পরকীয়ার জেরেই সংসার ছেড়েছিল চন্দ্র! অতীতের সত্যি এতদিনা ফাঁস করলো কমলিনী!

স্টার জলসার (Star jalsha) সদ্য শুরু হওয়া ধারাবাহিক (Bengali Serial) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। দীর্ঘদিন পর এই ধারাবাহিকের হাত ধরে টেলিভিশনের পর্দায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। এছাড়াও ধারাবাহিকে একেবারে অন্যরকম একটি চরিত্রে দেখা যেতে অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে (Sudip Mukherjee)। আরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন টেলিভিশনের পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা।

ধারাবাহিকে একটি অসমবয়সী প্রেম ফুটিয়ে তোলা হবে আগামী দিনে সেটা ধারাবাহিকের গল্প সেদিকে এগোচ্ছে তাতেই বোঝা যাচ্ছে। আর বাকি পাঁচটা ধারাবাহিকের চেয়ে যে এই ধারাবাহিক একেবারেই আলাদা হতে চলেছে সেটা প্রথম থেকেই বোঝা গিয়েছিল। আর যেখানে ধারাবাহিকের লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, সেখানে তো আলাদা কিছু হতেই হবে।

Chirosokha, Star jalsha, Bengali Serial, Bengali Television, New episode, Chirosokha Today's 21 June Episode, Aparajita Ghosh Das, Sudip Mukherjee, চিরসখা, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, নতুন এপিসোড, চিরসখা ২১ জুন পর্ব, অপরাজিতা ঘোষ দাস, সুদীপ মুখার্জী

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে কমলিনীর শাশুড়ি স্পট করে জানিয়ে দেয় তারা আর কমলিনীর হাতের রান্না খেতে চায় না। কমলিনী যখন এই বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তখন তারা আর কমলিনীর সেবা নেবে না। কমলিনীর এমন আচরণে তো তার সন্তানেরা বারবার প্রশ্ন করতে থাকে। তারপর নতুন আসার পর কমলিনীর শাশুড়ি তাকেও প্রশ্ন করে। তখনই নতুন জানিয়ে দেয় সে বিয়ে করছে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, নতুনের এই সিদ্ধান্ত শোনার পর সকলেই তো অবাক। কমলিনী ভাবতেও পারেনি নতুন এত তাড়াতাড়ি তার সিদ্ধান্তে কথা বলে দেবে। সকলের মনেই কৌতূহল নতুন কাকে বিয়ে করবে, নতুনই সকলকে জানিয়ে দেয় সে ডলকে বিয়ে করবে। নতুনের এই সিদ্ধান্ত শোনার পর এই নিজের শাশুড়ির কথা শুনে ব্যাগ গোছাতে থাকে। তখনই কমলিনীর ননদ এসে তাকে বাধা দেয়।

আরও পড়ুনঃ মেহেন্দির জেরার মুখে স্বয়ম্ভু! প্ল্যান মতন জগদ্ধাত্রী সেজে ফুলটুসীর সামনে দাঁড়ালো দুর্গা! শুরু হলো খেলা!

আসলে সেও দোটানায় পড়েছে। কমলিনীর সাথে তার সুন্দর সম্পর্ক নিজের দাদার প্রতি তার কর্তব্য সবকিছুর মধ্যে আটকে গেছে সে। কিন্তু কমলিনীকে সে কিছুতেই এই বাড়ি ছেড়ে যেতে দেবে না। কিন্তু কমলিনী কোনো কথা শোনে না। উল্টে তার ননদকে বাধ্য হয়ে বহু বছর পুরোনো একটি চিঠি দেখায়। সেই চিঠিটা চন্দ্রর প্রেমিকার। বিয়ের কয়েকবছর পর পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে চন্দ্র। সেই চিঠিতে তার প্রেমিকা সোহিনী চন্দ্রকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। তারপরই বাড়ি থেকে চলে যায় চন্দ্র আর তার পরের দিন তার মৃত্যুর খবর আসে। ওইদিকে মিথিল মেঘালয়ের সমস্ত হোমে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারে কোথাও কোনোদিন চন্দ্রের মতন দেখতে কেউ ছিলই না। এবারে সব সত্যি ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে যায়। দেখা যাক আগামী পর্বে কি হয়।

Back to top button