বিরাট বড় ষ’ড়যন্ত্রে ফেঁ’সে গেল আনন্দী, তাকে বাড়ি থেকে তাড়াতে মোক্ষম চাল চলল নন্দিনী!

আদি আনন্দীর জীবনের গল্প নিয়ে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে আনন্দী (Anondi)। ধারাবাহিকটি শুরু হয়েছে মাত্র কয়েকমাস হয়েছে। তবে এই অল্প সময়ের মধ্যে ধারাবাহিকের গল্প দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। ধারাবাহিকটি প্রতি সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় ভালো স্লট পাচ্ছে এবং প্রতি সপ্তাহে ভালো ফলাফল করেছে। ধারাবাহিক যত এগোচ্ছে তত নতুন নতুন টুইস্ট দেখা যাচ্ছে গল্পে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আনন্দী চম্পাহাটিতে গিয়েছিল নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য প্রমাণ খুঁজতে। এদিকে আদিকে সমস্ত ঘটনা জানিয়ে চম্পাহাটিতে নিজের বাড়িতে এসেছিল আনন্দী। তবে হঠাৎই খবরে শোনা যায় চম্পাহাটি যাওয়ার পথে একটি বাস দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় অনেকের, আহত হয় অনেকে। সেই খবর জানতে পেরেই আদি ছুটে যায় আনন্দীকে খুঁজতে। কারণ আনন্দী ওই একই বাসে চাম্পাহাটি যাচ্ছিল। তাই আনন্দীকে খুঁজতে আদি ছুটে যায় সেখানে। কিন্তু সেখানে আনন্দীকে খুঁজে পায় না। তখনই আনন্দীর দাদা রকেট এসে আদির নামে যা নয় তাই বলতে থাকে। সেখানে উপস্থিত পুলিশ আনন্দীর দাদার কথা শুনে আদিকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

Anondi, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali Telivision, আনন্দী, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন

আনন্দী আজকের পর্ব ১৫ নভেম্বর (Anondi Today Episode 15 November)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আদিকে পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে গেলে আদি পুলিশকে বারবার বোঝাতে থাকে যে সে কিছু করেনি সে নির্দোষ। কিন্তু আদির কথা কেউ বিশ্বাস করতে চায় না। এদিকে তিতির বারবার বলতে থাকে এই সমস্ত কিছু আনন্দী ইচ্ছে করে করছে আদিকে ফাঁসাচ্ছে। এরপর তিতির যায় আদিকে ছাড়ানোর জন্য উকিল খুঁজে আনতে। এর মধ্যে আনন্দীর দাদা এসে থানায় আদির ওপরে চোটপাট করতে থাকে। এমন একটা ভাব করে যেন তার বোনের জন্য তার কত চিন্তা।

নন্দিনীর প্ল্যান অনুযায়ী আবারও ফেঁসে গেল আনন্দী

এই সবটাই যে নন্দিনীর প্ল্যান সেটা বোঝাই যায়। নন্দিনী ইচ্ছে করে এই সমস্ত ঘটনা ঘটিয়েছে আনন্দীকে ফাঁসানোর জন্য সেটা বোঝাই যায়। সেই আনন্দীর দাদাকে এসবের বিরুদ্ধে উস্কে দিয়েছে। এরপরে নন্দিনী অনিরুদ্ধকে এই সমস্ত ঘটনা দেখিয়ে তাকে আরো রাগিয়ে দেয়। এমনিতেই আনন্দীকে বাড়িতে অনেকেই পছন্দ করে না তার মধ্যে এরকম একটা ঘটনা জানতে পেরে তো অনিরুদ্ধ ভীষণই রেগে যায়। এদিকে বিজয়া চিন্তা করতে থাকে বাড়িতে, সেই সময় অনিরুদ্ধ এসে বিজয়াকে জানায় আদিকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এসব শুনে তো ভীষণভাবে ভয় পেয়ে যায় বিজয়া।

আরও পড়ুন: একাধিক রোগে জর্জরিত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অভিনেত্রী অন্বেষা হাজরা! তবে কি আনন্দী থেকেও বিদায় নিচ্ছেন তিনি?

এদিকে নন্দিনী চৈতি সবাই মিলে আনন্দীকে দোষারোপ করতে থাকে। আনন্দীর বিরুদ্ধে সবার মনে সন্দেহ তৈরি করতে থাকে। এরপরে নন্দিনীর জানায় আনন্দী গেলে খালি হাতে যাবে না। নিশ্চয়ই কোন দামী জিনিস বাড়ি থেকে সরিয়ে নিয়ে গেছে। এর পরেই দেখা যায় ঠাকুরের সমস্ত গয়না ঠিক আছে কিনা সেটা দেখার জন্য চৈতি সব গয়না নিয়ে আসে। সেখান থেকেই হঠাৎ সাতনূরী নেকলেস খুঁজে পাওয়া যায় না। আর খুব স্বাভাবিকভাবে আনন্দীর উপরেই দোষ গিয়ে পড়ে। অনেক দিকে তিতির উকিল নিয়ে এসে আদিকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় থানা থেকে। তিতির আদিকে বোঝাতে থাকে আনন্দীর এই সমস্ত কিছু প্ল্যান। এমনকি আনন্দী বাড়ি থেকে পালানোর আগে তাদের বাড়ির সাতনূরী নেকলেস নিয়ে পালিয়েছে।

Back to top button