ফের রায় চৌধুরী বাড়িতে ফুলকি! ভয় পেয়ে বে’ফাঁস রুদ্র! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) এই মুহূর্তের জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো ফুলকি (Phulki)। বহু মাস হয়ে গেল জি বাংলার পর্দায় বহাল তবিয়তে রাজ করছে এই ধারাবাহিক। যত দিন যাচ্ছে এই ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা আরও বেশি করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ধারাবাহিকটি এতটাই ভালো যে, শুরু হওয়ার পরের সপ্তাহ থেকেই প্রথম পাঁচে জায়গা করে নিয়েছে। তারপর থেকে এখনো অব্দি প্রথম পাঁচেই রয়েছে এই ধারাবাহিক। চলতি সপ্তাহে বেঙ্গল টপার হয়েছে এই মেগা।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে মায়ের মন্দিরে ফুলকি একটু একটু করে সুস্থ হয়ে উঠছে। কিন্তু তার সামনে এসে ধরা দেয়নি মাধবীলতা। কোন এক বিশেষ কারণে ফুলকির চোখের আড়ালেই থাকতে বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করছে সে। কারণ সে কোন এক অজানা টান অনুভব করছে ফুলকির সাথে। সেটা না বোঝা অব্দি সে কোন সিদ্ধান্ত নিতে চায় না। অন্যদিকে চিন্তায় চিন্তায় অস্থির হয়ে উঠছে ধারাবাহিকের নায়ক রোহিত।

ফুলকি আজকের পর্ব ১১ অক্টোবর (Phulki Today Episode 11 October)
ধারাবাহিক আজকের পর্বে দেখা যায়, একটা ঘরে চুপচাপ বসে আছে রোহিত। ফুলকির শাড়ি গুলোকে জড়িয়ে ধরে ফুলকির কথাই ভাবছে সে। এমন সময় ঘরে ঢুকে আসে তার মা। তার জন্য এক কাপ চা করে আনে। রোহিত কিছুই মুখে তুলছে না। রোহিতের মা ঘর থেকে চলে যেতে, এখানে চলে আসে তমাল পিয়াল, পায়েল আর ধানসিঁড়ি। তারা অনেকবার অনুরোধ করতে থাকে। এরপর পায়েলের কথায় শেষমেষ খেতে রাজি হয় রোহিত। রোহিত বলে সে যেখান থেকেই হোক ফুলকিকে খুঁজে বার করবেই।
অন্যদিকে ফুলকিকে খাবার খাইয়ে দেয়, মন্দিরের পুরোহিত মশায়ের স্ত্রী। ফুলকি কিছু গোপন না করে সরাসরি তাকে বলে, তার মনে হচ্ছে কেউ তাকে আড়াল থেকে নজর রাখছে। ফুলকির ধারণা মিথ্যা নয়। তার ওপর সত্যি করেই নজর আছে মাধবীলতা। ফুলকিকে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে আসার কথা উঠলে ফুলকি বলে, সে একাই যাবে আর যে শাড়িটা পরে এসেছিল সেই শাড়িটাই পরে যাবে। যদি তার ধারণা সত্যি হয় তাহলে যে এই কান্ড ঘটিয়েছে সে তাকে দেখে ভূত দেখার মতন করে চমকে যাবে।
আরও পড়ুনঃ রাঙামতির সমস্ত দায়িত্ব নিল আক্কু! মুখে ঝা’মা ঘষে দিল সুব্রতর!
এদিকে দেখা যায় হৈমন্তী বাড়িতে ঘটা করে দুর্গাপুজো করার জন্য ব্যস্ত হয়ে উঠেছে। জেঠু মনি এসব কিছুই করতে চায় না কিন্তু হৈমন্তী জোর করতে থাকে। বাড়িতে উৎসব না করলে তার শান্তি হয় না। এমন সময় রোহিতের মা বলে, বাড়িতেই পুজো হবে। আর মাতৃ বোধনের প্রথম প্রদীপ জ্বালবে ফুলকি। কথাটা একেবারেই পছন্দ হয় না হৈমন্তীর, কারণ সে চায় ফুলকি যেন আর কোনদিনও না ফিরে। এরপর হঠাৎ করেই ঝড় ওঠে। রায়চৌধুরী বাড়িতে প্রবেশ করে ফুলকি। কারেন্ট চলে যাওয়ায় সবাই মোবাইল ফোনের ফ্ল্যাশ জ্বেলে সেই ঘটনা দেখে। ফুলকিকে দেখে অবস্থা খারাপ হয়ে যায় রুদ্রর।

