সৃজনকে বাঁচাতে এক হল শাশুড়িকরেছেন বৌমা! নিজের পর্ণাকে প্রথমবার মন থেকে মেনে নিল কৃষ্ণা! প্রকাশ্যে নতুন প্রোমো!

বর্তমানে এক্কেবারে জমজমাট জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘নিম ফুলের মধু’ (Neem Phuler Modhu)। ধারাবাহিকে বর্তমানে টানটান উত্তেজনা পর্ব দেখানো হচ্ছে। সেই কারণেই শেষ সপ্তাহ থেকে ধারাবাহিকের বেশ জনপ্রিয়তা বেড়েছে। দুর্দান্ত ফলাফল করেছে টিআরপি তালিকায়।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে পুঁটিকে যেই ডাকাতের ডেরায় আটকে রাখা হয়েছিল সেখানে পৌঁছায় পর্ণা। সেখানেই ছদ্মবেশে পৌঁছে পর্ণা, সৃজন মিলে উদ্ধার করে পুঁটিকে। ইশা আসলে পুঁটিকে পাচার করে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু সেই প্লান ভেস্তে যায় ইশার। পুঁটি গিয়ে পরে ডাকাত সর্দারের হাতে। সেখানেই আটক করে রাখা হয়েছিল পুঁটির। কিন্তু পর্ণা ঠিক নিজের মেয়েকে খুঁজে বার করে। পুলিশের সাহায্য নিয়ে ডাকাতের ডেরা থেকে পুঁটিকে নিয়ে বেরিয়ে আসে পর্ণা।
পুঁটিকে উদ্ধার করতে পারলেও ইশাকে ধরতে পারে না পুলিশ। ইশা ঠিক পালিয়ে বেরিয়ে আসে। এরপরে পুঁটি গিয়ে সমস্ত সাক্ষ্য প্রমাণ দেয় থানায়। সেই মতো পুলিশের লোকজন ইশাকে গ্রেফতার করার জন্য যায় কিন্তু ইশা পালিয়ে যায়। ইশা আগে থেকে জানতে পেরে পালিয়ে যায়। ইশাকে ধরার জন্যই পর্ণা নানান রকম প্ল্যান করতে থাকে। পর্ণার সন্দেহ হয় একটি পোড়ো বাড়িতে লুকিয়ে রয়েছে পর্ণা।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হয়েছে পর্ণা একজন নর্তকী সেজে ওই পোড়ো বাড়িতে যায় ইশাকে ভয় দেখাতে। কারণ ওই পোড়ো বাড়িতে একজন নর্তকীর অস্বাভাবিক মৃ’ত্যু হয়েছিল। আর সেই ভয় দেখিয়েই ইশাকে নিজের জালে ফাঁসাবে পর্ণা। এরপর পর্ণা একজন মৃত নর্তকী সেজে ঈশাকে ভয় দেখাতে থাকে। ইশা তো সত্যিকারের ঘটনা ভেবে ভয় পোড়ো বাড়ি থেকে পালাতে থাকে। আর পোড়ো বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে ইশা পড়ে পুলিশের মুখে। এদিকে ইশা বুঝতে পারে সমস্তটাই থাকে ফাঁদে ফেলার জন্য করা হয়েছে। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে, ধরা পড়ে গেছে ইশা।
আরও পড়ুন: বিরাট বড় ষ’ড়যন্ত্রে ফেঁ’সে গেল আনন্দী, তাকে বাড়ি থেকে তাড়াতে মোক্ষম চাল চলল নন্দিনী!
প্রকাশ্যে এলো ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো ভিডিও
এরই মধ্যে ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো ভিডিও সামনে এসেছে। সে প্রোমো ভিডিওতে দেখা গিয়েছে ইশাকে পুলিশ গ্রেফতার করার পর ইশা নিজেকে রক্ষা করতে পুলিশের হাত থেকে বন্দুক নিয়ে পর্ণাকে গুলি করতে যায়। পর্ণাকে বাঁচাতে গিয়ে সৃজনের গায়ে গুলি লাগে। সৃজনকে ভর্তি করা হয় নার্সিংহোমে। ডাক্তার জানিয়ে দেয় সৃজনের অবস্থা খুবই খারাপ, তাই ভগবানের উপরে ভরসা রাখতে। তাই পর্ণা এবং কৃষ্ণা দুজনে মিলে ভগবানের কাছে প্রার্থনা করতে যায়। সেখানে পুরোহিত জানায় সৃজনকে সবথেকে বেশি যে ভালোবাসে তাকে সারা রাত ঠাকুরের মন্দিরের ঘন্টা বাজাতে হবে। সেই সময় কৃষ্ণার মনে হয় আজকাল কৃষ্ণার থেকেও বেশি পর্ণা সৃজনকে বেশি ভালোবাসে। তাই পর্ণার অধিকার এই ঘন্টা বাজানোর। পর্ণা তখন কৃষ্ণাকে জানায় তারা দুজন একসঙ্গে সৃজনের জন্য প্রার্থনা করবে, তারা একসঙ্গে এই ঘণ্টা বাজাবে। আর ধারাবাহিকের এই শাশুড়ি বৌমার মহামিলন পর্ব দেখানো হবে আগামী দিনে।
View this post on Instagram

