খেতে বসে লেগে গেলো দক্ষ যজ্ঞ! স্রোত সার্থকের ঝগড়া থামাতে একি করলো আঙ্কেল!

বর্তমানে বাংলা ধারাবাহিকের চ্যানেলগুলিতে ধারাবাহিকের ছড়াছড়ি। একটি শেষ হতে না হতেই তার জায়গা নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকে আরও পাঁচটা মেগা। কোনটা ছেড়ে কোনটা দেখা উচিত সেই নিয়ে রীতিমতো হিমশিম খায় বাংলার দর্শক মহল। এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে দর্শকদের কাছে। এই ধারাবাহিকের নায়িকা রাই এখন ধারাবাহিকপ্রেমী মানুষদের মধ্যমণি। এই চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই আবার নিজের অফিস যাওয়া শুরু করেছে। প্রথম দিন অফিস যেতেই তার কাছে নিজের পায়ে হেঁটে এসেছে এক সুবর্ণ সুযোগ। এসেছে একটা বিরাট সুসংবাদ। রাই এই বছর সবথেকে সেরা কর্মচারীদের মধ্যে অন্যতম হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে সমর্থ্য হয়েছে। এটা শোনার পর থেকেই রাইয়ের মন আনন্দ ভরে গেছে। সে কখনো নিজের জীবনে এত বড় একটা সম্মান পেতে পারে এটা কখনো ভাবতেই পারেনি।

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ২০ সেপ্টেম্বর (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 20 September)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাই নিজের সব থেকে আনন্দের দিনটা স্রোতের সাথে ভাগ করে নেয়। নিজের দিদির এত বড় উন্নতি এবং এত বড় সম্মান পাওয়ার কথা শুনে ভীষণ খুশি হয়ে যায় স্রোত। এরপর সে বলে, সে তার দিদিভাইকে বাড়িতে ছেড়ে একবার সার্থক স্যারের বাড়িতে যাবে। এটা শুনেই আবার রসিকতা করতে শুরু করে রাই। গোটা ঘটনায় বেশ লজ্জা পায় স্রোত। তারপর রাই গাড়ি থেকে নেমে গেলে স্রোত স্যারের বাড়ির দিকে রওনা দেয়। কারণ আঙ্কেল তাকে নেমন্তন্ন করেছে।
স্রোত তার সার্থক স্যারের বাড়িতে গিয়ে পৌঁছতেই আঙ্কেল ভীষণ খুশি হয়ে যায়। সে সকাল থেকে সমস্ত কিছু জোগাড় করে রান্না করে স্রোতের জন্যই বসেছিল। বাবার কথা মতন কলেজ থেকে সোজা বাড়ি ফিরে আসে সার্থক। দুজনের মুখোমুখি হয়। কোনরকমে তাদের ঝামেলা আটকায় আঙ্কেল। এরপর তারা খেতে বসে। আঙ্কেলের তৈরি করা খাবার খেয়ে খুব ভালো লাগে স্রোতের। আঙ্কেল যে এত ভালো রান্না করতে পারে সেটা আগে কখনো বুঝতে পারেনি। স্রোত এসেছে এটা দেখে বেশ ভালো লাগে সার্থকের। কিন্তু মুখে কিছুই বলে উঠতে পারে না। খাবার টেবিলে আবার তাদের মধ্যে একচোট ঝামেলা লেগে যায়।
আরও পড়ুনঃ মধুবণীর কোলে ফিরল মিহি! রাগী ঠামের ভন্ডামি ফাঁস করল ছোট্ট মিহি!
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অনির্বাণ
অন্যদিকে রাইয়ের অফিসে আগামীকাল যে অনুষ্ঠানটার আয়োজন করা হয়েছে সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয় অনির্বাণকে। শুধুমাত্র বিশিষ্ট অতিথি নয়, তার পাশাপাশি পুরস্কার বিতরণীতেও অনির্বাণকে অংশগ্রহণ করতে হবে বলে জানানো হয় সেই অফিস থেকে। যেহেতু অনির্বাণ শহরের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি তাই তার কাছে প্রথম আমন্ত্রণপত্র যায়। অফিসের নামটা শুনেই অনির্বাণ বুঝে যায় এই অফিসেই রাই চাকরি করে। সে মনে মনে ভাবে, রাইও কি ঐদিন অফিসে উপস্থিত থাকবে? আবার কি তাদের মুখোমুখি দেখা হবে? সে এখনো জানেনা এর মধ্যে একটা পুরস্কার রাইয়ের প্রাপ্য।

