বিয়ে ভাঙতে গিয়ে অনেক বড় ঝুঁকি নিল মধুবণী! মাকে বাঁচাতে হাজির মুশকিলাসান ছোট্ট মিহি

মাস কয়েক আগে জি বাংলার পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কে প্রথম কাছে এসেছি’। ধারাবাহিকটি মাত্র কয়েক মাস হয়েছে সম্প্রচারিত হচ্ছে টেলিভিশনের পর্দায়। তবে দর্শকমহলে বিশেষ একটা প্রভাব ফেলতে পারেননি। ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রীর মোহনা মাইতি (Mohana Maiti) এবং অভিনেতা সায়ন বোস (Sayan Bose)। এর আগে গৌরী এলো ধারাবাহিকে মোহনা যেভাবে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল এই ধারাবাহিকে যেন তার অভিনয় খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারেননি।
ধারবাহিকে ঋকদেব, মধুবণী এবং সাথে ছোট্ট মিহির গল্প ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। একঘেয়ে ধারাবাহিক গুলির চেয়ে এই ধারাবাহিকের বিষয়বস্তু বেশ আলাদা। ধারাবাহিকে মধুবণী একজন সিঙ্গেল মাদার। আর কিছুদিন আগেই তার বিয়ে হয় ঋকদেবের l ঋকদেব মধুবণীর অর্ধেক সত্যিটা জেনে বিয়ে করলেও পরে মধুবণী ঋকদেব কে সমস্ত সত্যিটা বলে। মিহি যে মধুবণীর নিজের সন্তান নয় সেটাও অজানা নেই ঋকদেবের। এখন মধুবণীর জীবনে সবটাই স্বাভাবিক ছন্দে চললেও নিজের বেস্ট স্নেহার বিয়ের কথা শুনে সবটা ঘেঁটে যায় তার।

কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব ১৪ সেপ্টেম্বর (Ke Prothom Kache Esechi Today’s episode 14 September)
সম্প্রতি ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে মধুবণী স্নেহার বিয়ের দিন উপস্থিত হয় তার বাড়িতে। আর অন্যদিকে উপস্থিত থাকে ঋকদেব এবং স্নেহার প্রেমিক কুশল সাধুবাবার ছদ্মবেশে। সাধুবাবার হাতের স্পর্শ পেয়ে স্নেহার খুব চেনা লাগলেও সে কুশলকে চিনতে পারে না। সাধুবাবার বেশে কুশল বারবার স্নেহাকে বোঝাতে থাকে এই বিয়ে তার জন্য নয় কিন্তু স্নেহা পিছিয়ে আসে। কিছুতেই বুঝতে চায় না। আর কুশলও শেষ চেষ্টার পর হার মেনে নেয়।
এরপর বিয়ের রাতে মধুবণী স্নেহাকে সাজাতে যায়। সাজের সময় স্নেহার কুশলের সাথে কাটানো সমস্ত পুরোনো স্মৃতি মনে পড়ে, স্নেহা ভাবতে থাকে কিভাবে কুশলের সাথে সে সুন্দর সময় কাটিয়েছে। এই ভেবে ভেবেই মধুবণীকে জড়িয়ে সে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে। মধুবণী তখন তাকে সান্তনা দিয়ে বলে এখনো সময় আছে সে যদি কুশলকে বিয়ে করতে চায় তাহলে পালিয়ে চলুক। কিন্তু স্নেহার মনে দোলাচল চলতে থাকে।
এরপর হঠাৎই স্নেহার ঘরে ঢুকে আসে স্নেহার মা। এসে মেয়েকে সমস্ত গয়না দিয়ে নিজের হাতে সাজিতে দিতে চায়। অন্যদিকে মধুবণী এবং স্নেহা দুজনে মিলে চেষ্টা করতে থাকে কিভাবে স্নেহার মাকে ঘর থেকে বের করা যায় সেই জন্য। কিন্তু স্নেহার মা কিছুতেই যেতে চায় না মেয়েকে ছেড়ে। তিনি স্নেহাকে পরামর্শ দিতে থাকে শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে মানিয়ে গুছিয়ে নেওয়ার জন্য। এরপর মধুবণীর মাথায় হঠাৎ এক বুদ্ধি আসে। এরপর স্নেহার মাকে বুদ্ধি করে ঘর থেকে বের করা হয়।
আরও পড়ুনঃ গরুর মাংসের বিতর্ক কাটিয়ে ফের রান্নাঘর নিয়ে ফিরছে সুদীপা!
কিন্তু পর মুহূর্তেই এসে উপস্থিত হয় স্নেহার বাবা। তিনিও এসে স্নেহাকে বুঝিয়ে চলে যান। আর এতে আবারো স্নেহার মনে দোটানা চলতে থাকে। স্নেহা ভাবতে থাকে কিভাবে স্নেহা বাবা মা কে ঠকিয়ে বেরোবে। মধুবণী তাকে বোঝায় কুশল ভালো ছেলে স্নেহার মা, বাবা পরে সবটা মেনে নেবে। এবারে দেখার পালা শেষ পর্যন্ত কি হয়। স্নেহা কী পারবে সব ছেড়ে গিয়ে কুশলের হাত ধরতে?

