চিঠির সত্যতা প্রমাণ করার কথা উঠতেই বিপাকে চন্দ্র! একাই লড়াইয়ে নামলো কমলিনী!

স্টার জলসার (Star jalsha) সদ্য শুরু হওয়া ধারাবাহিক (Bengali Serial) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। দীর্ঘদিন পর এই ধারাবাহিকের হাত ধরে টেলিভিশনের পর্দায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। এছাড়াও ধারাবাহিকে একেবারে অন্যরকম একটি চরিত্রে দেখা যেতে অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে (Sudip Mukherjee)। আরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন টেলিভিশনের পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা।

ধারাবাহিকে একটি অসমবয়সী প্রেম ফুটিয়ে তোলা হবে আগামী দিনে সেটা ধারাবাহিকের গল্প সেদিকে এগোচ্ছে তাতেই বোঝা যাচ্ছে। আর বাকি পাঁচটা ধারাবাহিকের চেয়ে যে এই ধারাবাহিক একেবারেই আলাদা হতে চলেছে সেটা প্রথম থেকেই বোঝা গিয়েছিল। আর যেখানে ধারাবাহিকের লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, সেখানে তো আলাদা কিছু হতেই হবে।

Aparajita Ghosh Das

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে সবকিছু সহ্য করলেও আর চুপ করে থাকতে পারে না। ঘর থেকে চন্দ্রর সেই চিঠি নিয়ে আসে। তারপর সকলের সামনেই সেই চিঠি পড়েতে থাকে। কমলিনী যত চিঠির গভীরে যায় তত শুনে অবাক হয়ে যায় সকলে। কিন্তু চন্দ্র নির্বিকার। কমলিনীর চিঠি পড়া শেষ হলে চন্দ্র অট্টহাসি হাসতে থাকে। কমলিনীকেই সকলের সামনে মিথ্যে প্রমাণিত করে বলে এটা তার কাজের জায়গায় গুপ্ত চিঠি।

কিন্তু তাও চন্দ্রর এই চিঠি নিয়ে কমলিনীর মনে সংশয় থেকেই যায়। তাই জন্য পুরোপুরি ভাবে এখনো চন্দ্রকে মেনে নিতে পারে না। এ কথা সকলে বুঝতে না চাইলেও কমলিনীর কাকা ঠিকই বুঝতে পারেন। এদিকে ছেলেমেয়েরা সকলেই চন্দ্রের মুখের কথা বিশ্বাস করে নেয় তাই তারা কমলিনীকে আবার নতুন করে সবকিছু ঠিক করে নিতে বলে। কিন্তু কমলিনী জানায় যদি কমলিনীর মনে সংশয় থাকে তাহলে একজন হ্যান্ড রাইটার এক্সপার্ট এর কাছে গিয়ে এই চিঠির সত্যতা প্রমাণ করা যেতে পারে। আর এই প্রসঙ্গ করতেই ক্ষেপে ওঠে চন্দ্র। চিৎকার করে ওঠে সকলে সামনে। আর তাতেই কমলিনীর মনে সন্দেহ আরো গাঢ় হয়।

আরও পড়ুনঃ কৌশিকীকে আটকাতে টার্গেট কাঁকন! গান পয়েন্টে রেখে প্রাণে মারার হুমকি দিব্যা সেনের! রুদ্র মূর্তি ধারণ করলো দুর্গা!

কমলিনী জানায় যদি তাকে চন্দ্রের সঙ্গে থাকতেই হয় তাহলে তার একটা শর্ত রয়েছে। যদি কোনদিন কমলিনী প্রমাণ করতে পারে যে চন্দ্র এই চিঠির ব্যাপারে মিথ্যে বলেছে এবং কমলিনী যেটা সন্দেহ করেছে সেটাই সত্যি তাহলে সেদিনই তাদের সম্পর্ক শেষ হয়ে যাবে। অন্যদিকে নতুন তার দাদার বাড়িতে যায় বিয়ের প্রসঙ্গে আলোচনা করতে। সরাসরি ডলকে বিয়ের প্রস্তাব জানায়। প্রথমে তো প্রত্যেকে অবাক হয়ে নতুনের মুখে এ কথা শুনে। বিশেষ করে তার দাদা বিশ্বাসই করতে চায় না নতুন মন থেকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ডলও একই প্রশ্ন করতে থাকে। কিন্তু নতুন জানায় নতুন এই সিদ্ধান্ত একমাত্র কমলিনীর কথা ভেবেই নিয়েছে। তারপরে নতুনের বাড়িতে এসে উপস্থিত হয় কমলিনী। নতুন কমলিনীকে এত বছর ধরে যে সমস্ত গয়না গড়িয়ে দিয়েছে সবটাই ফেরত দিয়ে যায় সে।

Back to top button