ফুলকি এই জয়রট বেঁ’চে যায়। আর রুদ্রকে শা’স্তি দেওয়ার জন্য ফিরে আসে।

ফুলকি আজকের পর্ব ১২ অক্টোবর (Phulki Today Episode 12 October)
ধারাবাহিক আজকের পর্বে দেখানো হবে ফুলকি ফিরে এসেছে তার নিজের বাড়িতে। ঝড় বৃষ্টির রাতে রুদ্র যখন দরজা বন্ধ করতে যায় তখন দেখে ফুলকি দাঁড়িয়ে রয়েছে দরজার বাইরে। ফুলকিকে হঠাৎ দেখে চমকে যায় রুদ্র। এরপরে সবাই একে একে এগিয়ে আসে, দেখে সত্যিই ফুলকি ফিরে এসেছে। প্রত্যেকেই ভীষণ খুশি ফুলকি ফিরে আসায়। এদিকে রুদ্র একেবারে অবাক হয়ে গিয়েছে সে বুঝতেই পারছে না ফুলকি কি করে আবার ফিরে আসলো। ফুলকিকে দরজায় দেখে হঠাৎ করে চমকে গিয়ে চিৎকার করে ওঠে ইশিতাও।
এরপরে সবাই ফুলকিকে নিয়ে ঘরে নিয়ে আসে এবং ফুলকির কাছে সব ঘটনা জানতে চায়। ফুলকি একবার ধীরে ধীরে সবাইকে সব ঘটনা বলতে থাকে। কিভাবে তার গায়ে গু’লি লাগলো, কিভাবে সে জলে পড়ে গেল। কিভাবে তাকে উদ্ধার করেছে একজন পুরোহিত সবটা। এরপরে ফুলকি এই সমস্ত কথাগুলো রুদ্রকে খুঁচিয়ে বলতে থাকে আর প্রতিবাদ করে ওঠে হৈমন্তী। ফুলকি বারবার রুদ্রকে এভাবে অপমান করে কথা শোনায় এগুলো একেবারেই পছন্দ নয় হৈমন্তীর। তাই ফুলকিকে একেবারেই পছন্দ করেন না। এদিকে ফুলকি রুদ্রকে বারবার জিজ্ঞাসা করতে থাকে যে ফুলকি যে বেঁচে আছে সেটার রুদ্র ভাবতেই পারেনি। ফুলকির কথায় রাগে চিৎকার করে ওঠে রুদ্র এবং বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে চায়। তখন ফুলকি রুদ্রকে আটকে দেয় আর অনেক কথা বলতে থাকে।
আরও পড়ুনঃ রাঙামতি আহেরি মুখোমুখি হতেই নতুন ঝড় নেমে এলো আক্কুর জীবনে
হৈমন্তী ফুলকির কথার প্রতিবাদ করে ওঠে, ইশিতাও রিয়াক্ট করে ফেলে ফুলকির কথাতে। এরপরে হৈমন্তী মাস্টার মশাইকে বলতে থাকে সবাই মিলে এভাবে রুদ্রকে অপমান করছে আর সেটা তিনি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছেন এটা তার থেকে আশা করেননি। তখন মাস্টার মশাই জানায় রুদ্রর রাজনৈতিক ময়দানে নামার পর তিনি এতগুলো রূপ দেখে নিয়েছেন যে কিছু আর বলার অপেক্ষা রাখে না। লাবুও তার বাবার কথা সমর্থন করে, লাবুও এখন নিজের স্বামী রুদ্রকেই চিনতে পারে না। এরপর জেঠু ফুলকি কে বলে বিশ্রাম নিতে। পুজোর পরে এই গোটা বিষয়টার তদন্ত সে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে করবে। রোহিতও ফুলকিকে কথা দেয় পুজোর পর এবং ফুলকি সুস্থ হয়ে গেলে আসল সত্যিটা তারা খুঁজে বের করবেই।

