প্রকাশ্যে দেবার আসল পরিচয়❗টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

কিছুদিন আগেই শুরু হয়েছে স্টার জলসার (Star jalsha) নতুন ধারাবাহিক ‘দুই শালিক’ (Dui Shalik)। ধারাবাহিকের আগামী দিনে দর্শক দুটি জুটি দেখতে চলেছে। নায়ক নায়িকা হিসেবে দেখা যাচ্ছে তিতিক্ষা, নন্দিনী, অর্কপ্রভ এবং সায়নকে। ধারাবাহিকটি শুরু হওয়া নিয়ে তো দর্শকদের মধ্যে দারুণ উত্তেজনা ছিল প্রথম থেকেই বর্তমানে ধারাবাহিক দর্শকদের মনে কতটা জায়গা তৈরি করে নিতে পারে সেটাই দেখার অপেক্ষা।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আঁখিকে কি করে প্রিয়রঞ্জন বাবু তাদের বাড়ির চাকর বানিয়ে রেখেছে। তার উপর দিন রাত অত্যাচার করছে। ওদিকে ঝিলিকের সাথে দেখা হয় প্রিয়রঞ্জন বাবুর বিদেশ থেকে ফেরা ছেলে গৌরবের। ঝিলিকের বাইকের সাথে ধাক্কা লাগায় ঝিলিক শুধু শুধু ঝামেলা করে তার থেকে হাজার টাকা আদায় করে নেয়। তারপর গৌরবের দেখা হয় দেবার সাথে, কারখানায় শ্রমিকেরা ধর্নায় বসেছে তাদের কিছু দাবি মানতে হবে। সেখানেই দেবা তাদের সাথে থাকে। দেবার সাথে কথা কাটাকাটি চলতে থাকে।

Bengali serial

দুই শালিক আজকের পর্ব ২রা অক্টোবর (Dui Shalik Today Episode 2nd October)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বের শুরুতেই দেখানো হবে দেবা এবং গৌরবের মধ্যে কথা কাটাকাটি চলতে থাকে। এরই মাঝে গৌরব তার নিজের পরিচয় দেয়। গৌরব জানায় সে প্রিয়রঞ্জন কাঞ্জিলালের একমাত্র ছেলে। তখনই দেবা তার দিকে তাকিয়ে থাকে আর মনে মনে ভাবতে থাকে তাহলে এই হলো প্রিয়রঞ্জন এর বৈধ ছিল। আসলে দেবার কথা শুনেই বোঝা যাচ্ছে প্রিয়রঞ্জন বাবু অবৈধ সন্তান হলো দেবা। কিন্তু সে কথা সমাজের অনেকেই হয়তো জানে না। তাই প্রিয়রঞ্জন বাবুর উপরে একটা চাপার রাগ রয়েছে এবার অন্যদিকে খুব একটা দেবার। আর গৌরবও তার বাবাকে তেমন পছন্দ করে না। কারণ ১৬ বছর বয়সে গৌরবকে মায়ের কাছ থেকে দূরে নিয়ে বিদেশে পাঠিয়ে দিয়েছিল তার বাবা। ভাগ্যের পরিহাসে আজ দুই ভাই মুখোমুখি। তবে গৌরব জানে না দেবার আসল পরিচয়। এই ঝামেলার মাঝেই প্রিয়রঞ্জন বাবু আসে কারখানা এবং শ্রমিকদের ঝামেলা থামিয়ে কাজে ফিরতে বলে, তিনি শ্রমিকদের সমস্ত দাবি পূরণ করবেন বলে কথা দেন।

এরপর গৌরবকে জড়িয়ে ধরতে আসে প্রিয়রঞ্জন। তখনই গৌরব তাকে বাধা দিবে বলে গৌরবের সঙ্গে তার এত ভালো সম্পর্ক নয়। তাই প্রিয়রঞ্জন বাবু যেন এই ধরনের নাটক না করে। এরপর বাবা ছেলের মধ্যে ঠান্ডা লড়াই হয়ে যায়। এদিকে ঝিলিকের আজ জন্মদিন। বস্তির বাচ্চারা মিলে সবাই ঝিলিকের সাথে কেক কাটে। ঝিলিক সবাইকে কেক খাইয়ে দেয়, তারপর দেবার সঙ্গে দেখা করে। দেবাকেও জন্মদিনের কেক দেয় ঝিলিক। দেবার মুখ দেখেই বুঝতে পারে সে কোথাও ঝামেলা করে এসেছে। এরপর দেবা কারখানার কথা বলে ঝিলিককে। ঝিলিক তাকে মাথা গরম করতে না বলে। কিন্তু দেবা মনে মনে ভাবতে থাকে দেবার মায়ের সাথে যে অন্যায় হয়েছে তার জন্য একমাত্র ওই লোকটাই দায়ী, ওই প্রিয়রঞ্জন অনেক লোকের অনেক ক্ষতি করেছে।

আরও পড়ুনঃ নিজের বাড়িতেই গু’লিবিদ্ধ গোবিন্দা! এটাকি আদৌ দুর্ঘটনা? কিনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ!

এদিকে দীর্ঘ কয়েক বছর বাদে বাড়ি ফেরে গৌরব। মা, জেঠি সবাই মিলে তাকে বরণ করে নেয়। তখনই আঁখিকে দেখে গৌরব অবাক হয়ে যায়। যেহেতু আঁখি আর ঝিলিক যমজ বোন তাই দুজনের মধ্যে গুলিয়ে ফেলেছে। গৌরব বুঝতেই পারেনি দুজন আলাদা মানুষ। এরপর গৌরবকে সকলে বলতে থাকে আঁখির কথা এবারে দেখার অপেক্ষা গৌরব আঁখি এবং ঝিলিককে আলাদা করতে পারে কিনা।

Back to top button