“এই প্রতিজ্ঞার ঘেরাটোপ থেকে আমি তোকে মুক্তি দিচ্ছি”- মেঘের মনের কথা জানতে পেরে তাকে নীলের হাতে তুলে দিল অনিন্দ্য!

বাবা মায়েরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের সন্তানদের মনের কথা বুঝতে পারে। যখন তারা বুঝতে পারে যে তারা যেটা চাইছে সেটা তাদের সন্তানরা চাইছে না, তখন কখনোই কোনো আদর্শ বাবা মা সেই জিনিসটা তাদের সন্তানের ওপর চাপিয়ে দেয় না। আর ঠিক তেমনই একজন আদর্শ বাবার ভূমিকা পালন করতে দেখা গেল জি বাংলার (Zee Bangla) চ্যানেলের ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul) ধারাবাহিকে মেঘের বাপিকে।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, অপমান অসম্মান থেকে বাঁচতে নিজেকে শেষ করে দিতে চাইলেও সেটা করতে পারেনি মেঘ। এরপর নীল আর জিনের প্রচেষ্টায় সমস্ত কলঙ্ক থেকে মুক্ত হয়েছে সে। তারপরে বেশ কটা দিন কেটে গিয়েছে। দেখতে দেখতে সেই দিনটা চলে এসেছে যেদিন মেঘ নীলের সাথে সমস্ত সম্পর্কের ইতি টানবে।
আরো পড়ুন: দেবুর প্ল্যানে জল ঢেলে কৌশিকীকে বাঁচালো জ্যাস, প্রথমেই দিব্যা সেনের উপর কোপ পড়লো জগদ্ধাত্রীর!
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, বেশ কয়েকবার নীলকে বলে মেঘের সাথে কথা বলতে কিন্তু নীল আর কোনোভাবেই মেঘকে জোর করতে চায় না। সে বলে মেঘ যেটা করবে ভেবেচিন্তেই করবে, যদি মেঘ না ফেরে তাহলে এটাই প্রমাণ হবে যে সে কখনো ফিরতে চায়নি।
পরের দিন ডিভোর্স দিতে যাওয়ার সময় অদ্ভুতভাবে শান্ত থাকে নীল। ঠাম্মি নীলের চাইতে অনেক বেশি পাগলামি শুরু করে কারণ সে কিছুতেই এই বিচ্ছেদ মেনে নিতে পারছে না। এরপর নীলের একটা ফোন আসে যেখানকার কথোপকথনে বোঝা যায় নীল কোথাও একটা যেতে চলেছে আর তারপর সে সবাইকে জানায় দিল্লি চলে যাচ্ছে সে। অর্থাৎ ডিভোর্সটা হয়ে গেলে সে আর এখানে থাকবে না এমনটাই পরিকল্পনা করেছে নীল।
অন্যদিকে মধুমিতা মেঘ কে বোঝাতে থাকে, সব সময় নিজের মনের কথা শোনা উচিত। তখন ঘরে আসে অনিন্দ্য এবং মেঘকে জিজ্ঞাসা করে সে কেন নীলকে তার জীবনে আসতে দিচ্ছে না? মেঘ বলে, তার বাবা তার ভালোর জন্য যেটা বলেছে সেটা সে শুনবে। সবাইকে অবাক করে দিয়ে অনিন্দ্য বলে, “এই প্রতিজ্ঞার ঘেরাটোপ থেকে আমি তোকে মুক্ত করলাম।” অনিন্দ্যের কথায় উজ্জ্বল হয়ে ওঠে মধুমিতার মুখ। তবে কি এবার ফিরবে মেঘ জীবনে?

