ভালোবাসার মানুষকে হারিয়ে বিচার বুদ্ধি লোপ পেল মিঠির! বাবা দাদার কথায় প্রভাবিত হয়ে দূরে ঠেলে দিল কমলিনীকে!

জমে উঠেছে স্টার জলসার (Star Jalsha) জনপ্রিয় ধারাবাহিক চিরসখা (Chirosokha)। বাংলার মেগা ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে এটি অন্যতম জনপ্রিয় দর্শকমহলে। তাইতো প্রতি সপ্তাহে প্রত্যেককে অবাক করে টিআরপি তালিকায় ভালো ফলাফল করছে। আর যেহেতু লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের ধারাবাহিক তাই দর্শকদের এই ধারাবাহিক যে পছন্দ হবে তা খুবই স্বাভাবিক। চলুন জেনে নেওয়া যাক ধারাবাহিকের আজকের পর্বে কি হতে চলেছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, কমলিনী দেখা করে নতুনের সাথে। নতুনকে জানায় মিঠি কিভাবে ভেঙে পড়েছে। নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছে সবকিছু থেকে। তাই মিঠিকে এই অবস্থা থেকে বের করতেই হবে। ওদিকে নতুনদের বাড়ির অবস্থাও ভালো নয়। তার দাদা একেবারে ভেঙে পড়েছে, অনন্যা ও দিনরাত কান্নাকাটি করছে। নতুনের মনের অবস্থাও ভালো নয়। প্লুটো তার সাথে সব কথা শেয়ার করত, কিন্তু অনন্যার জন্য তার সাথে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। তাই জন্য শেষের দিকে নতুন নিজেই প্লুটোর সাথে দূরত্ব তৈরি করেছিল। সেখানে নতুনের গাফিলতি আছে। এরপরেই নতুন বলে মিঠিকে যদি একজন সাইকোলজিস্ট এর কাছে নিয়ে যাওয়া হয় তাহলে খুব ভালো হয়। মিটিলকে অনেকদিন ধরেই মিঠি চেনে সেক্ষেত্রে যদি একদম অচেনা কারোর কাছে নিয়ে যাওয়া হয় তাহলে মিঠি তার মনের কথা বলতে পারবে।

নতুন কমলিনীকে সব রকম ভাবে সাহায্য করবে বলে জানায়। কিন্তু তার আগে সামনে কমলিনীর অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান। সেখানে যাওয়ার জন্য জোরাজুরি করতে থাকে নতুন। যদিও কমলিনী মেয়ের এই অবস্থার জন্য কোথাও যেতে চায় না। কিন্তু নতুন তাও জোর করতে থাকে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে মিঠি তো খাওয়া দাওয়া একেবারেই বন্ধ করে দিয়েছে। তার পিসি তাকে খাওয়ানোর চেষ্টা করছে ঠিকই কিন্তু এক দুবার ছাড়া আর খেতেই চাইছে না মিঠি। ওদিকে মিঠির বড় দাদা বারবার তাকে খাওয়ার জন্য অনুরোধ করে। সব ভুলে মিঠিকে শক্ত থাকতে বলে। রুদ্র এমনিতেই বোন ভাই সবাইকেই ভালোবাসে, শুধুমাত্র নিজের বউয়ের পাল্লায় পড়ে তার মাথা ঘুরে গিয়েছে। ওদিকে বর্ষা এসে ঠাম্মিকে চা দেওয়ার জন্য অর্ডার করে। কুরচি দেখে তার মা এই বয়সে চা করছে। সত্যি এই দৃশ্যও দেখতে হলো তাকে। কমলিনী যখন সংসারের দায়িত্বে ছিল তখন পায়ের উপর পা তুলে শুধু অর্ডার করতেন। আর এখন তার অবস্থা কি বেহাল হয়েছে। অন্যদিকে চন্দ্র চন্দ্রের বউ ও আরাম বিলাসিতায় জীবন কাটাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ পারুলের একটা সিদ্ধান্তে শেষ হয়ে গেল দুটো জীবন! মল্লারের মত না নিয়েই দেওরের গলায় টগরকে ঝুলিয়ে দিল সে!

ঠাম্মির এই অবস্থা দেখে তো কুরচির ভীষণ করুণা হয়, কিন্তু কেউই রান্নাঘরে গিয়ে কাজ করতে রাজি নয়। সবটাই এখন তাকে করতে হচ্ছে। অন্যদিকে মিঠির এই অবস্থা দেখেও কেউ কমলিনীকে অপমান করতে ছাড়ছে না। মিঠির সামনেই তার মাকে নিয়ে নানান রকম বাজে বাজে মন্তব্য করছে। ইচ্ছে করেই তার মায়ের নামে তার সামনে বলছে, যাতে তার মন প্রভাবিত হয়ে যায়। যদিও রুদ্র এত সাতপাঁচ ভেবে বলছে না। কিন্তু বর্ষা, চন্দ্র, চন্দ্রর দ্বিতীয় স্ত্রী সকলেই কিন্তু মিঠির মন বিষিয়ে দেওয়ার জন্যই এ কথাগুলো বলছে। মিঠি কোন কথা না বললেও তার হাবেভাবে বোঝা যাচ্ছে সে বেশ বিরক্ত হচ্ছে। এবার দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button