মধুবণীর কোলে ফিরল মিহি! রাগী ঠামের ভন্ডামি ফাঁস করল ছোট্ট মিহি!

জি বাংলার (Zee Bangla) সবে সবে শুরু হওয়া ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘কে প্রথম কাছে এসেছি’ (Ke prothom kache esechi)। ধারাবাহিকটি মাত্র কয়েক মাস আগেই শুরু হয়েছে টেলিভিশনের পর্দায়। কিন্তু ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা ততটা নয় দর্শকমহলে। ধারাবাহিকের গল্প দর্শকদের মন জয় করতে পারেনি এই কয়েক মাসে। ধারাবাহিকের দুই কেন্দ্রীয় চরিত্র ঋকদেব এবং মধুবণী চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে অভিনেতা সায়ক বোস (Sayan Bose) এবং অভিনেত্রী মোহনা মাইতিকে (Mohana Maiti)

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে মধুবণী শত বাধা দেওয়ার সত্ত্বেও ঋকদেবের রাঙা কাকা ও রাঙা কাকিমা জোর করে মিহিকে আমেরিকা নিয়ে যেতে চাইছে তাদের সঙ্গে। মধুবণী বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাদের আইনের কথা বলে মুখ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। বাড়ির সকলে মিলেও তাদের বোঝাতে পারেনি। এত বছর বাদে এসে হঠাৎ করে মিহির প্রতি ভালোবাসা জেগে উঠেছে তাদের। তাই বাধ্য হয়েই মধুবণী বুকে পাথর চাপা দিয়ে তাদের বলে মিহিকে নিয়ে যাবার জন্য এদিকে ভেতরে ভেতরে সে শেষ হয়ে যাচ্ছে।

Bengali serial

কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব ২০ সেপ্টেম্বর (Ke Prothom Kache Esechi Today’s episode 20 September)

আজকে ধারাবাহিকের পর্বে দেখানো হবে মিহির চলে যাওয়া মধুবণী কিছুতেই দেখতে পারবে না তাই নিজেকে ঘর বন্দি করে ফেলে। এদিকে ঋকদেব এবং মিহি দুজনেই বারবার দরজা খুলতে অনুরোধ করে তাকে কিন্তু মেয়ের কথাতেও দরজা খোলে না মধুবণী। এরপরে রাঙা কাকা এবং কাকিমা এসে মিহিকে নিয়ে চলে যায়। মিহিকে নিয়ে তারা একটি হোটেলে যায়, সেখান থেকে পরের দিন তারা বেরিয়ে যাবে আমেরিকায় উদ্দেশ্যে। কিন্তু মিহির ভিসা বা পাসপোর্ট কিছুই নেই তাই জন্য সেই ব্যবস্থা করতে থাকে রাঙা কাকা। অন্যদিকে মিহির সমস্ত ওষুধপত্র, ইনহেলার, সুগার মাপার যন্ত্র কিছুই আনেনি তারা। এই নিয়ে নানান রকম প্রশ্ন করতে থাকে মিহি। সে বলতে থাকে সে কি খায় না খায় তারা তো কিছুই জানেনা। মিহি কখন কোন ওষুধ টা কখন খায় সেটাও তো তারা জানে না। যদি মিহির শরীর খারাপ হয় তখন তারা কি করবে? আর এই সমস্ত প্রশ্নে নাজেহাল আর হয়ে ওঠে দুজনে।

মিহির এই সমস্ত প্রশ্ন শুনে রাঙা কাকা বলে ওঠে এই মেয়েকে নিয়ে বড্ড ঝামেলা। তখন মিহি বলে সমস্ত ওষুধ খাবার সবকিছু ছাড়াই সে বাঁচতে পারবে কিন্তু মাম্মা কে ছাড়া সে কিছুতেই থাকতে পারবে না একদিনও। এই কথাটা যেন সরাসরি বুকে গিয়ে লাগে তাদের। অন্যদিকে মধুবণী বারবার বলে মিহিকে তার কাছে নিয়ে আসতে, সে ভুল করেছে সে মিহির কাছে যাবে। আর ঠিক তখনই দেখা যায় মিহি ছুটে এসে জড়িয়ে ধরে মধুবণীকে।

মিহিকে কাছে পেয়ে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে মধুবণী। তারপরেই ঘরে ঢুকে রাঙা কাকিমা। ঘরে ঢুকে বলে তার অনেক বড় ভুল হয়ে গেছে মিহিকে নিয়ে যাওয়া তার উচিত হয়নি। সে মিহির একটা কথাতে বুঝতে পেরেছে নিজের ভুলটা। মিহি বলেছে সে ওষুধ ছাড়া বাঁচতে পারবে কিন্তু তার মাম্মাকে ছাড়া নয়। চার বছর আগে নিজের মেয়েকে ফেলে চলে গিয়েছিল তারা তার শাস্তি হয়তো ভগবান তাকে এখন দিচ্ছে। তাদের অনেক টাকা তো রয়েছে। কিন্তু সন্তান সুখ নেই। এরপরই তিনি মধুবণীকে জিজ্ঞাসা করে যখনই তার মিহিকে দেখতে ইচ্ছে হবে মধুবণী যেন তাদের আসতে দেয়। এই কথা শোনার পর মধুবণীও রাজি হয়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ গুরুতর অসুস্থ, অস্ত্রোপচার! বাধ্য হয়ে মুখ বদল ‘মিঠিঝোরা’ নায়কের!

এরপরে মিহি বাড়িতে গিয়ে প্রথমে তার মাকে জানায় মিহিকে যখন কিডন্যাপ করে নিয়ে গেছিল দুষ্টু লোকেরা তখন সে ওখানে রাগী ঠাম্ম অর্থাৎ কমলিনীর গলা শুনতে পেয়েছে। একথা শুনে তো মধুবণী অবাক হয়ে যায়, কিভাবে সব হিসেব গুলো মিলে যাচ্ছে। দেখা যায় কমলিনীর কাছে একটা ফোন আসে। ফোন করে তাকে জানায় যাকে কমলিনী জেলের মধ্যে বিষ দিয়েছিল সেই গার্ড মারা যায়নি। সে এখনো বেঁচে আছে, পুলিশের হেফাজতের কোন একটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এ কথা শোনার পর কমলিনী সেখানে ছুটে যায় সেই লোকটাকে নিজের হাতে শেষ করার জন্য। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেখানে পৌঁছে যায় মধুবণী। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী দিনে কি হয় ধারাবাহিকে। কমলিনীর আসল মুখোশটা কী সকলের সামনে টেনে খুলতে পারবে মধুবণী?

Back to top button