পারুলই হয়ে উঠল রায়ানের নন্দিনী! রক্তকরবী নাটকে রায়ানের নায়িকা পারুল! ভোকাট্টা শিরিন! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।
ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে পারুল পড়তে পড়তে তূর্যর বলা কথাগুলো ভাবতে থাকে। আসলে পারুলের মনে একটা খটকা তৈরি হয়েছে। তূর্যর কথার যেন কোন মিল পাচ্ছে না সে। তাই জন্য সেই কথাই ভাবতে থাকে। আর তখনই রায়ান ঘরে এসে পারুলকে সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ জানায় এবং তাকে চকলেট আর পেন উপহার দেয়। রায়ানের কাছ থেকে এই উপহার পেয়ে পারুল তো অবাক হয়ে যায়। কারন সচরাচর পারুলের সাথে রায়ান এত ভালো ব্যবহার করে না। তবে রায়ান কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে জানে তার পরিবারের জন্য পারুল যা যা করেছেন তার জন্যই এই ছোট্ট উপহার পারুলের প্রাপ্য।

এদিকে পারুল তো রায়ানের থেকে এই উপহার পেয়ে ভীষণ খুশি। রায়ানের প্রতি যে তার একটা ভালোলাগা তৈরি হচ্ছে সেটা বোঝাই যাচ্ছে। এরপর পারুল ডায়েরিতে রায়ানের দেওয়া পেন দিয়ে রায়ানের নাম লেখে। তখনই পারুল রায়ানের সুন্দর মুহূর্ত দেখা যায়। রায়ান তখন সরাসরি পারুলকে জিজ্ঞাসা করে রায়ানের প্রতি পারুলের কোনো ভালোলাগা তৈরি হয়েছে কিনা। তখন পারুল অস্বীকার করে কথা ঘুরিয়ে নেয়।
অন্যদিকে গোপাল রুক্মিণী এত উদ্যোগ নিয়ে মালতির পড়াশোনার ব্যবস্থা করছিল তাকে আবার নতুন করে পড়াশোনা শেখানোর জন্য উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু মালতি রাজি থাকলেও তার স্বামী কিছুতেই রাজি নয় এই ব্যাপারে। তার স্বামী দিনরাত মদ থেকে মারধর করে তাকে অত্যাচার করে। কিন্তু মালতি পড়াশোনা করতে চায়। কিন্তু তার সেই ইচ্ছের কোন মূল্যই দেয় না তার স্বামী। গোপালরা যখন তাকে নিয়ে আবার নতুন করে স্কুলে ভর্তি করাতে যাচ্ছিল তখনই তার মাতাল বর এসে বাধা দেয়। মালতিকে টানতে টানতে ঘরে নিয়ে গিয়ে মারধর করতে শুরু করে।
আরও পড়ুনঃ সফল হলো না রাণীমার চাল! জমের মুখ থেকে নিজের বাবাকে ফিরিয়ে আনলো ফুলকি! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
ওইদিকে পারুল রায়ানের ক্লাসের শেষে স্যার এসে বলে প্রতিবছরের মতো এবারও কলেজে রবীন্দ্র জয়ন্তী উদযাপন করা হবে। আর সেইজন্য রায়ানকে দায়িত্ব দেওয়া হয় যাতে রায়ান এই অনুষ্ঠানের দায়িত্ব নেয়। এবারে মূল আকর্ষণ হলো নাটক। আর সেটা পরিচালনা করার দায়িত্ব রায়ানের। আর পারুল রায়ানের দুজনেরই পছন্দ রক্তকরবী। কিন্তু বসু বাড়িতে এইসব স্বপ্ন দেখা বারণ। তাই পারুল রায়ানকে কথা দেয় রায়ানের এই স্বপ্ন পূরণের জন্য পারুল তার পাশে থাকবে। আর ওই নাটকে নন্দিনীর চরিত্রের জন্য সবাই অভিনয় করতে চাইলেও রায়ানের মনে মনে পারুলের ছবি ভেসে ওঠে। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

