পারুলের একটা সিদ্ধান্তে শেষ হয়ে গেল দুটো জীবন! মল্লারের মত না নিয়েই দেওরের গলায় টগরকে ঝুলিয়ে দিল সে!

নবাগত অভিনেত্রী ঈশানি চ্যাটার্জি (Ishani Chatterjee) এবং জনপ্রিয় অভিনেতা উদয় প্রতাপ সিং (Uday Pratap Singh) এর জুটিতে বর্তমানে জমজমাট হয়ে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিক। দর্শকদের জন্য এই ধারাবাহিকে প্রতিদিনই থাকে নতুন নতুন টুইস্ট। আর দর্শক এই ধারাবাহিক বেশ মজার সাথে উপভোগ করেন। রায়ান পারুলের খুনসুঁটি মাখা সম্পর্ক, পারুলের শিরিনকে পদে পদে জব্দ করা দেখতে দর্শক বেশ পছন্দ করে। আর বিশেষ করে ধারাবাহিকে পারুলের চরিত্রটি দর্শকদের অত্যন্ত পছন্দের।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে টগরকে গায়ে হলুদের জন্য তৈরি করা হয়। সকলে মিলে আনন্দ হৈহুল্লোড়ে মেতে ওঠে, নাচ গান করতে করতে সকলে গায়ে হলুদের আয়োজন করে। দুর্ঘটনাবসত মল্লারের গায়ের হলুদ লেগে যায় টগরের গায়ে। তারপর সবকিছু ঠিকঠাক ভাবেই মেটে। ওদিকে বাইক কিনতে দোকানে যায় রায়ান পারুল। কিন্তু পারুল এবং রায়ান যে মডেলের বাইক চায় সেই মডেলের বাইক আপাতত শোরুমে নেই। কিন্তু রতন বলে দিয়েছে তার লাল রঙের বাইকই চাই। এদিকে ওই লাল রঙের বাইক ডানকুনি শোরুমে রয়েছে তাই সেই বাইক আসতে কিছুটা সময় লাগবে। পারুল এবং রায়ান সমস্ত কথাবার্তা বলে বাড়িতে চলে আসে।

বাড়ি এসে পারল নিজের বোনকে সুন্দরভাবে নিজের হাতে সাজিয়ে দেয়। আর টগর তো বাইক বাইক করে একেবারে মাথা খারাপ করে দেয়। পারুল কোনরকমে বোনকে শান্ত রাখে। তারপর বিয়ের পিঁড়িতে বসার জন্য তৈরি হয়ে যায় টগর। এদিকে বর চলে এসেছে, পারুলের মা আর সকলে মিলে যায় বরণ করতে। বাড়িতে ঢুকতে না ঢুকতেই বর বাইক বাইক করে খোঁজখবর শুরু করে। এই বিষয়টা একেবারেই ভালো লাগেনা কারোর। এরপরে বিয়ের লগ্ন শুরু হয়ে যায়, বর কনেকে নিয়ে আসতে বলা হয়। কিন্তু বিয়ের পিঁড়িতে যাওয়ার আগে বাইকের খোঁজ করে রতন। বাইক না পেয়ে বিয়ে ভেঙে চলে যাওয়ার হুমকি দেয় সে। যতক্ষণ না বাইক আসছে সে বিয়ে করবে না এই নিয়ে শুরু হয়ে যায় দুপক্ষের ঝামেলা। পারুল রায়ান সমানে রতনকে বোঝাতে থাকে বাইক ডানকুনির শোরুম থেকে আসছে তাই কিছুটা সময় লাগছে। ততক্ষণে বিয়ের পিঁড়িতে বসুক রতন।
কিন্তু রতন কোন কথা শোনে না। আর বিয়ে বাড়ির এই ঝামেলার কথা টগর জানতে পেরে ছুটে আসে। রতন টগরের সামনেই জানিয়ে দেয় সে টগরকে কিছুতেই বিয়ে করবে না। এদিকে রায়ান মুখ ফুসকে রতনকে ভোঁদর বলে সম্বোধন করে, এই অপমানে রতন আর সেখানে থাকতে চায় না। রতন তখনই বিয়ে ভেঙে বেরিয়ে যেতে চায়। কিন্তু বেরিয়ে যাওয়ার সেই মুহূর্তে বাইক এসে হাজির হয়। পারুল তখন জানিয়ে দেয় যে ছেলে একটা বাইকের জন্য তার বোনের সাথে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে সে রকম ছেলের সাথে বিয়ে দেবে না পারুল। তাই তাকে অপমান করে বের করে দেয় বিয়ে বাড়ি থেকে।
আরও পড়ুনঃ শাসক দলের ভয়ে গুটিয়ে থাকতে নারাজ রাজ্যবাসী! ফুলকির কথায় সাহস যুগিয়ে ভোট দিতে এগিয়ে এলো তারা! ফুলকির কাছে হার মানল ছোট রাজকুমার!
এদিকে বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় আত্মহত্যা করবে বলে হুমকি দেয় টগর। বোনকে বাঁচাতে ছুটে আসে পারুল। টগর গলায় দড়ি দেওয়ার জন্য ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়। পারুল বারবার টগরকে বারণ করে এই ভয়ংকর পদক্ষেপ না নিতে। তখন টগর জানিয়ে দেয় যদি পারুল নিজের দেওরের সাথে টগরের বিয়ে দেয় তাহলেই টগর আত্মহত্যা করবে না।

