নির্দোষ প্রমাণিত হলো হৈমন্তী! নিজের বি’ষ দাঁত নিয়ে ফণা তুলে এগিয়ে আসছে রুদ্র! ফাঁ’স আজকের পর্ব!

দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করা ধারাবাহিক (Bengali Television) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন বেশ কয়েকবছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে রোহিত ফুলকির জুটি দর্শকদের তো এখন ভীষণ পছন্দের। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিচে এই জুটি। প্রায় সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় দর্শকদের চমকে দেয় এই ধারাবাহিক।

ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয় অংশু এসে ফুলকিদের খবর দেয় রুদ্র প্রাণে বেঁচে গিয়েছে। তার মুখে এই কথাটা শোনার পরেই ফুলকিরা ভাবে এবার হয়তো জেঠিমাকে তারা জেল থেকে ছাড়িয়ে আনতে পারবে। অংশু ফুলকিদের বলে পরের দিন গিয়ে হৈমন্তীর জন্য বাড়ির খাবার নিয়ে যেতে। পরের দিন সবাই মিলে হৈমন্তীর সঙ্গে দেখা করতে যায়। ফুলকি বাড়ি থেকে তার জেঠিমার জন্য খাবার নিয়ে যায় দেখা করতে।

Phulki, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali television, ফুলকি, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Phulki New Episode

কিন্তু জেলের মধ্যে তো বিশেষ সুবিধা পাওয়া যায় না। তবে জেঠিমা অসুস্থ বলে তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করে দিয়েছে অংশু। কিন্তু বড়বাবু তো এসব মানবে না রুদ্রর হয়ে যখন তিনি এ সমস্ত কাজ করত তখন তিনি ঠিক কিন্তু একজন অসুস্থ মানুষকে যদি সুযোগ সুবিধা দেয়া হয় তাহলে সে ভুল। আর এই নিয়ে বড়বাবুর সঙ্গে কথা কাটাকাটি চলার সময় ফুলকি, বলে রুদ্রর সঙ্গে বড়বাবু চোখে চোখে ইশারা করেই ফুলকির মাথায় বন্দুক ঠেকিয়েছিল।

ফুলকি মুখে কথা শুনে তো অংশু রোহিত সবাই অবাক হয়ে যায়। ফুলকি আগে এই কথা কেন বলেনি সেটাই জানতে চাই সবাই। এরপর কথামতো পরের দিন হৈমন্তীকে কোর্টে নিয়ে যাওয়া হয়। কোর্টে কি হবে সেই নিয়ে তো ধানু ভীষণ চিন্তা করতে থাকে। কিন্তু সবাই তাকে ভরসা দেয়।

আরও পড়ুনঃ ‘মদ নয় চা কফি দিয়ে সেলিব্রেট করব’- ঠাকুরপুকুর কাণ্ডের খু’নি পরিচালক সিদ্ধান্ত দাসের জুতোয় পা গলালেন রূপক দে! ঋ-এর জায়গা নিলেন রিমঝিম!

এরপরে শুরু হয় মামলার শুনানি। ধানু সবরকম ভাবে তার জেঠিমাকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। আর অন্যদিকে বিপরীত পক্ষের উকিল হৈমন্তীকে দোষী প্রমাণ করার চেষ্টা করে। ধানু বিচারককে এটাই বোঝাতে চাই যে হৈমন্তী যে যেটা করেছে সেটা সম্পূর্ণ ফুলকিকে বাঁচানোর জন্য। আর ধানুর সমস্ত যুক্তি প্রমাণ দেখে বিচারক হৈমন্তী দেবীকে অবশেষে নির্দোষ ঘোষণা করে এবং তাকে এই অপরাধ থেকে মুক্তি দেয়।

Back to top button