রাঙামতির সমস্ত দায়িত্ব নিল আক্কু! মুখে ঝা’মা ঘষে দিল সুব্রতর!

বাংলা নতুন ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো স্টার জলসার (Star jalsha) ‘রাঙামতি তীরন্দাজ’ (Rangamoti Tirandaj)। সেপ্টেম্বরের শেষ দিনে শুরু হয়েছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিক একেবারে নতুন একটি জুটিকে দেখা যাচ্ছে। এছাড়াও ধারাবাহিকের অভিনেত্রীও দর্শকমহলে একেবারেই নতুন। নায়িকা চরিত্রে থাকছে মনীষা মন্ডল, তিনি অভিনয় জগতে একেবারেই নাবাকতা একজন অভিনেত্রী। দর্শক এই নতুন জুটিকে কতটা ভালোবাসা দেয় সেটাই ধরা পড়বে সাপ্তাহিক টিআরপি তালিকায়।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখা যায় রাঙামতিকে সহদেব চ’ক্রান্ত করে লুকিয়ে রাখে। আক্কুর দাদা বৌদিরাও এটাই চেয়েছিল। কারণ তারা কোনভাবেই চায় না তাদের মা বা শাশুড়ি মায়ের নজর তাদের উপর থেকে সরে যাক। কিন্তু তাদের পরিকল্পনায় জল ঢেলে রাঙামতিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় ধারাবাহিকের নায়ক অর্থাৎ আক্কু। রাঙামতিকে পিতৃহারা হয়েছে। তাই তাকে আগলে রাখার সমস্ত দায়িত্ব নেয় টিচার দিদিমণি।

Bengali serial

রাঙামতি তীরন্দাজ আজকের পর্ব ১১ অক্টোবর (Rangamoti Tirandaj Today Episode11 October)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সবাই রওনা দিয়ে দিয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি রাঙামতিকে নিয়ে গ্রাম ছেড়ে কলকাতার বাড়িতে পৌঁছে যাবে তার টিচার দিদিমণি। রাঙামতি তাদের সঙ্গে তাদের বাড়িতে আসছে এবং তার দায়িত্ব নিয়েছে টিচার দিদিমণি এই বিষয়টা একেবারেই ভালো চোখে দেখছে না পরিবারের বেশ কিছু সদস্য। কারণ রাঙামতি চেপে বসলে তাদের ভাগে সম্পত্তির পরিমাণ কমে যাবে। তাই এক টাকাও এদিক ওদিক হোক সেটা চায় না তারা। ছেলে মেয়ে এবং ছেলের বউ সবাই এখন নজর দিয়ে বসে রয়েছে সেই বিষয় সম্পত্তিতে।

বাড়ি ঢুকে আক্কু নিজের প্রেমিকাকে ফোন করে। কিন্তু তাকে ফোনে পায়না সে। তার ফোনটা বন্ধ থাকায় বেশ চিন্তায় পড়ে আক্কু। গতকাল রাঙামতিকে নিয়ে চিন্তায় থাকায় সে আর নিজের প্রেমিকার খোঁজে নিতে পারেনি। এদিকে বাড়িতে ঢুকতে না ঢুকতেই রাঙামতিকে নিয়ে সবার অভিযোগ শুরু হয়ে যায়। সে পরিবারের জন্য কতটা ভালো, কতটা মঙ্গলজনক সেটাও একটা বড় বিষয় হয়ে ওঠে প্রত্যেকের কাছে। কারণ সবাই সবার আখের গোছাতে ব্যস্ত।

আরও পড়ুনঃ একবার আঁখি একবার ঝিলিক, কোনটা কে বোঝা দায়! চ’রম ধন্দ্বে দেবা-গৌরব!

সুব্রত বলে এক ব্যক্তি, রাঙামতির নামে বেশ কিছু কথা বলে। সে সবার সামনে বলে, মঙ্গল আমঙ্গলের একটা ব্যাপার আছে। তাই একবার ওই মেয়েটির জন্ম কুণ্ডলী যাচাই করে নেওয়া উচিত। তাতে এটা স্পষ্ট হবে যে ও আগামী দিনে কি করতে পারবে আর কি করতে পারবে না। এই কথা শুনে আক্কু বলে, “এই বিষয়ে তোমায় মাথা না ঘামেলেও চলবে। রাঙামতি ভবিষ্যতে কি করবে সেটা ঠিক করবে আমার মা। কোন জন্ম কুণ্ডলী যাচাই করার দরকার নেই।” এরপর আক্কুর বোন রাঙামতিকে নিয়ে উপরে চলে যায়।

Back to top button